অনলাইন জুয়ার নেশায় তরুণ প্রজন্ম; পিছিয়ে নেই বালিয়াডাঙ্গী তাড়াইল হাসপাতালের সংকট ও উত্তরণের উপায় এআই লিখছে কবিতা-গল্প, তাহলে লেখকদের ভবিষ্যৎ কী? প্রয়াণ দিবসে জীবনানন্দ স্মরণ ‘স্রোতের’ যে পায় সে পায় - আহসান হাবিব বাঘার "৯০" এর বন্ধুদের তেতুলিয়া বাংলাবান্ধা জিরোপয়েন্ট আনন্দ ভ্রমণ সম্পন্ন। চলমান শ্রমিক বিক্ষোভে ৫ শতাধিক পোশাক কারখানা বন্ধ রয়েছে: বিজিএমইএ নোয়াখালীতে ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির আনন্দ শোভাযাত্রা দোকান ঘর-সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ব্যবসায়ীর জমি দখলের চেষ্টা, থানায় অভিযোগ ৪ নভেম্বর থেকে সারাদেশে গ্যাসের সরবরাহ কমবে: পেট্রোবাংলা দুবলার চরে পাঁচ মাসের শুঁটকি মৌসুম শুরু, ১০ হাজার জেলের কর্মযজ্ঞ পোশাক খাতের অস্থিরতা নিয়ে জরুরি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নবীনগরে মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে কিশোরের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে শেরপুরে র‍্যালি, আলোচনা সভা ও যুব ঋণ বিতরণ নওগাঁর নিয়ামতপুরে জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে ঋণের চেক ও সনদপত্র বিতরণ মিরসরাইয়ে জাতীয় যুব দিবসে শ্রেষ্ঠ যুব সংগঠকের সম্মাননা পেলেন গোলাম মর্তুজা জাতীয় যুব দিবসে মিরসরাইয়ের ফয়সাল আলম পেলেন শ্রেষ্ঠ উদ্যোক্তার সম্মাননা ইসলামপুরে যমুনা নদীতে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এক আসামিকে আটক করেছে পুলিশ পীরগাছায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন, যুব ঋণ বিতরণ র‌্যালি, আলোচনা সভা জয়পুরহাটে এসআরবির অভিযানে ইয়াবা ও টাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী মিলন গ্রেপ্তার

আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না: প্রধানমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 01-08-2023 11:50:55 am

আওয়ামী লীগ পালানোর পথ পাবে না সরকার বিরোধীদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে দলটির সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ কোনোদিন পালায় না।  


জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে মঙ্গলবার (১ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে কৃষক লীগ আয়োজিত ‘স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি’র উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।


শেখ হাসিনা বলেন, বিরোধী দল, সংসদে না থাকলেও তারা বক্তব্য দেয়- আমাদের নাকি পালানোর কোনো পথ থাকবে না। আমি এমন বক্তব্যদাতাদের উদ্দেশে বলতে চাই- শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ কখনো পালায় না।



বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, তাদের মুখে বড় বড় কথা, আমরা নাকি পালানোর পথ পাবো না। তারা আমাদের নেতাকর্মীদের নামে অসংখ্য মামলা করেছে, অনেক নেতাকর্মীকে হত্যা করেছে। গ্রেনেড হামলা করেছে। আমরা তো প্রতিশোধ নেইনি। এক ভাগ প্রতিশোধ নিলেও তাদের হদিস পাওয়া যেত না। আমরা প্রতিশোধ নেইনি কারণ আওয়ামী লীগ গণতন্ত্রে বিশ্বাসী।



প্রধানমন্ত্রী বলেন, তারেক রহমান ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলার আসামি, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি, তার বিরুদ্ধে এফবিআইয়ের প্রতিনিধি এসে সাক্ষ্য দিয়ে গেছে, সেই মামলায় তার সাজা হয়েছে। খালেদা জিয়া সাজাপ্রাপ্ত আসামি। অথচ তাদের (বিএনপি) গঠনতন্ত্রেই আছে সাজাপ্রাপ্ত আসামি দলের নেতা হতে পারবেন না।


সরকারপ্রধান বলেন, যারা স্বাধীনতাবিরোধী, হানাদার বাহিনীর দোসর ছিল, যুদ্ধাপরাধী ছিল, বঙ্গবন্ধু যাদের বিচার শুরু করেছিলেন, তাদের মুক্তি দিয়ে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত করা হয়, বিভিন্ন পদ দেন জিয়াউর রহমান। তারপর খালেদা জিয়াও একই কাজ করেন। খালেদা জিয়া বলেছিলেন- প্রধানমন্ত্রী তো দূরের কথা বিরোধী দলের নেতাও না কি কোনোদিন হতে পারব না। আজকে কী হলো। দেশে ফেরার পর জনগণ আমাকে ক্ষমতায় এনেছে।


বঙ্গবন্ধুর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ১৯৮১ সালে দেশে আসার পর জিয়াউর রহমান আমাকে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে ঢুকতে দেয়নি। আমি যে আমার মা-বাবা, ভাই-বোনের জন্য দোয়া করব, মোনাজাত করব- সে সুযোগটাও দেয়নি। রাস্তার ওপর বসেই আমাকে আমার মা-বাবার জন্য দোয়া পড়তে হয়েছিল।শেখ হাসিনা বলেন, ১৫ আগস্টের সময় আমি এবং আমার ছোটবোন বিদেশে ছিলাম। জিয়াউর রহমান আমাদের আসতে বাধা দিয়েছে। শেখ রেহানার পাসপোর্টটাও রিনিউ করে দেয়নি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৮১ সালে আমার অবর্তমানে আমাকে সভাপতি নির্বাচিত করে। আমরা অনেক বাধা অতিক্রম করে দেশে ফিরে আসি।


বঙ্গবন্ধু বাংলার জনগণকে গভীরভাবে ভালোবেসেছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর ৯০ ভাগ মানুষ দারিদ্রসীমার নিচে ছিল, পেটে খাবার নেই, শিক্ষা বঞ্চিত। জাতির পিতা যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গঠনে আত্মনিয়োগ করেছিলেন। জাতির পিতা বলতেন- আমাদের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর, তিনি কৃষির বিপ্লব ঘটিয়েছেন। যুদ্ধকালে কোনো ফসল উৎপাদন হয়নি, আর যা ছিল তাও হানাদার বাহিনী পুড়িয়ে দিয়েছিল। রিজার্ভ মানি ছিল না। বঙ্গবন্ধু দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন।


১৫ আগস্টের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাঙালির প্রতি বঙ্গবন্ধুর গভীর বিশ্বাস ছিল। তিনি বলতেন- ওরা আমার ছেলের মতো।.. কারবালার ময়দানে শিশু-নারীকে হত্যা করা হয়নি, কিন্তু ১৫ আগস্ট নারী-শিশুরাও রেহাই পায়নি। কামাল-জামালকে হত্যা করা হলো। ছোট রাসেল, তার কি দোষ ছিল? সেই সঙ্গে আমার চাচা, আমার সেজো ফুফুসহ সবাইকে হত্যা করা হয়েছিল। 


শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের যেকোনো মানুষ তার আপনজন খুন হলে বিচার চায়, আর আমরা যারা ১৫ আগস্ট আপনজন হারিয়েছি, আমাদের বিচার চাওয়ার কোনো অধিকারই ছিল না। মামলা করার অধিকার ছিল না। খুনিদের বিভিন্ন দূতাবাসের চাকরি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়েছিল।


সরকারপ্রধান বলেন, ইতিহাস কখনো মুছে ফেলা যায় না। ইতিহাসে সত্য উদঘাটন হবেই। ’৮৮ সালে আমি যখন ফিরে আসি, তখন আমার কাছে কিছু ছিল না, আমার শুধু একটা চিন্তা ছিল- লাখো মানুষের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা আজকে বৃথা যেতে পারে না। বাংলাদেশের মানুষ আমার আপন, আমার তো কিছু ছিল না। আসার পর পদে পদে বাধা। আওয়ামী লীগকে কোনোভাবেই ক্ষমতায় আসতে দেওয়া যাবে না, আওয়ামী লীগ যেন জনগণের শত্রু! আজকে আমরা প্রমাণ করেছি- আওয়ামী লীগই পারে দেশের মানুষকে উন্নত জীবন দিতে। 

আরও খবর