দেশীয় ব্যান্ড সংগীতের যাদুকর, বিশ্বখ্যাত গিটারিস্ট এলআরবির প্রতিষ্ঠাতা আইয়ুব বাচ্চু চির চেনা রূপালি গিটার ফেলে চিরদিনের জন্য লাখো ভক্তদের কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে ৫ বছর পূর্বে চলে গেছেন। আজও ‘বস’ আইয়ুব বাচ্চু প্রাণবন্ত হয়ে আছেন ভক্তদের হৃদয়ে দেশীয় ব্যান্ড সংগীতের এই অগ্রপথিকের
অনন্তলোকে পাড়ি জমানোর দিনটি ১৮ অক্টোবর বিশেষভাবে স্মরণ হয়েছে।
বুধবার সন্ধ্যায় টাঙ্গাইলের মধুপুর প্রেসক্লাবে স্থানীয় ভক্তদের উদ্যোগে এমনি এক স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আইয়ুব বাচ্চুর বিদেহী আত্নার প্রতি গভীর শ্রদ্ধায় আয়োজন হয় দোয়া-মাহফিলের। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অনুষ্ঠিত স্মরণ সভায় অংশ নেন মধুপুর প্রেসক্লাবের সদস্য তথা গণমাধ্যমকর্মিসহ ভক্তগণ।
উত্তর টাঙ্গাইল সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ইত্তেফাক সাংবাদিক অধ্যাপক জয়নাল আবেদীন এতে সভাপতিত্ব করেন। মধুপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস.এম শহীদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভার কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন এশিয়ান টিভির প্রতিনিধি ও মধুপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আমিনুর রশীদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উপ প্রশাসনিক কর্মকর্তা জুবদিল খান, আজকের পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি আনোয়ার সাদাৎ ইমরান, মানব জমিন প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মামুন। এসময় উপস্থিত ছিলেন এসটি বাংলা টিভির মধুপুর প্রতিনিধি প্রভাষক লিয়াকত হোসেন জনী, গণকণ্ঠ পত্রিকার প্রতিনিধ প্রভাষক নাজিবুল বাশার, বাংলাদেশ বুলেটিনের আলকামা শিকদার, নয়াদিনের স্বাধীন আজম, সিমসাং বিশ্বাস ও গণমাধ্যম কর্মিসহ আইয়ুব বাচ্চুর ভক্তবৃন্দ। দোয়া পরিচালনা করেন মধুপুর উপজেলা পরিষদ মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মাও. মোয়াজ্জেম হোসেন।
কিংবদন্তির স্মরণ সভায় বক্তাগণ বলেন, আইয়ুব বাচ্চু ছিলেন একাধারে গিটারিস্ট,গীতিকার,সুরকার,সংগীত পরিচালক এবং গায়ক।
বাংলাদেশের ব্যান্ডসংগীতের অন্যতম শীর্ষ তারকা আইয়ুব বাচ্চু হয়ে উঠেছিলেন প্রতিভা আর কঠোর পরিশ্রমে। গিটার হাতে মঞ্চে গাইলে তার সাথে ভক্ত দর্শক কণ্ঠ মেলাতেন। ব্যান্ড সংগীত জগতে তার পরিচয় ছিল ‘বস’।মূলত রক ঘরানার গান করতেন।ব্যান্ড সংগীতের প্রতি তারণ্যের জোয়ারের ধারাধরে রেখেছিলেন আইয়ুব বাচ্চু।
তবে শুধু রক বা ব্যান্ডের গানে সীমাবদ্ধ ছিলেন না আইয়ুব বাচ্চু। আধুনিক গান, লোকগীতি, চলচ্চিত্রের গাম দিয়েও শ্রোতাদের মুগ্ধ করেছেন তিনি।
প্রতিনিধি :
নাজিবুল বাশার ও লিয়াকত হোসেন জনী