খুলনা জেলা প্রতিনিধিঃ
খুলনা জেলার কয়রা থানার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের গিলাবাড়ী গ্রামের মোঃ আঃ রশিদ সরদার নামের এক কৃষকের প্রায় ৩ বিঘা জমির ধান কেটে নিয়ে গেছে প্রতিপক্ষরা।
গত বৃহস্পতিবার ( ১৫ ডিসেম্বর) ভোর রাতের এ ঘটনা ঘটেছে বলে ভুক্তভোগী কৃষক মোঃ রশিদ সরদার জানান। এর আগে ভুক্তভোগী কৃষক গত ইং ১৩/১০/২০২২ তারিখে কয়রা থানায় আছাদুল গংদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন৷ অভিযোগে উল্লেখ করেন বিবাদীরা তার রোপন করা ধান কেটে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।
অভিযোগ ও ভুক্তভোগী সুত্রে জানা যায়, ১৯৫৬ সালের জুন মাসের ৮ তারিখে আমার মা কাজলী বিবি ও ভানু বিবি কোদাই গাজীর নিকট হতে কবলায় জমি খরিদ করেন। যাহার সিএস খতিয়ান নম্বর -৪১,এসএ খতিয়ান নম্বর-৯৫। সর্বশেষ জরিপে ও তাহাদের নামে রেকর্ড হয়েছে, যাহার খতিয়ান নম্বর ১৭৭৮ ডিপি ৭০৮। তারা খাজনা দাখিলা ও পরিশোধ করেন। ওই দলিলে দাগ নম্বর ভুলক্রমে লিপিবদ্ধ হলে কাজলী বিবি ও ভানু বিবি দাগ সংশোধনের জন্য খুলনা সাব জজ-৪ আদালতে মামলা করেন যাহার নম্বর দেওয়ানী-৩৭১/৭৮ এবং উক্ত মামলায় দাগ সংশোধিত হয়। কাজলী বিবি ও ভানু বিবি পরবর্তীতে মিউটেশন করে আলাদা খতিয়ান করে যাহার নম্বর এসএ-৯৫/১। তিনি আরো জানান কোদাই গাজীর নাতি আছাদুল কাজলী বিবি ও ভানু বিবির দলিলের বিরুদ্ধে মামলা করে যাহার নম্বর দেওয়ানী-১৬৭/১৭, আছাদুল নিশ্চিত মামলাটি হেরে যাবে এটা বুঝতে পেরে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়। বিষয়টি জানতে পেরে ভুক্তভোগী অর্থাৎ কাজলী বিবি ও ভানু বিবির ওয়ারেশ আব্দুর রশিদ সরদার কয়রার সিনিয়র সহকারী জজ আদালতে চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য একটা মামলা করে যাহার নম্বর দেওয়ানী-২০৪/২২, উক্ত মামলায় আছাদুল গংদের বিরুদ্ধে ১৫ দিনের মধ্যে কারন দর্শানোর নোটিশ করে ও ২৫/৮/২২ তারিখে প্রাপ্ত হইয়াও আছাদুল ও জাহান আলী গংরা ৫/৯/২২ তারিখ রাতের আধারে জমি দখল করে ভুক্তভোগীর চাষকৃত জমিতে ধান রোপন করে।
পরবর্তীতে গত ২৬/১০/২২ ইং বিজ্ঞ সিনিয়র সহকারী জজ আদালত এক নিষেধাজ্ঞার আদেশ দেন, উক্ত আদেশে উল্লেখ করেন,বিবাদীগনকে নালিশী সম্পত্তিতে প্রবেশাধিকার অত্র নিষেধাজ্ঞার আদেশ দ্বারা বারিত করা হলো। আদালতের আদেশ মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য অফিসার ইনচার্জ কয়রা থানা,খুললাকে নির্দেশ প্রদান করা হলো।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে গত ইং ১৫/১২/২০২২ ভোররাতে যখন তার রোপন করা ধান কাটতে যান, বিষয়টি জানতে পেরে তিনি উপস্থিত হলে, তাকে বেধে রেখে জোরপূর্বক ধান কেটে নিয়ে যান।
জমির ধান কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে বিবাদী মোঃ আছাদুল ইসলাম বলেন, ‘আমার জমির ধান আমি কেটে নিয়েছি।’ তিনি আরো জানান উক্ত নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আমরা খুলনা জেলা জজ আদালতে একটা আপীল করি, আপীল নং মিস-৯৯/২২। এ ব্যাপারে কয়রা থানার অফিসার ইনাচর্জ (ওসি) এবিএমএস দোহার মুঠোফোনে কল দিলে তাকে পাওয়া যায়নি।
১২ দিন ২ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
১৩ দিন ১ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৫২ দিন ১১ ঘন্টা ১৪ মিনিট আগে
৬৮ দিন ৯ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৮৫ দিন ১৩ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৮৮ দিন ৮ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
১২৯ দিন ৫ ঘন্টা ৩৫ মিনিট আগে
১৩৪ দিন ৮ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে