রবিবার ভোর ৬:০০ টার দিকে বরমী ইউনিয়নের মাইজপাড়া গ্রামের কমলা পুকুর পাড় এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত শরীফ বরমী ইউনিয়নের নিমাইচালা গ্রামের আফির উদ্দিন এর ছেলে। নিহত শরীফ এর পিতা সাংবাদিকদের বলেন তার ছেলে মানসিক রুগী ছিলেন দীর্ঘদিন যাবত চিকিৎসা করেও কোন লাভ হচ্ছে না। আফির উদ্দিন আরো বলেন শরীফ বিভিন্ন জায়গায় পাগলের মতো ঘুরাফেরা করতো।
স্থানীয় লোকজন এবং রেলওয়ের গেইট ম্যান এর সাথে কথা বলে জানা যায়। সকলে যমুনা এক্সপ্রেস এর লাইন ক্লিয়ার করার সময় তিনি রেলগেইট থেকে ১০০ ফিট দূরে খণ্ডিত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে শ্রীপুর স্টেশন মাষ্টার কে জানালে তিনি রেলওয়ে পুলিশদের খবর দেন। পরে দুপুর ১ টার সময় লাশ উদ্ধার করে।
নিহত শরীফ এর আর্থিক এবং পারিবারিক অবস্থা সচ্ছল না থাকায় এবং বরমী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মোঃ মারুফ শেখ মুক্তার সহ এলাকার লোকজনের অনুরোধে লাশ উদ্ধার করে পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
এ সময় মাইজপাড়া রেলগেইটে থাকা গেইট ম্যানের সাথে কথা বলে জানা যায় এই খানে আরো কয়েক বার রেল দূর্ঘটনায় অনেক জনের প্রান গেছে। এই গেইটে যোগাযোগের তেমন ব্যাবস্থা নাই বললেই চলে। এখানে নিরাপত্তার জন্য বিশেষ কোন ব্যবস্থা নাই। কয়দিন পরে পরে এখানে দুর্ঘটনা ঘটে কিন্তু এইগুলো দেখার মতো কেউ নাই।
এলাকাবাসীরা জানান ঢাকা ময়মনসিংহ রেলওয়ে লাইনের মধ্যে এই মাইজপাড়া রেলগেইটে অনেক বার দূর্ঘটনা ঘটছে কিন্তু রেলওয়ে কতৃপক্ষের কাছ থেকে কোন প্রকার ব্যাবস্থা পাওয়া যায়নি।