বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে সতর্ক অবস্থানে ডিএমপি বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও কমলো চৌদ্দগ্রাম চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুটি যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত সোনাইমুড়িতে ইয়াবা সহ আটক ২ গোয়ালন্দে মিলের বাউন্ডারি করতে অসহায় ৪টি পরিবারের বসতবাড়ি উচ্ছেদের চেষ্টা সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত সাড়ে ১২ হাজার কোটি টাকা চিলমারীতে মাদকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গিয়ে আহত ২জন, প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত। জাবিপ্রবির নতুন উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিক সমিতির মতবিনিময় জাতীয় চা দিবসে উৎপাদনে শ্রেষ্ঠ কমলগঞ্জের শ্রীগোবিন্দপুর চা বাগান, শনিবার শ্রীমঙ্গলে ষষ্ঠ জাতীয় চা দিবসে পুরস্কার পাচ্ছেন মহসিন মিয়া মধু লোহাগাড়ায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত পলাতক আসামি আটক ‎সুন্দরবনের নিরাপত্তা সুসংহত করতে কোস্ট গার্ডের কঠোর হুঁশিয়ারি ও অভিযানের নতুন মাত্রা বেগমগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত চৌদ্দগ্রাম ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসে সংঘর্ষে চালক নিহত জয়পুরহাটে শিশু ধর্ষণের অভিযুক্ত আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বরিশালে ২৬ মামলার আসামি গ্রেফতার, উদ্ধার বিপুল দেশীয় ধারালো অস্ত্র নোবিপ্রবি উপাচার্যের সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময় নোয়াখালীতে হামের উপসর্গে আরও এক শিশুর মৃত্যু পবিপ্রবি এএনএসভিএম অনুষদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সঙ্গে উপাচার্যের মতবিনিময় বানিয়াচংয়ে নজরুল বর্ষ উদযাপন

চট্টগ্রামের ওয়াসার পানিতে লবনাক্ততা, ঝুঁকির সম্মুখীন জনসাধারণ - মিতা পোদ্দার

ছবি - মিতা পোদ্দার


চট্টগ্রাম ওয়াসার পানিতে লবণাক্ততা ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক। জানা গেছে, লবণের কারণে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাসাবাড়িতে আসা পানি পান করা যাচ্ছে না। এমনকি রান্নাবান্নাও করতে পারছেন না অনেক এলাকার বাসিন্দারা। ধারণা করা হয় যে চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কাপ্তাই হ্রদের উজানে পর্যাপ্ত পানি নেই। ফলে সেখান থেকে পানি ছাড়া হচ্ছে খুবই কম, সেই স্বল্প পানি বিপরীতমুখী সাগরের পানিকে জোরাল বাধা দিতে পারছে না। ফলে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি পরিমাণ সাগরের নোনা পানি ঢুকছে হালদা নদীতে।


১৯৬২ সালে কাপ্তাইয়ে নির্মিত কর্ণফুলী পানি ‍বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে ৫টি ইউনিটের উৎপাদন সক্ষমতা মোট ২৪২ মেগাওয়াট। উজানে পর্যাপ্ত পানি থাকলে সবগুলো ইউনিট চালু থাকে। কিন্তু এখন মাত্র একটি ইউনিট চালু আছে, যা থেকে বিদ্যুৎ মিলছে দিনে ২৫ মেগাওয়াট।কাপ্তাই বাঁধ থেকে ছাড়া পানি তীব্র গতিতে এসে কর্ণফুলী নদী হয়ে সাগর থেকে আসা বিপরীতমুখী জোয়ারের লবণাক্ত পানির প্রবাহকে বাধা দেয়। ফলে হালদায় লবণ পানি কম ঢোকে। কাপ্তাই থেকে আসা পানি হালদাতেও প্রবেশ করে।বৃষ্টি না হওয়ায় কাপ্তাই লেকে পানির পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। এর ফলে কাপ্তাই লেক এবং কর্ণফুলী উপনদী থেকে প্রচুর পরিমাণে শৈবাল যুক্ত (শ্যাওলা যুক্ত) পানি প্রবাহিত হচ্ছে।অন্যদিকে শ্যাওলা যুক্ত পানি প্রবাহের ফলে চট্টগ্রাম ওয়াসার রাঙ্গুনিয়াস্থ শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার–১ ও ২ এর পানি পরিশোধন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এই দুটি পানি শোধনাগারেও উৎপাদন কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তারপরও নগরবাসীর মাঝে পানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গভীর নলকূপ গুলো থেকে উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। দীর্ঘদিন বন্ধ গভীর নলকূপগুলো এলাকা ভিত্তিক চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় নগর জুড়ে পানি সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা।


চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহ করা পানি নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন নগরবাসী। বিভিন্ন এলাকায় দিনের পর দিন পানি আসছে না। আবার যেটুকু আসছে, লবণাক্ততার কারণে সেটুকুও মুখে তোলার জো নেই। ঠিকভাবে গোসলও করা যাচ্ছে না। অনেকেই পানি কিনে এনে ব্যবহার করছেন। নগরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ভোগান্তির একই চিত্র পাওয়া গেছে। তাঁরা কেউ পানি কিনে পান করছেন। আবার কেউ দূরদূরান্তের পুকুর ও গভীর নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করে আনছেন।ওয়াসার পানি–সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও সংস্থাটির সমালোচনা করছেন গ্রাহকেরা। তবুু ও কোন সমাধানের পথ খুঁজে  পাওয়া যাচ্ছেনা।এত লবণাক্ত পানি যা  মুখে নেওয়া যাচ্ছে না। এই পানি ব্যবহারে বেশির ভাগ মানুষের    পেট খারাপ হয়ে যাচ্ছে। মানুষের শরীরে নির্দিষ্ট পরিমাণ লবণের প্রয়োজন এবং সেটি আসে খাদ্য ও পানি থেকে। কিন্তু উপকূলীয় এলাকার পানিতে লবণের পরিমাণ অনেক গুণ বেশি। এই পানি শরীরে প্রবেশ করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জন্য তা হয়ে ওঠে আরও বেশি বিপজ্জনক। গর্ভাবস্থায় নারীরা বেশি লবণাক্ত পানি খেলে খিঁচুনি ও উচ্চ রক্তচাপ হয়। এ কারণে নারীদের গর্ভাবস্থায় সন্তান মারা যাওয়ার হারও বেশি।  সংকট সমাধানে চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য শোধানাগার থেকে পানি নিয়ে ব্লেন্ডিংয়ের (মেশানোর) পর পানি সরবরাহ করতে শুরু করেছে। তবে শুষ্ক মৌসুম দীর্ঘায়িত হলে এই সংকট আরও জটিল আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি  সবার নজরে এনে সমাধান অতীব জরুরী।  নতুবা প্রাণনাশের আশঙ্কা  রয়েছে।


চট্টগ্রাম ওয়াসার পানিতে লবণাক্ততা ছড়িয়ে পড়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক। জানা গেছে, লবণের কারণে পাইপলাইনের মাধ্যমে বাসাবাড়িতে আসা পানি পান করা যাচ্ছে না। এমনকি রান্নাবান্নাও করতে পারছেন না অনেক এলাকার বাসিন্দারা। ধারণা করা হয় যে চট্টগ্রাম থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে কাপ্তাই হ্রদের উজানে পর্যাপ্ত পানি নেই। ফলে সেখান থেকে পানি ছাড়া হচ্ছে খুবই কম, সেই স্বল্প পানি বিপরীতমুখী সাগরের পানিকে জোরাল বাধা দিতে পারছে না। ফলে অন্য সময়ের চেয়ে বেশি পরিমাণ সাগরের নোনা পানি ঢুকছে হালদা নদীতে। ১৯৬২ সালে কাপ্তাইয়ে নির্মিত কর্ণফুলী পানি ‍বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বর্তমানে ৫টি ইউনিটের উৎপাদন সক্ষমতা মোট ২৪২ মেগাওয়াট। উজানে পর্যাপ্ত পানি থাকলে সবগুলো ইউনিট চালু থাকে। কিন্তু এখন মাত্র একটি ইউনিট চালু আছে, যা থেকে বিদ্যুৎ মিলছে দিনে ২৫ মেগাওয়াট।কাপ্তাই বাঁধ থেকে ছাড়া পানি তীব্র গতিতে এসে কর্ণফুলী নদী হয়ে সাগর থেকে আসা বিপরীতমুখী জোয়ারের লবণাক্ত পানির প্রবাহকে বাধা দেয়। ফলে হালদায় লবণ পানি কম ঢোকে। কাপ্তাই থেকে আসা পানি হালদাতেও প্রবেশ করে।বৃষ্টি না হওয়ায় কাপ্তাই লেকে পানির পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে কমে গেছে। এর ফলে কাপ্তাই লেক এবং কর্ণফুলী উপনদী থেকে প্রচুর পরিমাণে শৈবাল যুক্ত (শ্যাওলা যুক্ত) পানি প্রবাহিত হচ্ছে।অন্যদিকে শ্যাওলা যুক্ত পানি প্রবাহের ফলে চট্টগ্রাম ওয়াসার রাঙ্গুনিয়াস্থ শেখ হাসিনা পানি শোধনাগার–১ ও ২ এর পানি পরিশোধন প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। এই দুটি পানি শোধনাগারেও উৎপাদন কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তারপরও নগরবাসীর মাঝে পানির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে গভীর নলকূপ গুলো থেকে উৎপাদন বাড়িয়ে দিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। দীর্ঘদিন বন্ধ গভীর নলকূপগুলো এলাকা ভিত্তিক চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় নগর জুড়ে পানি সরবরাহ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা।


চট্টগ্রাম ওয়াসার সরবরাহ করা পানি নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন নগরবাসী। বিভিন্ন এলাকায় দিনের পর দিন পানি আসছে না। আবার যেটুকু আসছে, লবণাক্ততার কারণে সেটুকুও মুখে তোলার জো নেই। ঠিকভাবে গোসলও করা যাচ্ছে না। অনেকেই পানি কিনে এনে ব্যবহার করছেন। নগরের বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে ভোগান্তির একই চিত্র পাওয়া গেছে। তাঁরা কেউ পানি কিনে পান করছেন। আবার কেউ দূরদূরান্তের পুকুর ও গভীর নলকূপ থেকে পানি সংগ্রহ করে আনছেন। ওয়াসার পানি–সংকট নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকেও সংস্থাটির সমালোচনা করছেন গ্রাহকেরা। তবুু ও কোন সমাধানের পথ খুঁজে  পাওয়া যাচ্ছেনা।এত লবণাক্ত পানি যা  মুখে নেওয়া যাচ্ছে না। এই পানি ব্যবহারে বেশির ভাগ মানুষের    পেট খারাপ হয়ে যাচ্ছে। মানুষের শরীরে নির্দিষ্ট পরিমাণ লবণের প্রয়োজন এবং সেটি আসে খাদ্য ও পানি থেকে। কিন্তু উপকূলীয় এলাকার পানিতে লবণের পরিমাণ অনেক গুণ বেশি। এই পানি শরীরে প্রবেশ করলে স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়ে যায়। বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের জন্য তা হয়ে ওঠে আরও বেশি বিপজ্জনক। গর্ভাবস্থায় নারীরা বেশি লবণাক্ত পানি খেলে খিঁচুনি ও উচ্চ রক্তচাপ হয়। এ কারণে নারীদের গর্ভাবস্থায় সন্তান মারা যাওয়ার হারও বেশি।  সংকট সমাধানে চট্টগ্রাম ওয়াসা কর্তৃপক্ষ অন্যান্য শোধানাগার থেকে পানি নিয়ে ব্লেন্ডিংয়ের (মেশানোর) পর পানি সরবরাহ করতে শুরু করেছে। তবে শুষ্ক মৌসুম দীর্ঘায়িত হলে এই সংকট আরও জটিল আকার ধারণ করবে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টি  সবার নজরে এনে সমাধান অতীব জরুরী।  নতুবা প্রাণনাশের আশঙ্কা  রয়েছে।

  লেখক  - প্রাবন্ধিক ,  শিক্ষিকা ।  

আরও খবর


6a3509c5e0008-190626032005.webp
বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও কমলো

১ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে