চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ৫৮ তম দিবস নিয়ে চবি উপাচার্য প্রফেসর ড.শিরীন আখতার বলেন দায়িত্ব নিয়ে কিভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নয়ন, গবেষনা,হল গুলোর উদ্ভোধন,চালু,ও পাশাপাশি অনেক গুলো আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্কলারশীপ নিয়ে আসা যায় কাজগুলো মাথায় রেখে কাজ শুরু করি।
একটা ১১ তলা কনফুসিয়াস সেন্টার দেওয়ার কথা থাকলেও করোনার জন্য আমরা কনফুসিয়াস সেন্টার এখনো পাইনি। এটা থাকলে শিক্ষার্থীরা ভাষা শিখে চায়নায় যেতে পারতো।
মালদ্বীপের সাথে আলোচনা করছি, তারা চাচ্ছে শিক্ষার্থীদের, আমাদের এখানে এনভায়রনমেন্ট বিভাগ থেকে অনেকে যাচ্ছে, তারা জাপানেও যাচ্ছে।
চবি উপাচার্য আরো বলেন-আমরা বঙ্গবন্ধু ব্লু ইকোনমি সেন্টারের জন্য কক্সবাজারে জমি বরাদ্দ পেয়েছি। ইউজিসি থেকে আমরা বরাদ্দ পেয়েছি বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত নিয়ে কাজ করছি।আমাদের প্রায় কাজ শেষ বিশ্ববিদ্যালয় যাতে আগাই থাকে,এতো বড় বিশ্ববিদ্যালয় জানি না কেন পিছচ্ছে, আমরা হয়তো ঐ বিষয়গুলোতে যেতে পারছি না,তবে সকল প্রকার কাজ প্রায় শেষের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়কে এগিয়ে নেওয়ার।
জাতীর উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান সম্পর্কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন তোমাদের অনেক মেধা,তোমরাই ভালো জানো,অনেকে বিসিএস পাচ্ছে, জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট হচ্ছে।দেশে কতটুকু অবদান রাখছে, তোমাদের সবার জানা।
প্রতিটি ডিপার্টমেন্টে দুই জন বিদেশি শিক্ষার্থীর পড়াশোনার সুযোগ থাকলেও এখন পাওয়া যাচ্ছে না এই প্রশ্নের জবাবে উপাচার্য বলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ঢাকা থেকে দুরে থাকার কারনে এমনটা হচ্ছে, তবে জাপান ও মালদ্বীপ থেকে পেয়েছি, বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ভালো আবাসনের ব্যবস্থা না থাকার কারনে আসছে না,তবে এই আবাসনের ব্যবস্থা হবে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত আবাসনের ব্যবস্থা পরিকল্পনায় আছে,দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
২৬ দিন ১৮ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৩৩ দিন ২৩ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৫৬ দিন ২ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
৭৪ দিন ১ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৯৪ দিন ৪৯ মিনিট আগে
৯৫ দিন ১১ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৯৬ দিন ১১ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
১০২ দিন ১ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে