নাগেশ্বরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ২ বাস কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডোমারে 'সবার পাঠশালা'-এর শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে সংলাপ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেবা বন্ধ নেই ঈদেও ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ মধুপুরে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিউটি পার্লারের নামে অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শ্রীমঙ্গলে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক এবং বর্তমান জনশক্তিদের নিয়ে ঈদ পুণর্মিলনী পূর্ব সোনার পাড়া আদর্শ সামাজিক সংঘ এর আলোচনা সভা ও ঈদ পূণর্মিলনী সম্পন্ন। শার্শার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃবৃন্দের ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় কুলিয়ারচরে ফরিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয় উদ্ভোধন কুলিয়ারচরে স্মারক জয়ন্তী ও ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ঈদের ছুটিতে ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশ পর্যটন কেন্দ্রে দর্শনার্থীদের আগমন জমজমাট লালপুরে স্ত্রী সন্তানের ওপর রাগ করে নিজের বাড়িতে আগুন

একটি ভোটও পাননি আওয়ামী লীগ নেতা হানিফ উদ্দিন

জামালপুর জেলা পরিষদের সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ নেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা মো. হানিফ উদ্দিন। নির্বাচনে তার প্রতীক ছিল তালা। সোমবার (১৭ অক্টোবর) জেলার ইসলামপুরে ফরিদুল হক খান দুলাল অডিটোরিয়ামের পৃথক দুইটি বুথে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। ১৬৯ ভোটারে মধ্যে মাত্র ২জন ভোটার ছাড়া সবাই ভোট প্রদান করেছেন।  তবে, ভোট গণনার পর ঘোষিত ফলে দেখা যায়, একটি ভোটও পাননি হানিফ উদ্দিন।  এ নিয়ে চলছে আলোচনার ঝড়। সবার প্রশ্ন, তবে কি ইউনিয়নের হানিফ উদ্দিনের নিজের ওয়ার্ডের মেম্বারও ভোট দেননি তাঁকে। তবে ভোট পুনরায় গণনার দাবি, প্রার্থী হানিফ উদ্দিনের।

হানিফ উদ্দিনসহ জেলা পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ড ইসলামপুর উপজেলায় সদস্য পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৭ প্রার্থী। 

হানিফ উদ্দিন ইসলামপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাসিন্দা। তিনি এর আগে ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে দুইবার পরাজিত বরণ করেন।

হানিফ উদ্দিনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মজিবুর রহমান শাজাহন অটোরিকশা প্রতীকে ৬৩ ভোট পেয়ে বিজয় হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. আব্দুর রাজ্জাক সরদার টিউবওয়েল প্রতীকে ৪৮ ভোট 

ওয়ারেজ আলী বৈদ্যুতিক পাকা প্রতীকে ৩৩ ভোট, জিয়াউল উটপাখি প্রতীকে ১ ভোট, আব্দুর রাজ্জাক মণ্ডল হাতি প্রতীকে ২৩ ভোট এবং ফারুক ইকবাল হিরু ক্রিকেট ব্যাট প্রতীকে ১ ভোট পান। 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রতীক পাওয়ার পর বিজয়ী হতে কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে প্রচারণাও চালান হানিফ উদ্দিন। অন্য প্রার্থীদের মতো দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত চলে প্রতীক ও প্রার্থীর প্রচারণা। পোস্টার লাগানো হয় ওয়ার্ডের সর্বত্রই। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোট প্রার্থনা করেন তিনি। সোমবার ভোট গণনা করে দেখা যায়, হানিফ উদ্দিন একটি ভোটও পাননি।

তাহলে তিনি, তাঁর আত্মীয়-স্বজন, শুভাকাঙ্ক্ষী, কর্মী-সমর্থক কেউই কি তাকে ভোট দেয়নি। এ নিয়ে বিস্তর আলোচনার সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে- প্রার্থীর নিজ ইউপির ওয়ার্ডে মেম্বারের ভোটটি গেলো কোথায়?

প্রার্থী হানিফ উদ্দিন বলেন, 'একটি ভোটও না পাওয়ায় আমি মর্মাহত। অপ্রত্যাশিত এ ফলাফল শোনার পর আমি মানসিকভাবে দুর্বল হয়ে গেছি। লজ্জায় বাইরে যেতে মন চায় না। নিজেকে বুঝাতে পারছি না।'

তিনি আরও বলেন, যদি কর্মী-সমর্থকরা আমাকে ধোঁকা দেয় তার পরও আমাকে আত্মীয়-স্বজনরা ভোট দিলে কমপক্ষে ২৫-২০টি ভোট পাওয়ার কথা। সেখানে শূন্য ভোট হয় কীভাবে। আমি এটা মেনে নিতে পাছি না। আমি ভোট পুনর্গণনার দাবি করেছি।'

উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুক্তার হোসেন জানান, 'আমরা ভোট পুনর্গণনার বিষয়ে কোনো আবেদন পায়নি।'

আরও খবর