ফিলিস্তিনে ইহুদিদের প্রবেশ যেন কাল কাল হয়ে দাড়িয়েছে ফিলিস্তিনের মুসলিমদের জন্য।আস্তে আস্তে ইহুদিদের সংখ্যা বৃদ্ধি করে ফিলিস্তিনের মানচিত্রকে সংকুচিত করতে থাকে দখলদারি ইসরায়েল।
ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র করতে ১৯৮৭ সালে গঠিত হয় স্বাধীনতাকামী সংগঠন "হামাস"।হামাসের রয়েছে রাজনৈতিক শাখা, সামাজিক শাখা ও সামরিক শাখা।
ফিলিস্তিনের দুই অংশ বিশেষ করে পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা ২০০৭ সালে চলে নিয়ন্ত্রণে নেয় দুটি দল। মাহমুদ আব্বাসের নেতৃত্বে পড়ে ফাতাহ পশ্চিম তীর ও খালেদ মেশালের নেতৃত্বে হামাস উপত্যকা গাজা।কিন্তু হামাস গাঁজার চুক্তি বাতিল হয় ইজরায়েল কারনে।
হামাস-ফাতাহ জাতীয় ঐক্যে সরকার ব্যবস্তা গঠিত হলে সেই সরকারের সঙ্গে কোনো প্রকার শান্তি আলোচনায় যাবে না বলে সাব জানিয়ে দেয় ইসরায়েল।
মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো উদ্যোগই সফল হয়নি। বরং দিনের পর দিন পর দিন সেখানে নতুন নতুন সংঘাতের জন্ম দিয়েছে।
চলমান ইজরায়েলের হামলায় এক লাখের বেশি ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছে (জাতিসংঘ)। গাজা অনেক ঘনবসতি হওয়ায় ইজরায়েলের আঘাতে বেসামরিক মানুষ প্রাণ হারাচ্ছে। নাড়ী,বৃদ্ধ, শিশুসহ বেসামরিক মানুষ আহত ও নিহতের তালিকায় বেশি।বিশ্ববাসী যুদ্ধবিরতি কার্যকরে করছে নানা কূটনৈতিক প্রচেষ্টা,কোনো প্রচেষ্টাকেই তোয়াক্কা করছে না দখলদারি ইজরায়েল।বরং সংঘাতের মাত্রা চরম থেকে চরমতর করছে।
২০১২ সালের দিকে গাজায় অভিযান চালায় ইসরায়েল। তখন মাত্র আট দিনের মাথায় মিসরের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। এভাবে ফিলিস্তিনিরা নিজের ভূখন্ডে পরাধীনতার শিখলে যেন বন্দী। বিদ্যুৎ, গ্যাস,পানি ইত্যাদি যেন (ইহুদিদের) ইজরায়েলের নিয়ন্ত্রণে।
এদিকে মুসলিম বিশ্ব বিশেষ করে ইরান কড়াকড়িভাবে জবাব দিলেও তোয়াক্কা করছে না ইজরায়েলের সেনাবাহিনী।
ফিলিস্তিন শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের রিলিফ অ্যান্ড ওয়ার্কস এজেন্সি (ইউএনআরডব্লিউএ) এর কমিশনার-জেনারেল ফিলিপ লাজারিনি বলেন "গাজায় কষ্টের স্তরগুলি ঘন হয়ে আসছে" কারণ সংঘাতের মূল ভিত্তিটি সমাধান করা হয়নি।
""লাজারিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে "সংঘাত, দখলদারিত্ব, বাস্তুচ্যুতির মূল কারণগুলি, যার মধ্যে পূর্ব জেরুজালেম এবং শেখ জাররাহ, অবরোধ এবং সহিংসতার চক্রের একটি দৃঢ় অনুস্মারক ছিল - এই স্বাভাবিকতার অনুভূতিটি মোকাবেলা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন" পরবর্তী সংঘাতের আগ পর্যন্ত কেবল মরীচিকা হয়ে থাকবে।""(আল-জাজিরা)
ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকে স্বাধীন রাষ্ট্রের দাবিতে ফিলিস্তিনিদের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম চলছে। আর কত রক্ত ঝরলে, লাশের মিছিল কতটা দীর্ঘ হলে, তাদের ভূখন্ডে তারা স্বাধীন হবে?
প্রশ্ন থেকেই যায় বিশ্ববাসীর কাছে।
মাসুম বিল্লাহ
লেখক ও সাংবাদিক
২৬ দিন ১৮ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৩৩ দিন ২৩ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৫৬ দিন ২ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৭৪ দিন ১ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৯৪ দিন ৪৯ মিনিট আগে
৯৫ দিন ১১ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৯৬ দিন ১১ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
১০২ দিন ১ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে