কক্সবাজারের সাবেক এমপি সাইমুম সরওয়ার কমলের ছত্রছায়ায় বেপরোয়া হয়ে ওঠা অলি আহমেদ এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে।
গত ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর ৬ আগস্ট অলি আহমেদকে তার সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে মহড়া দেয়ার দৃশ্য ভাইরাল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
সেখানে অলি আহমেদ ও তার সন্ত্রাসী বাহিনী দেশীয় অস্ত্রসহ হামলা করতে দেখা যায়। ভাঙারি ব্যবসায় জড়িত অলি আহমেদ, রাজনীতিতে জড়িয়ে প্রভাবশালী হয়ে ওঠেন রামুতে গড়ে তোলেন নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনী।
অলি আহমদ নামা:
কে এই অলি আহমেদ? জানা গেছে রামু উপজেলায় সেচ্ছাসেবক লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন ত অলি আহমেদ। সাবেক হুইপ সাইমুম সরওয়ার কমলের ছাত্রছায়ার বিগত সংসদ নির্বাচনে রাতারাতি অস্থায়ী নির্বাচনী অফিস তৈরি করে তা আবার রাতের আধারে পুড়িয়ে মামলা দেয় রামু বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে।
যেখানে মামলার আসামী করা হয়েছিল রামু উপজেলা বিএনপি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাশেদ সিকদার, রামু উপজেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক শওকত আলম, যুবদল নেতা জয়নাল আবেদীন, রামু উপজেলা বিএনপি নেতা জয়নাল, ছাত্রদল নেতা জিল্লুর রহমান সহ আরো অসংখ্য বিএনপি যুবদল, ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের।
সেই ভুক্তভোগী বিএনপি নেতারা জানান, কমলের নির্দেশে অলি আহমেদ নিজে বাদী হয়ে মামলা গুলো করতেন।মামলা দিয়েই শেষ নয়। অলি আহমদ তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে বিএনপি নেতা কর্মীদের পরিবারের উপর চালাতো নির্যাতন।
এছাড়াও সর্বশেষ সরকার পতন আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রামুতে কোন আন্দোলন কিংবা সহিংসতার ঘটনা না হলেও মামলায় ফাঁসানোর নামে বিএনপি জামাতের নেতাকর্মীদের হয়রানির তথ্য জানায় ভুক্তভোগীরা।
এমপির ক্ষমতাকে ব্যবহার করে অলি আহমেদ তার বাহিনী দিয়ে বিভিন্ন সময় বিরোধীপূর্ণ জমি দখল করে তার কব্জায় নিয়ে আসতো। পরে মোটা অংকের টাকা নিয়ে তা নিষ্পত্তি করতো বলে জানায় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ভুক্তভোগী।
পাশাপাশি বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে ট্রাক ছিনতাই, হত্যা চাঁদাবাজি'র একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে।
এসব বিষয়ে অভিযুক্ত অলি আহমেদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অফিস পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনার একটি মামলায় আমাকে জোরপূর্বক বাদী করা হয়। যেখানে আমি কাউকে হয়রানি করি নি। আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা একটি হয়রানি মূলক।
এদিকে অলি আহমেদের বিরুদ্ধে বিএনপি নেতাকর্মীদের মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানা গেছে।
২ দিন ১২ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
১৭ দিন ১১ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১৪৩ দিন ১৯ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১৪৭ দিন ১৭ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
১৫২ দিন ১৮ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১৫৯ দিন ১১ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১৬০ দিন ১২ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
১৬০ দিন ১৪ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে