বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ ড. ছামিউল হক ফারুকী বলেছেন, 'বিচারের নামে রাজনৈতিক দলের অগণত নেতাকে ফাঁসি দিয়েছে স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকার।
দীর্ঘ ২০ বছর জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন বিরোধী দল ও মতের নেতা-কর্মীরা স্বৈরাচারী সরকারের জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। আমাদের আমীর মাওলানা মতিউর রহমান নিজমী, সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, মুহাম্মদ কামারুজ্জামান, মীর কাশেম আলী, আব্দুল কাদের মোল্লা, বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীকে কথিত যুদ্ধাপরাধী ট্যাগ দিয়ে স্বৈরাচার সরকারের মদদপুষ্ট আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।
আজ শনিবার (১০ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় জামালপুরের ইসলামপুর থানা মোড় বটতলা চত্বরে গণ-সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
জামায়াতের কর্ম-পরিষদ সদস্য সদ্য কারামুক্ত ড. ছামিউল হক ফারুকী আরও বলেছেন, 'আমাদের প্রাণপ্রিয় নেতা আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মুফাসিরে কোরআন আল্লামা দেলোয়ার হোসেন সাঈদীকে দীর্ঘদিন জেলে বন্দী রেখে চিকিৎসার নামে হত্যা করা হয়েছে। এতে এদেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। আমরা সেইসব ভুলে গেছি। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোনো প্রতিহিংসা এবং প্রতিশোধের রাজনীতি করে না। তাই কোনো প্রতিশোধ নয়, প্রতিহিংসা নয়, সকলকে সাথে নিয়ে আগামীতে কল্যাণকর বাংলাদেশ গঠনে সবার সহযোগিতা কাম্য।
জামায়াত নেতা ড. ছামিউল হক ফারুকী বলেন, 'ছাত্র-জনতা স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারকে পতন করেছে। আমরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানাই। আমাদের দলের নেতা-কর্মীরা মন্দির পাহারা দিচ্ছে। ছাত্রদের সঙ্গে ছাত্র শিবিরের নেতা-কর্মীরাও দেশ সংস্কারে কাজ করে যাচ্ছে।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে অনুষ্ঠিত
গণ-সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জামায়াত নেতা অধ্যক্ষ ড. ছামিউল হক ফারুকীকে সংবর্ধনা দেয় দলটির নেতা-কর্মী।
উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা লিয়াকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গণ-সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন, জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত আমীর অধ্যাপক খলিলুর রহমান, সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল আউয়াল, টিম সদস্য নাজমুল হাসান এবং উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আমজাদ হোসেন।
অন্যানের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি রাশেদুজ্জামান, যুব বিভাগের প্রধান ডাক্তার মো. শাহ জালাল, পৌর জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবু মুসা এবং উপজেলা ছাত্র শিবিরের সভাপতি আহসানুল্লাহ।
উল্লেখ্য, ২০ বছর পর জামায়াতে ইসলামী এবারই প্রথমবারের মতো প্রকাশ্যে ইসলামপুর পৌর শহরে কেন্দ্রীয় নেতাদের কোনো নেতাকে গণ-সংবর্ধনা দিলেন এখানকার জামায়াত নেতারা। শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠন করার পর ইসলামপুরে প্রকাশ্যে জামায়াতে ইসলামীকে প্রকাশ্যে গণ-সংবর্ধনা কিংবা বড় কোনো সভার আয়োজন করতে দেয়নি।
২২ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
৫ দিন ৪ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
১০ দিন ২০ মিনিট আগে
১২ দিন ২২ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
১৩ দিন ২৩ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
১৪ দিন ৯ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১৪ দিন ৯ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
১৭ দিন ১২ ঘন্টা ৫০ মিনিট আগে