বগুড়ার শেরপুর উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নে রাস্তায় বেড়া দিয়ে ২২ টি পরিবারের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করার অভিযোগ উঠেছে চরকল্যানী গ্রামের খোদা বক্সোর ছেলে ইয়াকুব আলীর বিরুদ্ধে। রোববার (২৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাস্তায় গাছ লাগিয়ে বাঁশের বেড়া দিয়ে এ প্রতিবন্ধকা সৃষ্টি করে।
সরে জমিনে গিয়ে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে নদীর পাশে ২ বিঘা জমি কল্পনা খাতুন তাদের দাবি করে। অন্যদিকে আব্দুল মজিদ, জেলহক ও আমজাদের নামে খাজনা খারিজ থাকায় তারা জমিতে গাছ লাগায়। সেই গাছগুলো কল্পনা খাতুন ও তার ফুফাতো ভাই ইয়াকুবরা তুলে ফেলে। ২ পক্ষই জমি দাবি করে তাদের মাঝে দ্বন্দ সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে আদালতে (কোর্টে) মামলা দায়ের হয়। পরবর্তীতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিলে আদালত (কোর্টে) থেকে ১৪৪-১৪৫ ধারা জারি করে। ওই গ্রামের মৃত আজগর আলীর মেয়ে কল্পনা খাতুনের ফুফাতো ভাই ইয়াকুব আলী দীর্ঘ ২০ বছরের চলাচলের রাস্তায় গাছ লাগিয়ে বাঁশ দিয়ে বেড়া দেয়। এতে করে ওই গ্রামের ২২টি পরিবারের চলাচলের রাস্তায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়। ভুক্তোভোগী গ্রাম বাসী আমজাদ হোসেন, খলিল হোসেন, জসিম, খোরশেদ, হজোসহ অনেকে জানান, এটা এলাবাসীর চলাচলের রাস্তা। এই রাস্তা দিয়ে প্রায় ২০ বছর ধরে চলাচল করি। রাস্তায় গাছ লাগিয়ে বেড়া দিয়ে চলাচললে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে। জমি নিয়ে দ্বন্দ আছে আদালতে মামলা করেছে যে পক্ষ পাবে তারা যাবে। কিন্তু এলাকাবাসীর রাস্তা বন্ধ করা এটা জঘন্যতম কাজ। আমরা এলাকাবাসী জোর দাবি জানাচ্ছি যেন অতি দ্রুত যেন রাস্তায় বেড়া তুলে চলাচলের উপযুক্ত করে দেয়।
এ বিষয়ে ওয়ার্ড মেম্বর হিটলার জানান, স্থানীয় কিছু লোক জানিয়েছেন। আমি চেয়ারম্যানকে বিষয়টি জানিয়েছি। অতি দ্রুত সমাধান করার চেষ্টা করছে।
এ বিষয়ে সুঘাট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামানান জিন্নাহ জানান, দুই পক্ষকে শান্ত থাকতে বলা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে একদিন সময় করে বসে মিমাংসা করা হবে।