জামালপুরে দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার ০১ নং ডাংধরা ইউনিয়ন, বাঘারচরে সরকার পাড়া গ্রামে উঠতি বয়সি বখে যাওয়া কিছু কিশোর কর্তৃক গরুর ব্যবসায়ী ও তাঁর সহযোগীদের মারধোর করে নগদ অর্থ ও মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এমনই এক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ২৫/০৭/২০২৩ ইং তারিখ মঙ্গলবার সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, অভিযোগকারী বাঘারচর মধ্যপাড়া গ্রামের গরুর ব্যবসায়ী (বাদী) শরাবত আলী (৫৫), এবং ঘটনার সাক্ষীগণ রাজু মিয়া (৩৮), নুরুল ইসলাম (৪৪) ও আজাদ মিয়া (৩৫), গত ২৪/০৭/২০২৩ ইং (সোমবার) দিবাগত রাত আনুমানিক ১১:৩০ থেকে ১২:০০ ঘটিকায় পান্তামারী থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে পিয়ারাছড়া বিলের পাশে নির্জন কাঁচা রাস্তায় অবস্থাকালে বাঘারচর সরকার পাড়া গ্রামের (বিবাদীগন) সজিব(২১) পিতা: হাসেম আলী, মিসু মিয়া(২২) পিতা: আ: রশিদ, সুমন মিয়া(২০) পিতা: রকেট মিয়া, আশরাফুল ইসলাম(২২) পিতা: বাচ্চা গেল্লা, তানভীর(১৯) পিতা: আ: আলীম, সাদ্দাম হোসেন(২০) পিতা: একরামুল হোসেন, সহ একটি সংঘবদ্ধ দল লাঠিসোঁটা নিয়ে তাদের ওপর আক্রমণ করে। প্রচন্ড মারধোরের একপর্যায়ে ভুক্তভোগী ৪ জনের কাছে থাকা নগদ ১,১০,৪৫০/- (এক লক্ষ দশ হাজার চারশত পঞ্চাশ) টকা এবং ৩,৩০০/- (তিন হাজার তিনশত) টাকা মূল্যমানের দুটি ফিচার ফোন কেড়ে নিয়ে বিবাদীগণ দ্রুত পালিয়ে যায়। এলোপাতাড়ি মারধোরের ফলে সবাই কমবেশি নিলাফুলা জখম হন এবং একজনের হাতে মারাত্মক আঘাত লাগায় তিনি গুরুতর আহত হন।
বিষয়টি রাতেই স্থানীয় ইউপি সদস্যকে অবহিত করলে, ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি এবং পরদিন সকালে ঘটনার বিস্তারিত বিবাদীর অভিভাবকদের জানিয়ে এই বিষয়ে সমাধানের জন্য চাপ দেন। কিন্তু বিবাদীপক্ষ বিষয়টিতে গুরুত্ব না দেওয়ায় ভুক্তভোগীদের আইনের আশ্রয় নিতে পরামর্শ দেন ইউপি সদস্য। যার প্রেক্ষিতে ২৫/০৭/২০২৩ ইং তারিখে ভুক্তভোগী শরাবত আলী সানন্দবাড়ী পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে উপস্তিত হয়ে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।
স্থানীয়রা বলেন; বর্তমানে আমরা তাদের ভয়ে রাত-বিরেতে একা একা ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে চলাচল করছি কখন কি করে বসে বোঝা মুশকিল। কিছুদিনের ব্যবধানে এই এলাকায় এমনই কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে যাওয়ায় আমরা উদ্বিগ্ন, প্রথমে তাদের অভিভাবকদের এসব বিষয়ে জানালে এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় ভুক্তভোগীদের খোয়া যাওয়া অর্থ/সামগ্রী ফেরত দিতে নামমাত্র ব্যবস্থা নিতে দেখা গেছে, কিন্তু এখন সেটুকুও নাই আছে শুধুমাত্র বিচারের আশ্বাস!
তাঁরা আরও বলেন; রাত যত গভীর হয় তাদের আনাগোনা ও সংখ্যা বাড়তে থাকে, তারা বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে, নির্জন কোন রাস্তার পাশে দলবদ্ধ হয়ে অবস্থান করে; মেতে ওঠে আড্ডায়।তাদের আড্ডার বিষয়বস্তু আর সারা রাতের কর্মকাণ্ড হিসাবে লক্ষ্য করা যায় হাতে থাকা স্মার্টফোনে ভার্চ্যুয়াল পেমেন্টেবল গেইম, অনলাইন বেটিং/ জুয়া এবং মাদক সেবন। মূলত: মাদক ও অনলাইন জুয়ার টাকা সংগ্রহ করতেই তারা বেছে নিচ্ছে বিভিন্ন রকম অপরাধের পথ। প্রথমে নিজ বাড়ি, এরপরে প্রতিবশীর বাড়ি আস্তে-আস্তে এলাকায় সংঘবদ্ধ ছোটো-খাটো চুরির হাতেখড়ি থেকে শুরু করে বর্তমানে ছিনতাইয়ের মত বড় অপরাধ করতেও তারা দ্বিধা করছে না।
সানন্দবাড়ী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ জনাব, আ: রহিম বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে অভিযোগ প্রমান হলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৫০ দিন ১২ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
২৭৩ দিন ১০ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
২৭৮ দিন ১০ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে
২৮৬ দিন ১৭ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
২৯১ দিন ১৫ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৫৩১ দিন ২৩ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে
৫৩৪ দিন ১২ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৫৩৪ দিন ১৮ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে