রাজশাহীর বাঘায় বাবা কর্তৃক মাকে হত্যার ২০ বছর পর পিতা আস্তুল হোসেনকে হত্যা করে জীবনের জ্বালা মিটিয়েছে তারই ছোট ছেলে ছনি।
বৃহস্পতিবার(১১মে) রাতে উপজেলার চক আমোদপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার-সহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন বাঘা থান অফিসার ইনচার্জ(ওসি)খাইরুল ইসলাম ও রাজশাহী(সি.আই.ডি)র ক্রাইম সিন বিশেষজ্ঞ সব-ইন্সেপেক্টর সুলতান মাহামুদ।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শুক্রবার সকালে রাজশাহীর বাঘার চক আমোদপুর গ্রামের একটি পুকুর পাড় থেকে আজিজুল আলম অরুপে আস্তুল নামে এক ব্যক্তির ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মৃত আস্তুলের (৫০) এর বাড়ী চক আমোদপুর গ্রামে। তার পিতার নাম মৃত ইয়াকুব প্রামানিক। বৃহস্পতিবার রাতে এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হয় বলে নিশ্চিত করেন স্থানীয় লোকজন। এ ঘটনার পর পুলিশ এসে মৃত ব্যাক্তির লাশ উদ্ধারের পর গোপন তথ্যের ভিত্তিতে আস্তুলের ছোট ছেলে ছনি(২১)এর ঘর তল্লাশী করলে তার ব্যবহৃত শার্ট,লুঙ্গি এবং হাতের কবজিতে রক্তের নমুনা লক্ষ্য করেন এবং তাকে আটক করে থানায় নিয়ে যান।
আস্তুলের ভাই গোলাম মোস্তফা-সহ এলাকার লোকজন জানান,১৯৯৮ সালে আস্তুল তার স্ত্রী পারুল বেগমকে হাসুয়া দিয়ে কুপিয়ে হতা করেছিল। এরপর সে পুলিশের হাতে আটক হয়ে ঘটনার স্বীকারুক্তি মুলক জবানবন্দী দিলে মহামান্য আদালতের বিচারক তাকে যাবত জীবন সাজা দেন। অত:পর গত দুই বছর পূর্বে করোনা কালিন সময় তিনি জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেন ।
কিন্তু তার দুই ছেলে তাকে কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেননি। এ কারনে তিনি তার ভাই-ভাতিজা এবং আত্নীয় স্বজনদের বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করতো এবং মানুষের আম বাগান, পুকুর পাড় ও বিভিন্ন ব্যক্তির ঘরের বারান্দা(বৈঠক খানায়) শুয়ে রাত কাটাতেন। সর্বশেষ শুক্রবার(১২-মে)সকালে ঐ গ্রামের জনৈক শহিদুল ইসলামের পুকুর পাড় থেকে আস্তুলের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় জনতা ও পুলিশ।
বাঘা থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) খাইরুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করেছি। এরপর রাজশাহী(সি.আই.ড)র ক্রাইম সিন বিশেষজ্ঞ টিম এসে লাশের রক্তমাখা দেহ থেকে বিভিন্ন যন্ত্রের সাহায়ে নমুনা সংগ্র করেছেন। এর আগে আমরা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে মৃত ব্যক্তির ছোট ছেলে ছনি(২১)এর ঘর তল্লাশী করলে তার হাতের কবজিতে রক্তের ফোটা এবং ব্যবহৃত সাট ও লুঙ্গীতে রক্তের নমুনা পায়। ফলে তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসি এবং লাশ ময়না তদন্তের জন্য রামেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করি।
৩ দিন ৪ ঘন্টা ২৭ মিনিট আগে
৪ দিন ৭ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৫ দিন ৩ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
১১ দিন ৯ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১৩ দিন ১০ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
১৩ দিন ১০ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
১৪ দিন ৫ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে