অবহেলার পাত্র নাকি সভ্যতার স্থপতি? আদমদীঘিতে বাসযাত্রীদের নিকট থেকে অতিরিক্ত ভাড়া নেয়ায় কাউন্টারকে জরিমানা আদমদীঘিতে ভ্রাম্যমাণ আদালতে তিন দই-মিষ্টির দোকানে জরিমানা শার্শায় জামাল হত্যার মামলায় আরও এক আসামি আটক লালপুরে বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অন্যের জমি নিয়ে ৩ জনকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ লালপুরে মসজিদের ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়।। সমুদ্র সৈকত পরিচ্ছন্ন রাখতে 'পশ্চিম সোনার পাড়া সমাজকল্যাণ পরিষদ' এর বহুমুখী উদ্যোগ। বড়লেখায় মৃত মোরগ বিক্রির প্রতিবাদ করায় প্রবাসীকে হেনস্তা,ব্যবসায়ি সমিতির সদস্য বরখাস্ত : তদন্ত কমিটি গঠন আশাশুনির বিছটে ভাঙ্গন রোধে রিংবাঁধের কাজ সম্পন্ন, স্বস্তি ফিরেছে বানভাসীদের নাগেশ্বরীতে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগে ২ বাস কাউন্টারে অভিযান চালিয়ে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ডোমারে 'সবার পাঠশালা'-এর শিক্ষা সম্মেলন অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারীদের চাকুরী জাতীয়করণের দাবীতে সংলাপ অনুষ্ঠিত নাগেশ্বরীতে পরিবার পরিকল্পনা অফিসের সেবা বন্ধ নেই ঈদেও ড. ইউনূসকে যা বললেন মোদি নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে গণতন্ত্র দেখতে চায় ভারত ডোমারে সাংবাদিক নির্যাতন, গ্রেপ্তার-১ ঝিনাইদহে কবরস্থানে বসবাস করছে অসহায় পরিবার, সাহায্যের আহ্বান বাবা-মায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন, জানল না শিশু আরাধ্য সবার পাঠশালার শীর্ষ নেতৃত্বে সিহাব-প্রাণহরি মোংলা বন্দরে নতুন আরেকটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে আগ্রহী চীন

আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 01-08-2023 11:50:55 am

আওয়ামী লীগ পালানোর পথ পাবে না সরকার বিরোধীদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ কোনোদিন পালায় না।  


জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে কৃষক লীগ আয়োজিত ‘স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।


শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধী দল, সংসদে না থাকলেও তারা বক্তব্য দেয়- আমাদের নাকি পালানোর কোনো পথ থাকবে না। আমি এমন বক্তব্যদাতাদের উদ্দেশে বলতে চাই- শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না।



বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের মুখে বড় বড় কথা, আমরা নাকি পালানোর পথ পাবো না। তারা আমাদের নেতাকর্মীদের নামে অসংখ্য মামলা করেছে, অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। গ্রেনেড হামলা করেছে। আমরা তো প্রতিশোধ নেইনি। এক ভাগ প্রতিশোধ নিলেও তাদের হদিস পাওয়া যেত না। আমরা প্রতিশোধ নেইনি কারণ আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমান ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামি, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি, তার বিরুদ্ধে এফবিআইয়ের প্রতিনিধি এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে, সেই মামলায় তার সাজা হয়েছে। খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি। অথচ তাদের (বিএনপি) গঠনতন্ত্রেই আছে সাজাপ্রাপ্ত আসামি দলের নেতা হতে পারবেন না।


সরকারপ্রধান বলেন, যারা স্বাধীনতাবিরোধী, হানাদার বাহিনীর দোসর ছিল, যুদ্ধাপরাধী ছিল, বঙ্গবন্ধু যাদের বিচার শুরু করেছিলেন, তাদের মুক্তি দিয়ে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা হয়, বিভিন্ন পদ দেন জিয়াউর রহমান। তারপর খালেদা জিয়াও একই কাজ করেন। খালেদা জিয়া বলেছিলেন- প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলের নেতাও না কি কোনোদিন হতে পারব না। আজকে কী হলো। দেশে ফেরার পর জনগণ আমাকে ক্ষমতায় এনেছে।


বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে দেশে আসার পর জিয়াউর রহমান আমাকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। আমি যে আমার মা-বাবা, ভাই-বোনের জন্য দোয়া করব, মোনাজাত করব- সে সুযোগটাও দেয়নি। রাস্তার ওপর বসেই আমাকে আমার মা-বাবার জন্য দোয়া পড়তে হয়েছিল।শেখ হাসিনা বলেন, ১৫ আগস্টের সময় আমি এবং আমার ছোটবোন বিদেশে ছিলাম। জিয়াউর রহমান আমাদের আসতে বাধা দিয়েছে। শেখ রেহানার পাসপোর্টটাও রিনিউ করে দেয়নি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৮১ সালে আমার অবর্তমানে আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করে। আমরা অনেক বাধা অতিক্রম করে দেশে ফিরে আসি।


বঙ্গবন্ধু বাংলার জনগণকে গভীরভাবে ভালোবেসেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর ৯০ ভাগ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে ছিল, পেটে খাবার নেই, শিক্ষা বঞ্চিত। জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। জাতির পিতা বলতেন- আমাদের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর, তিনি কৃষির বিপ্লব ঘটিয়েছেন। যুদ্ধকালে কোনো ফসল উৎপাদন হয়নি, আর যা ছিল তাও হানাদার বাহিনী পুড়িয়ে দিয়েছিল। রিজার্ভ মানি ছিল না। বঙ্গবন্ধু দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।


১৫ আগস্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাঙালির প্রতি বঙ্গবন্ধুর গভীর বিশ্বাস ছিল। তিনি বলতেন- ওরা আমার ছেলের মতো।.. কারবালার ময়দানে শিশু-নারীকে হত্যা করা হয়নি, কিন্তু ১৫ আগস্ট নারী-শিশুরাও রেহাই পায়নি। কামাল-জামালকে হত্যা করা হলো। ছোট রাসেল, তার কি দোষ ছিল? সেই সঙ্গে আমার চাচা, আমার সেজো ফুফুসহ সবাইকে হত্যা করা হয়েছিল। 


শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের যেকোনো মানুষ তার আপনজন খুন হলে বিচার চায়, আর আমরা যারা ১৫ আগস্ট আপনজন হারিয়েছি, আমাদের বিচার চাওয়ার কোনো অধিকারই ছিল না। মামলা করার অধিকার ছিল না। খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসের চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছিল।


সরকারপ্রধান বলেন, ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাসে সত্য উদঘাটন হবেই। ’৮৮ সালে আমি যখন ফিরে আসি, তখন আমার কাছে কিছু ছিল না, আমার শুধু একটা চিন্তা ছিল- লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা আজকে বৃথা যেতে পারে না। বাংলাদেশের মানুষ আমার আপন, আমার তো কিছু ছিল না। আসার পর পদে পদে বাধা। আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না, আওয়ামী লীগ যেন জনগণের শত্রু! আজকে আমরা প্রমাণ করেছি- আওয়ামী লীগই পারে দেশের মানুষকে উন্নত জীবন দিতে। 

আরও খবর
67efa5639c7aa-040425032451.webp
হাসিনাকে ফেরত চাইল বাংলাদেশ

৭ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে