কুষ্টিয়ার কুমারখালী এমএন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৪৩ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর গনিত পরীক্ষায় ক্যালকুলেটর কেড়ে নেওয়ায় কুমারখালী সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার মোদক এর বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা।
বুধবার সকালে এমএন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সম্মুখে এই মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
ভুক্তভোগী এমএন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞান শাখার নিলয়, রুদ্র, দ্বীপ, সানি, অরিন ও সাফাত সহ একাধিক শিক্ষার্থী জানান, গত ৯ মে গনিত পরীক্ষার শুরুতেই কুমারখালী সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক (কেন্দ্র সচিব) সন্তোষ কুমার মোদক তাদের ১৪৩ জন শিক্ষার্থী সকলের নিকট থেকে ক্যালকুলেটর কেড়ে নেবার নির্দেশ দেন। তারা অনেক ভাবে অনুরোধ করলেও পরীক্ষা শেষ হবার আগ পর্যন্ত ক্যালকুলেটর ফেরত দেওয়া হয়নি। এতে সকলের গনিত পরীক্ষা খারাপ হয়েছে। প্রধান শিক্ষক হিংসার বশবর্তী হয়ে এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাদের সাথে এমন আচরণ করেছেন বলে তারা দাবী করেন। যেকারণে তারা ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার মোদক এর বিচার দাবীতে মানববন্ধন করেছে।
এনএন পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফিরোজ মো. বাশার জানান, কুমারখালী এনএন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রতিবছর এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে উল্লেখযোগ্য রেজাল্ট করে শিক্ষার্থীরা। গনিত পরীক্ষায় বোর্ড অনুমোদিত ক্যালকুলেটর ছিলো তার বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে। কিন্তু সম্পূর্ণভাবে অন্যায়ভাবে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার মোদক তার প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে ক্যালকুলেটর কেড়ে নিয়েছে। এবছর এমএন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা অনেক বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হবে বলে জানান তিনি।
কুমারখালী সরকারি বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার মোদক জানান, শিক্ষা বোর্ড থেকে কোন ধরনের ক্যালকুলেটর ব্যবহারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এটা তার জানা ছিলোনা। ভুলবশতঃ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন । তবে শিক্ষার্থীদের পরে ক্যালকুলেটর ফেরত দেওয়া হয়েছিলো বলে জানান তিনি।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এজাজ কায়সার জানান, এটা অনেক বড় ধরনের অন্যায় হয়েছে। পরীক্ষা কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডলকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিতান কুমার মন্ডল জানান, সাইন্টিফিক কিছু ক্যালকুলেটর ব্যবহার করা নিষেধ রয়েছে পরীক্ষা কেন্দ্রে। কিন্তু না জেনে সব ধরনের ক্যালকুলেটর কেড়ে নেবার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বিষয়টি নিয়ে তদন্তটিম কাজ করছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
৩২২ দিন ১১ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
৩৩৯ দিন ৪ ঘন্টা ২৬ মিনিট আগে
৩৬৪ দিন ৮ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
৩৭২ দিন ১২ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে
৩৭৬ দিন ৯ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
৩৭৯ দিন ৩ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
৪০০ দিন ১২ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
৪১৫ দিন ১২ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে