◾ ড. এ এন এম মাসউদুর রহমান
আল্লাহ তাআলা সব সৃষ্টির রিজিক বণ্টন করেন। তিনি বিভিন্ন অসিলায় কর্মসংস্থানের মাধ্যমে মানুষকেও রিজিক দিয়ে থাকেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ যাকে চান, বিনা হিসাবে রিজিক দেন।’ (সুরা আলে-ইমরান: ৩৭) তিনি আরও বলেন, ‘(হে নবী) বলুন, নিশ্চয়ই আমার রব তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার জন্য ইচ্ছা রিজিক প্রশস্ত করেন এবং সংকুচিত করেন। আর তোমরা যা কিছু আল্লাহর জন্য ব্যয় করো, তিনি তার বিনিময় দেবেন এবং তিনিই উত্তম রিজিকদাতা।’ (সুরা সাবা: ৩৯)
কেউ কেউ আশানুরূপ রিজিক না পেয়ে আল্লাহর ব্যাপারে হতাশা প্রকাশ করে। অথচ তা কোনোভাবেই বৈধ নয়। এটি বান্দাকে কুফুরি পর্যন্ত নিয়ে যেতে পারে। কারণ আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে পরিশ্রম করা এবং আল্লাহকে স্মরণ করা রিজিকপ্রাপ্ত হওয়ার প্রধান শর্ত। যেমন মহানবী (সা.) বলেন, ‘যদি তোমরা আল্লাহর ওপর পরিপূর্ণ ভরসা করতে পারো, তাহলে অবশ্যই তোমরা ওই পাখির মতো রিজিকপ্রাপ্ত হবে, যে খালি পেটে নীড় থেকে বের হয় এবং ভরা পেটে নীড়ে প্রত্যাবর্তন করে।’ (তিরমিজি)।
হাদিসটি থেকে প্রতীয়মান হয় যে পাখিরা নীড় থেকে বের হওয়ার পর বসে থাকে না, বরং তারা রিজিকের অন্বেষণ করে। তাই আল্লাহ বলেন, ‘এরপর যখন সালাত সমাপ্ত হবে তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ো আর আল্লাহর অনুগ্রহ (রিজিক) অনুসন্ধান করো এবং আল্লাহকে বেশি বেশি স্মরণ করো, যাতে তোমরা সফল হতে পারো... আর আল্লাহ সর্বোত্তম রিজিকদাতা।’ (সুরা জুমুআহ: ১০-১১) তাই আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রেখে রিজিক অন্বেষণ করা প্রতিটি মুমিনের দায়িত্ব ও কর্তব্য।
◾ লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
৪ দিন ৫ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৪ দিন ২২ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৫ দিন ৫৬ মিনিট আগে
৫ দিন ১০ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৬ দিন ৮ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৬ দিন ২২ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৭ দিন ২০ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১২ দিন ২০ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে