মিরসরাইয়ে লায়ন্স ক্লাবের দিনব্যাপী সার্ভিস প্রোগ্রাম নিয়োগপত্র পাচ্ছেন প্রাথমিকের চাকরিবঞ্চিতরা দিনাজপুরে ১ম কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশীপ প্রতিযোগিতা ২০২৬ অনুষ্ঠিত নাঙ্গলকোট উপজেলা নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ সাধারণ সম্পাদক গ্রেফতার দিনাজপুরে ১ কোটি ১৪ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও প্রতারণার অভিযোগে ‘শাহীন স্টোরের’ বিরুদ্ধে মামলা শ্যামনগরে গাছ থেকে পড়ে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু নাগেশ্বরীতে ৬৩ পূজামণ্ডপের জন্য তৈরি হচ্ছে প্রতিমা: নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ নজর ও পরিদর্শন নাগেশ্বরীতে ৬৩ পূজামণ্ডপের জন্য তৈরি হচ্ছে প্রতিমা: নিরাপত্তায় পুলিশের বিশেষ নজর ও পরিদর্শন শিল্পবর্জ্য ও দূষণের কারণে সুপেয় পানি কমছে : পানি সম্পদ মন্ত্রী জয়পুরহাটে মটর শ্রমিক ইউনিয়নের নবনির্বাচিত কমিটির অভিষেক ও শপথ কৃষকরাই দেশ গড়ার যোদ্ধা: রাষ্ট্রপতি লাখাইয়ে উর্ধ্বমুখী নিত্যপণ্যের দাম,অস্তিরতায় নিম্ন আয়ের মানুষ। জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী আশাশুনি হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করনে নতুন ভবনের সয়েল টেস্ট উদ্বোধন তা’মীরুল মিল্লাতে আলিমে ভর্তি নিয়ে ভোগান্তির অভিযোগ, নির্বাচিত হয়েও ভর্তি হতে পারেননি অনেকে! দিনাজপুরে সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পের জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস এমপি সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলমের পীরগাছায় ছেলের হাতে বাবা খুন, ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন ১৬ বছরে পদার্পণ লালপুর উপজেলা প্রেস ক্লাব পীরগাছায় আল হাজরা ইয়াতিমখানার হাফেজ ছাত্রদের পাগড়ী প্রদান উপলক্ষে তাফসির মাহফিলের প্রস্তুতি ও সুধী সমাবেশ কবিরহাটে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা

ভুল শুধরে দেওয়ার আদব

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 31-05-2023 11:32:19 pm

© সংগৃহীত ছবি

◾ মুফতি আবু দারদা : ইসলামে ভুল শুধরে দেওয়ার সুনির্দিষ্ট আদব রয়েছে। ব্যক্তির সম্মানের প্রতি লক্ষ রেখেই তা করতে হয়। কাউকে সবার সামনে অপমানিত করে ভুল শুধরে দেওয়ার পদ্ধতি ইসলাম অনুমোদন করে না। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) কখনোই ভুল শুধরে দিতে কঠোরতার পথ বেছে নেননি। কেউ ভুল করলে একান্তে ডেকে নরম ভাষায় বা ইঙ্গিতে ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন। 


হজরত মুআবিয়া ইবনে হাকাম আস-সুলামি (রা.) বর্ণনা করেন, ‘আমি রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে নামাজ পড়ছিলাম। এই সময় এক ব্যক্তি হাঁচি দেয়। আমি তার উত্তরে ইয়ারহামুকাল্লাহ বলে ফেলি। উপস্থিত লোকজন আমার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকালে আমি বললাম, ‘তোমরা আমার দিকে এভাবে তাকিয়ে আছো কেন?’ তখন তারা (বিস্মিত হয়ে) ঊরু চাপড়াতে শুরু করে। আমি বুঝতে পারলাম, তারা আমাকে চুপ করতে বলছে। আমি চুপ হয়ে যাই। রাসুল (সা.) নামাজ শেষ করে আমাকে (একান্তে) ডাকলেন। তিনি আমাকে কোনো ধরনের তিরস্কার করেননি এবং কোনো কটু কথাও বলেননি। তাঁর চেয়ে উত্তম শিক্ষক আমি কখনো দেখিনি। তিনি শুধু বলেছিলেন, ‘নামাজে কথা বলা উচিত নয়। নামাজ হলো তাসবিহ, তাকবির ও কোরআন তিলাওয়াতের সমষ্টি।’ (মুসলিম: ৫৩৭) 


অন্য হাদিসে এসেছে, আনাস (রা.) বলেন, একদিন আমরা রাসুল (সা.)-এর সঙ্গে মসজিদে বসে ছিলাম। এ সময় হঠাৎ এক বেদুইন এসে মসজিদের মধ্যেই দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করতে লাগল। তা দেখে সাহাবিরা ‘থামো থামো’ বলে তাকে প্রস্রাব করতে বাধা দিলেন। তখন রাসুল (সা.) বললেন, ‘তোমরা তাকে বাধা দিয়ো না, বরং তাকে ছেড়ে দাও।’ লোকজন তাকে ছেড়ে দিল, সে প্রস্রাব সেরে নিল। রাসুল (সা.) তাকে কাছে ডেকে বললেন, ‘এটি মসজিদ। এখানে প্রস্রাব করা কিংবা ময়লা-আবর্জনা ফেলা যায় না।…’ (মুসলিম: ২৮৫)


লেখক: ইসলামবিষয়ক গবেষক