ধ্বংসের পথে নেত্রকোণার সোমেশ্বর পাঠকের রাজবাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে। নেত্রকোণার সুসং দুর্গাপুরের সোমেশ্বর পাঠকের রাজবাড়ি ধ্বংসের পথে। বাড়িটির কিছু অংশ রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। কালের আবর্তনে অনেক অংশ নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। আগামী প্রজন্মের কাছে এ রাজবাড়ির ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরতে সেগুলো সংস্কার ও সংরক্ষণের দাবি স্থানীয়দের।
নেত্রকোণার গারো পাহাড়ের পাদদেশের আদিবাসী অধ্যুষিত দূর্গাপুর। যা সুসং দুর্গাপুর নামে পরিচিত। এখানে রয়েছে সোমেশ্বর পাঠকের রাজবাড়ি। যা মজবুত দেয়াল ও পরিখা ঘেরা ছিল। বাড়িটির ছিল চারটি অংশ- বড় বাড়ি, মেজো বাড়ি, আবু বাড়ি ও দুই আনি বাড়ি। এখানে প্রাসাদের পাশাপাশি ছিল সৈনিকদের আবাস, বিচারালয়, অস্ত্রাগারসহ বিভিন্ন স্থাপনা।
বর্তমানে রাজবাড়ির বিভিন্ন অংশ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটে বাসভবন, ভূমি অফিস, সুসং ডিগ্রী কলেজসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এখনও অরক্ষিত রয়েছে বিভিন্ন জায়গা।
সংস্কার ও সংরক্ষণের অভাবে ঐতিহাসিক রাজবাড়িটি এখন ধ্বংসের পথে।
নেত্রকোণার দূর্গাপুরের আইনজীবী মানেশ চন্দ্র সাহা বলেন, ‘আমাদের এই রাজাদের যেসব স্থাপনা এখনও টিকে আছে এগুলো সংরক্ষণ করা জরুরি। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম রাজাদের সম্পর্কে কিছুই জানবে না।’
দূর্গাপুর মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ফারুখ আহমেদ তালুকদার, রাজাদের ইতিহাস, তাঁদের স্মৃতি ধরে রাখা দরকার। এ জাদুঘর, স্মৃতিস্তম্ভ করা যেতে পারে।
রাজবাড়ির ইতিহাস-ঐতিহ্য রক্ষায় এরই মাঝে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
নেত্রকোণার দূর্গাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব-উল-আহসান বলেন, ‘ইতিমধ্যে এটি সংরক্ষণে কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে এটি সংরক্ষণে আরও জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
আগামী প্রজন্মের সামনে সুসং রাজাদের বর্ণাঢ্য জীবন যাত্রা তুলে ধরতে রাজবাড়িটি সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
৭ দিন ৬ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
২৫ দিন ৩ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৩০ দিন ১১ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে
৩২ দিন ১৫ ঘন্টা ৮ মিনিট আগে
৪৮ দিন ৭ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
৪৮ দিন ৮ ঘন্টা ১০ মিনিট আগে
৬৬ দিন ১০ ঘন্টা ৪৭ মিনিট আগে
১০০ দিন ১৪ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে