রামু উপজেলায় বনতলা আসমার ঘোনায় চলছে অবৈধভাবে পাহাড় কাটা। স্থানীয় মোক্তার আহম্মদ নামের এক দীর্ঘ এক বছর ধরে এই ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছেন বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
স্থানীয়রা বলছেন, বনবিভাগের পাহাড় কাটার পাশাপাশি অন্যের জায়গায় সীমানা প্রাচীর তৈরী করেছেন।
মোক্তার আহম্মদ ইতোমধ্যেই অর্ধেকেরও বেশি পাহাড় কেটেছেন এবং সেখানে দুটি নতুন ঘরও নির্মাণ করেছেন। বাকি পাহাড়টুকু ধসের আশঙ্কায়।
এই পাহাড় কাটার কারণে এলাকার পরিবেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। পাহাড় কাটা শুধুমাত্র পরিবেশগত ক্ষতির কারণই নয়, বরং ভূমিধসের আশঙ্কাও বাড়িয়ে তুলছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পাহাড় কাটা বিষয়ে বারবার বন কর্মকর্তাকে অবগত করা হলেও কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। বন কর্মকর্তা লাল মোহন এই বিষয়ে সম্পূর্ণ নীরব ভূমিকা পালন করছেন, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মোক্তার আহমেদের ছেলে ইউনুস পাহাড় কাটার বিষয়টি অস্বীকার করে নিজেদের জায়গা বলে দাবি করেছেন।
বন কর্মকর্তা লাল মোহনকে বিষয়টি অবগত করা হয়। পরে ফরেস্ট রেঞ্জ অফিসারের সাথে কথা বললে তিনি খবর নিয়ে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
সংবাদ মাধ্যমকে বক্তব্য দেয়ার পর তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে পাহাড় কাটার অভিযোগের সত্যতা পেয়েছেন বলে জানান। তিনি পাহাড় খেকোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে জানান।
এলাকার সচেতন মহল মনে করছেন, যদি অবিলম্বে এই ধ্বংসাত্মক কার্যক্রম বন্ধ না করা হয়, তাহলে তা বড় ধরনের পাহাড় ধস হতে পারে। সরকারি সংস্থাগুলোর পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনের কাছে তাদের আহ্বান, অবিলম্বে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক ।
পরিবেশবিদরা বলছেন, পাহাড় কাটার ফলে একদিকে যেমন বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল ধ্বংস হচ্ছে, তেমনই এর প্রভাব স্থানীয় জলবায়ু ও মাটির গুণগত মানের ওপর পড়ছে। এই ধরনের কার্যক্রমের ফলে ভবিষ্যতে এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে।
এলাকার সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল চায়, অবিলম্বে পাহাড়খেকোদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হোক এবং পরিবেশের সুরক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হোক।
২ দিন ১২ ঘন্টা ১২ মিনিট আগে
১৭ দিন ১১ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
১৪৩ দিন ১৯ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে
১৪৭ দিন ১৭ ঘন্টা ৭ মিনিট আগে
১৫২ দিন ১৮ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
১৫৯ দিন ১১ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১৬০ দিন ১২ ঘন্টা ৩২ মিনিট আগে
১৬০ দিন ১৪ ঘন্টা ৩০ মিনিট আগে