শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ২০২৩আলোচনা সভায় প্রধান অথিতি প্রফেসর ড.শিরীন আখতার, উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। বিশেষ অতিথি প্রফেসর বেনু কুমার দে, উপ-উপাচার্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। মূখ্য আলোচোক হিসেবে ছিলেন প্রফেসর ড.মুনতাসীর মামুন, ইতিহাসবিদ ও বঙ্গবন্ধু চেয়ার,চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। সভাপতিত্ব করেন প্রফেসর নূর আহমদ, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর প্রফেসার ড. নুরুল আজিম সিকদার বলেন আপনারা জানেন আজকের দিনটি একটি বেদনাদায়ক দিন।
পশ্চিম পাকিস্তানীরা যখন জেনেছে তাদের পরাজয় নিশ্চিত, তখন তারা বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে।বুদ্ধীজীবীরা মুক্তিযুদ্ধের সময় অন্যান্য অবদান রেখেছেন,কিভাবে মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করবে তারাই বলে দিতো।তিনি বলেন ১৯৭১ সালে যারা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে কাজ করেছিল ঠিক এখনো স্বাধীনতা নশ্চেৎ করতে চায় স্বাধীনতার দোসররা।
মূখ্য আলোচেক হিসেবে আলোচনা করেন প্রফেসর ড. মুনতাসীর মামুন,বঙ্গবন্ধু চেয়ার, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়। তিনি বলেন আমি যখন চট্টগ্রাম থেকে বিজয়ের খবর পাই,তখন জানলাম বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে।আমি তখন তোমাদের মতো ছাত্র। তিনি বলেন মানুষ জগতের পরিবর্তন না হলে লাভ নাই।তিনি আরো বলেন শহীদদের সংখ্যা ত্রিশ লক্ষের উপরে এবং নারী নির্যাতন দুই লক্ষের উপরে। আমি মনে করি আমাদের শিক্ষকদের ও হত্যা করা হয়েছে। ২৫ মার্চ ১৯৭১ থেকে শুরু করে ৩০ জানুয়ারী ১৯৭২ পর্যন্ত বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়। সারা দেশেই বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়েছে,শুধু মিরপুর রায়েরবাজার নয়।১৯৪৮ থেকে এখন পর্যন্ত সংখ্যাগরিষ্ঠের দিক থেকে পূর্ব পাকিস্তানের সংখ্যা বেশি।আমরা চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে প্রথা বিলোপ করেছি,পাকিস্তানীরা করেনি।শুধু মানুষ হত্যাই গনহত্যা না ভাষা,সংস্কৃতি হত্যাও গনহত্যা। বুদ্ধিজীবী কাদেরকে বলবেন?
বৃহৎ অর্থে পেশাজীবীরাও বুদ্ধিজীবী।সরকার বা অঙ্গসংগঠনের যদি কোনো ভুল করে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেউ প্রতিবাদ করেন না কেন?ভিসি হবো, অমুক হবো ইত্যাদি। কেন এতো ছোট ছোট পদের জন্য চুপ করে থাকেন।
বুদ্ধিজীবীদের এখনো তালিকা করা হয় নি,তবে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের তালিকা করছি(ছয় বার)।পৃথিবীর কোনো দেশেই শহীদদের তালিকা করা হয় না। কয়েক হাজার বুদ্ধিজীবীদের সংখ্যা হতে পারে,তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করছি আমরা। পৃথিবীর কোনো দেশেই শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস নেই,কারন কোনো দেশেই এতে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করা হয়নি।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় উপ-উপাচার্য প্রফেসর বেনু কুমার দে বলেন আজ এই দিনটিতে অসংখ্য বুদ্ধিজীবী দিবসে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের বুদ্ধিজীবীদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। যারা নিজের জীবীকার পাশাপাশি সৃজনশীলতার সাথে চলে তারাই বুদ্ধিজীবী। আমরা সাপ মারছি,লেজে এখনো জীবন আছে,গ্রেনেড হামলা থেকে শুরু করে এখনো হামলা হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানীরা লিস্ট করেছে মারতে পারেন নি,এই বাঙ্গালীরাই মারছে তাকে।
চবি উপাচার্য প্রফেসর ড. শিরীন আখতার বলেন পাকিস্তানীরা বাঙালিদের মুসলমান মনে করতেন না।আমরা অনেক অসুবিধার মধ্যে ছিলাম,এখনো আছি।বঙ্গবন্ধুর কষ্টের বিনিময়ে একটি ছোট দেশ হলেও পেয়েছি। আমি ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে ৩০ জানুয়ারী ১৯৭২ সালে যারা শহীদ হয়েছে তাদের সবাইকে স্মরণ করছি।বুদ্ধিজীবীরা না থাকলে বাঙালিরা আরো দেরিতে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়তো। চবি ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার প্রফেসর নূর আহমদ বলেন ১৯৫২ সালে বাঙালির দামাল ছেলেরা ভাষার অধিকার ছিনিয়ে এনেছে।
২৬ দিন ১৮ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৩৩ দিন ২৩ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৫৬ দিন ২ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
৭৪ দিন ১ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৯৪ দিন ৪৯ মিনিট আগে
৯৫ দিন ১১ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
৯৬ দিন ১১ ঘন্টা ৫৭ মিনিট আগে
১০২ দিন ১ ঘন্টা ৯ মিনিট আগে