আশাশুনি উপজেলার বুধহাটায় অনিয়ম তান্ত্রিক ভাবে বেতনা নদী পূণঃ খনন কাজের বিরুদ্ধে স্থানীয় জনতা মানববন্ধন করেছে। শনিবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকালে বুধহাটা পূর্বপাড়া অন্তাকুড়ি স্লুইস গেটের উপর এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন চলাকালে ইউপি চেয়াপরম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুল হক ডাবলু, মহিলা মেম্বার দোলন খাতুন, যুবলীগ নেতা নূরুজ্জামান জুলুসহ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিবর্গ বক্তব্য রাখেন। বক্তাগণ বলেন, সরকারের দীর্ঘ মেয়াদি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের মধ্যে নদী পূণঃ খনন প্রকল্পটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বুধহাটা ও কুল্যা ইউনিয়নের সীমানা দিয়ে প্রবাহমান বেতনা নদী খননের নকশায় ত্রুটির কারণে বুধহাটা পূর্বপাড়ার একমাত্র সরকারি কবরস্থান, উপজেলার প্রাণ কেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী বুধহাটা বাজার, অসংখ্য অসহায় পরিবার তাদের আশ্রয়স্থল বসতবাড়িসহ বহু পরিবারের শেষ সম্বল, দোকান পাট, কারখানা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে। নদী ভাঙ্গনে বিলীন হওয়া বুধহাটা এলাকাকে আবারও গিলে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অন্যদিকে কুল্যা ইউনিয়নের বাহাদুরপুরের শত শত বিঘা খাস জমি (যা নদী ভরাট হয়ে জেগেছে) বাঁচিয়ে দেয়া হচ্ছে। এর পিছুনের কিছু স্বার্থান্বেষী মহলের তদবিরে প্রভাবে অভিযোগ তুলে বক্তাগণ বলেন, বেতনা নদী বুধহাটার পাশে প্রবাহমান আছে, ফলে বাধ সরতে সরতে বুধহাটা পূর্ব পাড়া ও বাজারের মধ্যে ওয়াপদার বাঁধ ঢুকে গেছে। ভরাট হওয়া এলাকায় খনন না করে প্রবাহমান নদী বরাবর নদী পূণঃ খনন করা হলে এলাকার শত শত সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবন যাপনে বাধ্য হবে। পক্ষান্তরে এলাকার একাধিক অবৈধ ইটভাটা ও কুল্যা পারের কিছু ভূমিদস্যু উপকৃত হবে। এব্যাপারে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা। দাবী আদায়ে ইউপি চেয়ারম্যান সহকারী অধ্যাপক মাহবুবুল হক ডাবলুকে উপদেষ্টা এবং মহিলা মেম্বার দোলন খাতুনকে আহ্বায়ক ও নূরুজ্জামান জুলু, আবু সাইদ, শহিদুল ইসলাম, ইউছুপ, মহিউদ্দিন গাজী ও রেজওয়ান আলীকে সদস্য করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।