স্বাস্থ্য সহকারীর বিরুদ্ধে অপকর্ম, ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন
রিপন মজুমদার জেলা প্রতিনিধি নোয়াখালী:
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ হাসপাতালের এক ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সহকারীর হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে কাজে অনুপস্থিত, ই, পি, আই টিকা, পরিচ্ছন্ন কর্মীর নিয়োগ, স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগকৃতদের সার্ভিস বুক চালুর নামে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনার কাগজপত্র সঠিক পাওয়ায় বিভাগীয় পরিচালক তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে।
জানা যায়, বেগমগঞ্জ উপজেলার শরীফপুর ইউনিয়নে দায়িত্বপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য সহকারী হুমায়ুন কবির মিলনের বিরুদ্ধে ই,পি,আই টিকা দেওয়ার নামে শিশুদের অভিভাবক থেকে টাকা আদায়, পরিচ্ছন্ন কর্মী নিয়োগের নামে কতিপয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তার প্রতিনিধি ও স্বয়ং ৩৪ জন স্বাস্থ্য সহকারীর নিয়োগ প্রাপ্তদের থেকে সার্ভিস বুক চালু করতে ৪০ হাজার টাকা থেকে ১লক্ষ টাকা পর্যন্ত আদায় করেন।এছাড়া কর্মস্থলে উপস্থিত না থেকে আস্থাভাজনকে দিয়ে টিকা কার্যক্রম পরিচালনা করে নিজে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনে নানা রকম অপকর্মে লিপ্ত থাকে। ঐ স্বাস্থ্য সহকারী পরিচ্ছন্ন কর্মী ও সার্ভিস বুকে চালুর নামে টাকা, এবং ইপিআই টিকা দেওয়ার সময় কাজে অনুপস্থিত থেকে অভিবাবক থেকে যে টাকা আদায় করেছে বিষয়টি ধরা পড়ায় টি এইচ ও হাছান খায়ের চৌধুরীর মাধ্যমে কিছু কিছু টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হয়। অবশিষ্ট টাকা ফেরৎ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও অদ্যবদি ফেরৎ দেওয়া হয় নি।
পরিচ্ছন্ন ভুক্তভোগী ফয়েজ আহম্মদ বলেন, আমার নিকট ৮০ হাজার টাকা দাবি করার পর আমি ৪০ হাজার টাকা হুমায়ুন কবির মিলন ও ঠিকাদারের সহকারী রিয়াজ আহম্মদের নিকট প্রদান করি। এরপর আমাকে বেগমগঞ্জে কাজ দেওয়ার কথা বলে আমাকে সেনবাগ স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠায়। কারন জানতে চাইলে আমাকে বলে ১০ দিন সেনবাগ কাজ কর এরপর বেগমগঞ্জে নিয়ে আসব। কিন্তু ৩ মাস ধরে চাকরি করার পরও কোন সাড়া শব্দ দেয়নি। উল্টো হুমকি দেয় যে বাড়াবাড়ি করলে চাকরিও যাবে শারিরীক ভাবে পেটানো হবে।
বেগমগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা হাছান খায়ের চৌধুরী বলেন, স্বাস্থ্য সহকারী হুমায়ুন কবির মিলনের বিরুদ্ধে ডিডি মহোদয় চিঠির মাধ্যমে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করে আগামী ৩ কর্ম দিবসের মধ্যে প্রতিবেদনের জন্য নির্দেশ দেন। সেমতে ভুক্তভোগীদেরকে তদন্ত কমিটির সামনে ডাকা হয়। অনেকের জবান বন্দি শুনে হতাশ হয়ে পড়ি। কারন উক্ত স্বাস্থ্য কর্মীর এতটা অপরাধের সাথে জড়িত আগে জানিনি। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন আকারে নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ও ডিডি মহোদয়ের নিকট পাঠানো-হবে। সেমতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যে ব্যবস্থা নিবে সে অনুযায়ী কাজ করবে।
১ দিন ১২ ঘন্টা ৪২ মিনিট আগে
১ দিন ১২ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৪ দিন ২ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
৮ দিন ৫ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে
৮ দিন ৫ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
১১ দিন ৩ ঘন্টা ৩৪ মিনিট আগে
১১ দিন ৪ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
১১ দিন ৫ ঘন্টা ৩ মিনিট আগে