নেশায় আসক্ত হয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের উপর শারীরিক নির্যাতন, সন্তানদের তাদের জন্ম নিবন্ধন পাওয়ার অধিকার থেকে বঞ্চিত করা এবং বিয়ে নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে বিটু বড়ুয়া নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।শনিবার (২৭ এপ্রিল) দুপুরে চট্টগ্রাম সাংবাদিক সংস্থার হল রুমে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী নারী তানিয়া সুলতানা মুন্নি (২৫)। অভিযুক্ত বিটু বড়ুয়া পাঁচলাইশ থানার এসআই বলে জানা যায়।ভুক্তভোগী ওই নারী সম্মেলনে জানিয়েছেন, ২০১৬ সালে সৎ মা আমাকে বাসা থেকে বের করে দিলে তিনি (বিটু বড়ুয়া) আমাকে আশ্রয় ও চাকরি দেওয়ার কথা বলে খুলশী থানাধীন এক হোটেলে নিয়ে গিয়ে হাতে হ্যান্ডকাপ লাগিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। পরে তিনি আমাকে ইসলামিক শরীয়ত মোতাবে কাবিনসহ বিয়ে করার শর্তে সংসার জীবন শুরু করেন। কিন্তু আমি দুই সন্তানের মা হওয়ার পরও তিনি কাবিন সৃজন করেননি। বাচ্চাদেরও জন্ম নিবন্ধন করতে দেয়নি। এ কথা বললেই আমি ও আমার সন্তানদের উপর চালানো হয় অমানবিক নির্যাতন।ভুক্তভোগী ওই নারী আরও বলেন, আমার দুই সন্তানের জন্ম হয় হাসপাতালে। রোগী সুস্থ হওয়ার পর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে একটি ছাড়পত্র দেয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, ওই রোগীর নামের জায়গায় আমার নাম নয়, চালাকি করে তার প্রথম স্ত্রীর নাম ব্যবহার করা হয়। যেন প্রমাণ হয় এই দুই সন্তানের মা তার প্রথম স্ত্রী। অবশ্য তা বেশ কয়েক বছর পর জানতে পারি। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল রাত সাড়ে ১২ টায় নেশাগ্রস্থ অবস্থায় আমাকে মারধর করে বাসা হতে বের করে দিলে আমি ফুফুর বাসায় আশ্রয় নিই। পরে জানতে পারি বাসায় থাকা সকল আসবাবপত্র তিনি সরিয়ে ফেলেছেন। তিনি মাদকে আসক্ত। আমি চাই কর্তৃপক্ষ তার ডোপ টেস্ট করুক।আমি এই সময়ে এসে মনে করি, তিনি আট বছর যাবত আমার সাথে প্রতারণাপূর্বক মিথ্যা সংসার করে এসেছেন। আমার অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়েছেন। তিনি এখনো আমার সাথে বর্তমান ঠিকানায় মিথ্যা সংসার করে আসছেন। ওই এলাকার সবাই জানে আমরা স্বামী-স্ত্রী। দুর্লভ ও দুর্জয় আমাদের সন্তান। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য যে, তিনি একজন পুলিশ সদস্য হিসেবে আইন জানার কারণে ডকুমেন্টারি ডকুমেন্টস হাইড করে তিনি প্রতারণার আশ্রয় নিয়েছেন। আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মহা পুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি), প্রধান বিচারপতি, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কমিশনার মহোদয়সহ আইন সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তির কাছে ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছি।
৭৭ দিন ১৭ ঘন্টা ১৩ মিনিট আগে
১৯৩ দিন ১৭ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে
২২৬ দিন ৮ মিনিট আগে
২২৭ দিন ৭ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে
২৬৩ দিন ১৬ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
২৬৪ দিন ২ ঘন্টা ৫৪ মিনিট আগে
২৮০ দিন ৬ ঘন্টা ২ মিনিট আগে
২৮৫ দিন ১ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে