আগামী দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে সামনে রেখে চাঁদপুর১ (কচুয়া) আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন ৩ হেভিওয়েট প্রার্থী। তারা হচ্ছেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীর এমপি,বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক এবং আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহার কমিটির সদস্য সচিব ড. সেলিম মাহমুদ এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান ও সচিব আওয়ামী লীগ নেতা আলহাজ্ব মোঃ গোলাম হোসেন।
১৮ ই নভেম্বর শনিবার তারা আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন।বর্তমান সাংসদ ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর চাঁদপুর -১ কচুয়া আসনে ২০১৮ সালে তৃতীয় বারের মত সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে কচুয়াতে ব্যাপক উন্নয়ন করেন ।
ফলে সমগ্র কচুয়ার জনগনের কাছে তিনি আধুনিক কচুয়ার রুপকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি কচুয়ায় একটি প্রথম শ্রেণির পৌরসভা প্রতিষ্ঠা করে পৌরবাসীর জন্য গ্যাস সংযোগ দিয়েছেন। কচুয়ার ২শত ৪৩টি গ্রাম থেকে উপজেলায় আসা যাওয়ার পাকা সড়ক করে দিয়েছেন। আজকের কচুয়ায় সকল উন্নয়ন ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর এমপির মাধ্যমেই হয়েছে।সাধারন জনগনের প্রত্যাশা এবারও তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে কচুয়াকে স্মার্ট কচুয়ায় রুপান্তরিত করবেন। তিনি দলের দু:সময়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য,উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।
ড.মহীউদ্দীন খান আলমগীর জনতার মঞ্চের মাধ্যমে ৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত করার জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তিনি পার্বত্য শান্তি চুক্তির প্রবক্তা। তাছাড়া তিনি ৯৬ সালে পরিকল্পনা,বিমান ও পর্যটন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠনের পর তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
এদিকে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ড. সেলিম মাহমুদও কচুয়ায় বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সক্রিয় আছেন। এছাড়াও আরেক মনোনয়ন প্রার্থী আলহাজ্ব মোঃ গোলাম হোসেন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের যৌথ মনোনয়ন প্রাপ্ত হয়েছিলেন। জনপ্রিয়তার দিক দিয়ে তিনিও কম নয়। ৩ হেভিওয়েট প্রার্থীই দলীয় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। নেতাকর্মীদের নিয়ে নিজেদের মতো করে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কর্মকাণ্ড প্রান্তীক জনগনের নিকট তুলে ধরে নৌকার বিজয়ের জন্য কাজ করছেন।
তৃণমূলের নেতাকর্মী ও সাধারণ আমজনতারা এখন ভাবছেন কে হবে শেষ পর্যন্ত আওয়ামী লীগের নৌকার মাঝি। এসব নিয়েও চলছে এখন সকলের মাঝে জল্পনা কল্পনা। ৩ প্রার্থী ই আশাবাদী তারা নৌকা প্রতীক পেয়ে নির্বাচনে অংশ গ্রহন করবেন। এখন দেখার পালা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাকে যোগ্য মনে করেন এবং কার হাতে নৌকা প্রতীক তুলে দেন।
কচুয়ায় ১২ টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ভোটার ৩ লক্ষ ২৫হাজার ৭শত ৬৯,পুরুষ ১,৬৯,৩৩১,মহিলা ১,৫৬,৪২৭জন।
১০ দিন ১২ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
১০ দিন ১৭ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
২৪ দিন ৬ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৩৩ দিন ৫ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
৬৯ দিন ২০ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
৭২ দিন ১৭ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
৭৬ দিন ১১ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে