আমরা আমাদের আশেপাশে তাকালেই অনেক টঙের দোকান দেখতে পাই। মূলত এই দোকানগুলোতে জায়গা কম থাকায় ছোট্ট একটি ঘর করে এই দোকানটি বানানো হয়। এই দোকান ঘরে খুব বেশি হলে দুই থেকে তিনজন মানুষ অবস্থান করতে পারে । আর দোকানের সামনের অংশে ক্রেতাদের বসার জন্য বেঞ্চ ফেলে রাখা হয়। অতি অল্প জায়গায় বসানো হয়ে থাকে এই দোকান ঘরগুলো। অতি অল্প পুঁজি নিয়ে টঙের দোকানের মালিকেরা ব্যবসা শুরু করে থাকে। টং এর দোকানের লোকদের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় যে তারা খুব কম পুঁজি নিয়ে এই ব্যবসায় নেমেছে। টংয়ের দোকানের মালিকের পুঁজি যেমন কম তেমনি দৈনিক আয়- রোজগারও তুলনামূলক কম।টঙের দোকানে যে জিনিসটি মূল টার্গেট নিয়ে বিক্রি করা হয় সেটি হল চা। তবে দোকানে বিভিন্ন রকমের চাওয়া পাওয়া গিয়ে থাকে। এগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো দুধ চা, লাল চা,কালোজিরা চা, মালাই চা, তেতুল চা, মরিচ চা সহ আরো বিভিন্ন ধরনের চা।সাধারণত আমি কোনো টঙের দোকানে গেলে সেখানে আদা দিয়ে লাল চা বেশী পান করে থাকি। তবে মাঝে মাঝে পছন্দ করি দুধ চা। এই বিভিন্ন ধরনের চায়ের দামেও ভিন্নতা রয়েছে। যেমন বর্তমান বাজার মূল্য হিসেবে দুধ চায়ের মূল্য ১০ টাকা করে, লাল চা ৫ টাকা করে, মালাই চা ১৫ টাকা করে। সন্ধ্যার পর এই টঙের দোকানে ভীড় হয় সবচেয়ে বেশি। নানা পেশা, বয়স এবং ধর্মের মানুষ গিয়ে সেখানে একত্রিত হয়ে চা পান করে। এই টঙের দোকান তখন হয়ে যায় একটি রমরমা গল্পের আসর। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে এখানে কথা বলা হয় সন্ধ্যার পর। রাজনৈতিক বিষয় থেকে শুরু করে দেশের সার্বিক অবস্থা এই দোকান ঘরের সামনে বসেই চা পান করতে করতে আলোচনা করা হয়।টঙের দোকানে চা ছাড়াও আরো বিভিন্ন পন্য কিনতে পাওয়া যায়। তবে সকল পণ্যই খাদ্য জাতীয় হয়ে থাকে। চায়ের পাশাপাশি ধূমপানের জন্য সিগারেটও বিক্রি হয়ে থাকে এই দোকানে। তাছাড়া এই দোকানে থাকে বিভিন্ন ধরনের বিস্কিট, রুটি এবং কেক। অনেকেই চায়ের সাথে কেক বা রুটি খেয়ে সকালের নাস্তা কিংবা রাতের খাবারের চাহিদা পূরণ করে নেয়। আবার পাওয়া যায় কলা। অনেকেই কলা রুটি খেয়ে তারপর এক কাপ চা পান করে বাসায় ফিরেন।
১ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
৩ দিন ৯ ঘন্টা ৬ মিনিট আগে
১১ দিন ৩ ঘন্টা ৩৬ মিনিট আগে
১৩ দিন ১২ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
১৪ দিন ২৩ ঘন্টা ২৪ মিনিট আগে
১৫ দিন ২৩ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
২২ দিন ৯ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে