দিনাজপুর সদরে অপরাধীদের কাছে এক আতন্কের নাম দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃমতিউর রহমান। তার যোগদানের পর থেকেই দিনাজপুর সদরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুকুলে।
তিনি যোগদানের পর অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করায় অপরাধের মাত্রা কমতে শুরু করেছে।অন্ধকার জগতের মানুষের গোদে বিষ ফোঁড়া ওসি মতিউর রহমান।
৫আগষ্ট ছাত্র জনতার গনঅভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে অসংখ্য তরুন তাজা প্রানের আত্মহুতির মধ্যে দিয়ে দীর্ঘদিন রাজত্ব কায়েম করে রাখা জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসে থাকা আওয়ামী সরকারের পতনের পর পুলিশের অনুপস্থিতিতে সাড়া দেশের ন্যায় দিনাজপুরেও সক্রিয় হয়ে উঠেছিল মাদকচক্র বিভিন্ন অপরাধীদের নানা ধরনের অপরাধ কর্মকাণ্ড।এমনই এক নাজুক পরিস্থিতিতে দিনাজপুরে পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান পিপিএম (পদোন্নতি প্রাপ্ত ডিআইজি) যোগদানের পরেই নড়ে চড়ে বসতে শুরু করে অপরাধীরা ।তার সঠিক নির্দেশনায় নেয়া হয় অপরাধ ও মাদক নির্মূলের কার্যকরী পদক্ষেপ।আস্তে আস্তে আবারও বাড়তে থাকে পুলিশের প্রতি মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস ।এই মাত্রাকে আরো কয়েকজন বাড়িয়ে দিয়েছে গত ২২ অক্টোবর ২৪ দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় অফিসার ইনচার্জ হিসেবে মোঃ মতিউর রহমান যোগদানের পর থেকে।জনগনের সাথে সম্পৃক্ত থেকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দিনাজপুর সদরে অপরাধ নির্মূলে একের পর কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দিনাজপুর সদর বাসীর কাছে হয়েছেন ভূয়সী প্রশংসার দাবিদার ।যোগদানের পর ২২অক্টোবর থেকে ৩১ডিসেম্বর পর্যন্ত মাত্র ৩৮দিনে প্রভাবশালী বা যে কোন রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে রাজনৈতিক মামলায় ১১০জন,ওয়ারেন্ট তামিল(সাধারন)জিআর ১১৬জন ও সি আর ২১জন,ওয়ারেন্ট তামিল(সাজাপ্রাপ্ত) জি আর ২১জন ও সি আর ১২জনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হন।তিনি বিভিন্ন সময়ে গোপন ও প্রকাশ্য অভিযান চালিয়ে ২৯৬বোতল ভারতীয় আমদানি নিষিদ্ধ ফেন্সিডিল,২১৪৬পিচ ট্যাপেন্টাডল ,১০৪০গ্রাম গাঁজা,চোলাই মদ ৭৮৯লিটার,নেশা জাতীয় ইনজেকশন ৪৬পিচ এবং ইয়াবা ৯০পিচ।এছাড়াও তার যোগদানের পর থেকে ডাকাতি,চাঁদাবাজি ,খুন ,রাজনৈতিক সহিংসতা এবং রাজনৈতিক হত্যা ও জমি দখল দারিত্বের কোন ঘটনা ঘটেনি ।তবে নারী ও নির্যাতন দমন আইনে ৭টি,অপহরণর ১টি, চুরি ২টি এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে ২২টি মামলা রুজু হয়েছে ।যা অপরাধ হ্রাসের বাস্তবচিত্র
প্রতীয়মান হয়।দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃমতিউর রহমান বলেন মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।এছাড়াও তিনি আরো বলেন আমার দ্বার সাধারন ও নিপীড়িত মানুষের জন্য সব সময় উন্মুক্ত ।যেকোন পরিস্থিতিতে পুলিশি সেবাকে জনগনের দোড় গোঁড়ায় পৌছে দিতে সর্বদা তৎপর আমার পুলিশ সদস্যরা ।
গত ৫আগষ্টের পর পুলিশ যখন কর্ম বিমুখ ছিল তখন দিনাজপুর সদর বাসী হাড়ে হাড়ে উপলব্ধি করেছে পুলিশের প্রয়োজনীয়তা।পুলিশের কয়েকদিন অনুপস্থিতিতেই হাঁপিয়ে উঠেছিল মানুষ।দল বেঁধে পালাক্রমে রাত জেগে জেগে দোকান পাড়া মহল্লায় পাহাড়া দিয়েছে ।কিন্তু ঠেকাতে পারেনি অপরাধ কর্মকাণ্ড।শুধু রাতের আধারেই নয় ,প্রকাশ্য দিবালোকেয় অপরাধীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল। পুলিশ ছাড়া কি সাধারন মানুষ দিয়ে জীবন মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব?আবার পুলিশ যখন আস্তে আস্তে কর্মক্ষেত্রে ফিরতে শুরু করেছে মানুষ যেন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে শুরু করেছে ।মানুষ যখন বিপদে পড়ে তখনই উপলব্ধি করে পুলিশের আবশ্যকতা কতটা। এমনই সব নিজেদের অভিমত ব্যক্ত করেন একাধিক সচেতন ব্যক্তি বর্গ ।এছাড়াও তারা বলেন কিছুদিন পূর্বেও দিনাজপুর যেন খুন হামলা মামলা ও মাদকের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছিল।কিন্তু বর্তমানে ওসি মতিউর রহমান যোগদানের পর দিনাজপুর সদরে অপরাধের মাত্রা অনেকাংশেই হ্রাস পেয়েছে ।মানুষ দিন শেষে স্বস্তিতে ঘুমোতে পারছে।।
২ দিন ১৮ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
১৯ দিন ৪ ঘন্টা ৫ মিনিট আগে
৩৫ দিন ৯ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৩৭ দিন ৬ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
৩৮ দিন ৬ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৪৫ দিন ১০ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে
৫১ দিন ১৪ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
৫২ দিন ১২ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে