লালপুর মসজিদের ডিজিটাল সাইনবোর্ডে জয় বাংলা স্লোগান লেখা ফুচকা খেয়ে অভয়নগরে ২১৩ জন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ঈদের ছুটিতে সুন্দরবনে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূতসহ দেশী-বিদেশী পর্যটকের ভিড় কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকতে ভ্রমণ পিপাসু মানুষের ঈদ আনন্দ-উচ্ছাস উখিয়ায় মাদক কারবারি ইমাম হোসেন আটক শিক্ষার্থী ও দুরারোগ্য আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহায়তা প্রদান চৌদ্দগ্রামে তারেক রহমানের ঈদ উপহার পেলে শহীদ আইয়ুবের পরিবার সাতক্ষীরায় পাটকেলঘাটায় আলামিন ফাজিল মাদ্রাসার ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত মাগুরায় গার্মেন্টস মালিকের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট, হুমকির মুখে গার্মেন্টস প্রতিষ্ঠান টাঙ্গাইলের মধুপুরে মহিলাদের ঈদ পুনর্মিলনী সভায় বক্তব্য দেন জিয়া ফাউন্ডেশনের পরিচালক এডভোকেট মোহাম্মদ আলী নবগঠিত এডহক কমিটির সংবর্ধনা ও অভিষেক অনুষ্ঠিত মধুপুরে মহিলাদের ঈদ পুনর্মিলনী করছেন বিএনপি'র মনোনয়ন প্রত্যাশী এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী পাবলিক ইউনিভার্সিটি স্টুডেন্ট এসোসিয়েশন সেনবাগ এর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত অনৈতিকভাবে লিজের অভিযোগ রেলওয়ে কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে যারা গুপ্ত রাজনীতি করে তাদের জন্য শুভকামনা নেই, ছাত্রদল সভাপতি আক্কেলপুর মেলায় পুতুল নাচের নামে অশ্লীলতা গুডিয়ে দিল উপজেলা প্রশাসন. লালপুরে শিবিরের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত। ব্যাংক বন্ধ হবে না, ঘুরে দাঁড়াতে না পারলে একীভূতকরণ: গভর্নর সীমান্তে পাকিস্তান ও ভারতীয় সেনাদের গোলাগুলি, উত্তেজনা জনগণের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলাবাহিনী নির্ঘুম থেকে কাজ করছে’

ক্ষেতলালে ক্যাপসিকাম চাষে সফল কৃষক আব্দুর রশিদ

মামুনুর রশীদ পান্না, জয়পুরহাট : জয়পুরহাটের ক্ষেতলালে ডাব বিক্রেতা থেকে ক্যাপসিকাম চাষে সফল কৃষক আব্দুর রশিদ (৪৫)। রশিদ উপজেলার মাহমদপুর ইউনিয়নের ধনতলা রসুলপুর গ্রামের গহের আকন্দের ছেলে। তিনি ১ একর জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ করে এক বছরে আয় করেছে আট থেকে দশ লক্ষ টাকা। সরেজমিনে দেখা গেছে, জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলার মামুদপুর ইউনিয়নের প্রত্যন্ত গ্রাম ধনতলা রসুলপুর। সেখানে স্ত্রী পুত্রকে নিয়ে অন্যের বাড়ীতে দিনমজুরের কাজ করে সংসার চালাতেন আব্দুর রশিদ। দারিদ্রতা ঘোচাতে রাজধানী ঢাকার কারওয়ান বাজারে গিয়ে মহাজনের নিকট থেকে ধারে অল্প কমিশনে ফুটপাতে ডাব বিক্রির ব্যবসা শুরু করেন। সে আয় দিয়ে পরিবার চালাতে হিমশিম খেতেন রশিদ। নিজে কিছু করার ভাবনা তাকে তারা করত। সেই চিন্তা চেতনা থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইউটিউবে ভিডিও দেখে ক্যাপসিকাম চাষে উদ্বুদ্ধ হন। গতবছর গ্রামে ফিরে অন্যের ২০ শতাংশ জমি বর্গা নিয়ে নিজ উদ্যোগে পরীক্ষামূলক ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করেন। শুরুতেই সম্ভাবনাময় এ সবজি চাষে লাভের মুখ দেখেন তিনি। চলতি মৌসুমে আবারও তিনি এক একর জমি বর্গা নিয়ে বানিজ্যিকভাবে ক্যাপসিক্যাম চাষ করে প্রায় আট লক্ষ টাকা আয়ের আশা করছেন। ক্যাপসিক্যাম চাষী আব্দুর রশীদ জানায়, আমাদের এলাকায় অপ্রচলিত এই সবজি ক্যাপসিকাম চাষের জন্য গত নভেম্বর মাসে এক লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে এক একর জমি বর্গা নিয়েছি। ওই জমিতে ক্যাপসিকাম চাষের সিদ্ধান্ত নিয়ে উপজেলা কৃষি অফিসের সাথে যোগাযোগ করি। তাদের পরামর্শে বগুড়ার একটি চারা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এগ্রো ওয়ান নামে একটি নার্সারী থেকে প্রতিটি চারা সাত টাকা মুল্যে ষোলো হাজার চারা গাছ সংগ্রহ করি। চাষের শুরু থেকে রাসায়নিক সার, জৈব সার কিটনাশক, চারা ও লেবার খরচসহ এখন পর্যন্ত প্রায় আড়াই থেকে তিন লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে। নভেম্বর মাসে এচারা রোপন করেছি। দুই মাস পরির্চযার পর জানুয়ারীতে ফল সংগ্রহ শুরু হয়। পনের দিন পরপর দু'বার ফল তুলে প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্যাপসিক্যাম বিক্রি করা হয়েছে। বর্তমান বগুড়া শহরে পাইকারী বাজারে ৩২ থেকে ৩৫ শ টাকা মন বিক্রি হচ্ছে। এখনও যে পরিমাণ ফল গাছে রয়েছে তাতে আরও ছয় থেকে আট লক্ষাধিক টাকা বিক্রির আশা করছি। তিনি আরোও বলেন, জয়পুরহাটের স্থানীয় বাজারে এই সবব্জির আশানুরূপ চাহিদা না থাকায় বাজারজাত করতে ঢাকা ও বগুড়া পাইকারী বাজারে বিক্রি করতে যেতে হয়। এতে অতিরিক্ত পরিবহন খরচ, শ্রম ও অর্থ ব্যয় হচ্ছে। পুষ্টিকর এই সবব্জি ক্যাপসিকাম এ এলাকায় এককভাবে চাষ করার কারনে শহরের পাইকারদের চাহিদা মতো মাল দিতে পারিনা। সেকারনে তারা এখানে কিনতে আসেনা। স্থানীয় কৃষক কালাম ফকির জানান, প্রথমবার ক্যাপসিকাম চাষ করে ব্যাপক লাভবান হয়েছেন আব্দুর রশিদ। রমজান মাসে বাজারজাত করতে পারলে আরোও বেশি লাভবান হতেন। আগামী বছর আব্দুর রহিমের পাশাপাশি অনেক কৃষক ক্যাপসিকাম চাষের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এগ্রোয়ানের নার্সারির মালিক সাইম জানান, ক্ষেতলাল উপজেলার কৃষক আব্দুর রশিদ টাইগার জাতের ক্যাপসিকাম চাষ করেছেন। ওই জাতের ক্যাপসিকামের এক কেজি বীজের দাম আড়াই থেকে ৩ লাখ টাকা। এতে কৃষকের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। তবে তাদের উৎপাদিত টাইগার ক্যাপসিকাম জাতের বীজের দাম মাত্র ৩০ হাজার টাকা। এতে কৃষকের উৎপাদন খরচ অনেক কম হবে। এ ছাড়াও টাইগার ক্যাপসিকাম- এর থেকে আবার আগামীতে চাষের জন্য বীজ সংগ্রহ করা যায়। তাই এ জাতের ক্যাপসিকাম চাষে কৃষক লাভবান হবে। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান বলেন, এলাকার বেশিরভাগ কৃষক ধান ও আলু চাষে অভ্যস্থ। কৃষক আব্দুর রশিদের মত অন্যান্য কৃষকরা ক্যাপসিক্যাম চাষে আগ্রহী হলে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করবো এবং ধান ও আলুর বাহিরে এ জাতীয় ফসল চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে আমরা কাজ করছি। তিনি জানান, এ বছর তিনি ১ একর জমিতে বাণিজ্যিকভাবে টাইগার ক্যাপসিকাম-চাষ করেছেন। এজাতে রোগ ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ তেমন না হওয়ায় ব্যাপক ফলন হয়েছে। বর্তমানে বাজার দাম কম। দাম ভালো হলে ৬-৮ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবেন।
Tag
আরও খবর

জামিন না হওয়ায় কারাগারে দুই আ'লীগ নেতা

৮ দিন ১৪ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে







ক্ষেতলালে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু

২৬ দিন ১২ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে