গোয়ালন্দে নিয়ন্ত্রন হারিয়ে সড়ক আইলানার উঠে গেল যাত্রীবাহী বাস জয়পুরহাটে আখক্ষেত থেকে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার” শ্রীপুরে ৩ সন্তান রেখে প্রেমিকের বাড়িতে প্রবাসীর স্ত্রী, এলাকায় চাঞ্চল্য ঈশ্বরগঞ্জে ভরা মৌসুমেও দেশি মাছের আকাল প্রশাসনের নীরব সমর্থনে দোহাজারী হাজারী দিঘীতে অননুমোদিত বড়শী প্রতিযোগিতা নাগেশ্বরীর রামখানায় ৫নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে আলোচনার শীর্ষে তরুণ সমাজসেবক ফারুক আহমেদ লোহাগাড়ায় ২ হাজার ইয়াবা ও বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার লোহাগাড়ায় ৯ লিটার চোলাই মদসহ যুবক আটক সিরাজগঞ্জ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক নবীনবরণ, মেধাবৃত্তি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত প্রেমের বিয়ে অস্বীকার, নবজাতক ফেলে পালানোর চেষ্টা ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে পৌঁছেছেন পুতিন, যাচ্ছেন না তারেক রহমান সামান্য সঞ্চয়ের পর মৃত কৃষকের পরিবার পেল দেড় লাখ টাকা সমাজে ভালো মানুষের সংখ্যা ও সৎ নেতৃত্ব বাড়লে অন্যায়-অবিচার স্বাভাবিকভাবেই কমে আসবে -আব্দুল খালেক নিয়ামতপুরে মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুবসমাজকে খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন যুবসমাজ মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে ঝিনাইগাতীর পাইকুড়া এলাকাবাসীর সংবাদ সম্মেলন ‎সুন্দরবনে বনরক্ষীদের অভিযানে হরিণ শিকারের বিশাল ফাঁদ ও ট্রলার জব্দ প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চান বলেই আওয়ামী লীগের মিছিল: সারজিস আলম পদ্মা ব্যারেজ হলে ২৪ জেলার অর্থনৈতিক রূপান্তর ঘটবে: পানি সম্পদ মন্ত্রী লোহাগাড়ায় ২ হাজার ইয়াবা ও বিদেশি পিস্তলসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার

উখিয়ায় “উড়োনামে” চলছে নোহা, সিএনজি,ডাম্পার !

উখিয়া উপজেলা সদর ও বাণিজ্যিক এলাকা কোটবাজারে সারি সারি নোহা, এসব নোহার বেশিরভাগ মালিক দৃশ্যমান নয়, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শতশত সিএনজি-ডাম্পার। এসব সিএনজি বা ডাম্পারগুলোও চলছে উড়োনামে। বেশিরভাগের মালিকের তথ্য নেই সংশ্লিষ্ট সমিতি গুলোর কাছে।


তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে এসব নোহা সিএনজি ডাম্বারগুলোর প্রকৃত মালিক হয়তো চিহ্নিত ইয়াবা কারবারি নয়তো রোহিঙ্গা। এভাবে বছরের পর বছর ধরে চলছে নোহা সিএনজি ও ডাম্পারগুলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে তারা লক্ষ লক্ষ টাকার গাড়িগুলো পরিচালিত করছে ভিন্ন নামে । সমিতিগুলোও লাভবান হওয়ায় তারা এসবে খুব একটা মাথা ঘামায় না।


এ ব্যাপারে নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক সিএনজি চালক জানান,রোহিঙ্গাদের শত শত সিএনজি রোডে চলাচল করছে টোকেন নিয়ে। বিশেষ করে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে যে সিএনজি গুলো চলাচল করে তা থেকে এককালীন সমিতি গুলো ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা পেয়ে থাকে। তাই সমিতিগুলো লাভবান হওয়ায় রোহিঙ্গাদের মালিকানাধীন সিএনজি নিতেই তাদের আগ্রহ বেশি। অপর দিকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ডাম্পার মালিকের সংখ্যায় সবচেয়ে বেশি। উপজেলার পালংখালী থেকে কুতুপালং পর্যন্ত যে ডাম্পার গুলো চলাচল করে তার বেশির ভাগ রোহিঙ্গাদের। যদিওবা স্থানীয় রোহিঙ্গা বান্ধব কিছু জনপ্রতিনিধি তাদের এসব ডাম্পার গুলো দেখেশুনা করে। তাই নির্বিঘ্নেই চলছে তাদের অবৈধ ডাম্পার গুলো।

এদিকে উখিয়া সদর ও বাণিজ্যিক এলাকা কোট বাজারে শত শত নোহা টিআরএক্স চলছে নামে-বেনামে। উখিয়া সদর ও কোটবাজারে সারিবদ্ধ করে রাখা বেশির ভাগ গাড়ি চলছে মালিক বিহীন। অন্যদের পরিচালনায়।




বেশ কয়েকজন নোহা মালিক নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, নিত্যনতুন নোহা যোগ হচ্ছে সমিতি গুলোতে। কে কখন কিভাবে আনছে কেউ জানেনা। তারা বলেন,উখিয়া- টেকনাফের অধিকাংশ নোহার মালিক ইয়াবা কারবারি। আপনি অনেকের নাম খুঁজলেও পাবেন না। কারন বিভিন্ন নোহা চলছে উড়োনামে। অন্যদের পরিচালনায়। কালো টাকা সাদা করতে ইদানিং আরো নিত্যনতুন নোহা যোগ হচ্ছে সমিতি গুলোতে।


এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে হাইওয়ে পুলিশের অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম বলেন, আমার জানামতে রোহিঙ্গাদের কোন সিএনজি ডাম্পার রোডে চলাচল করছে না। যদি রোহিঙ্গাদের মালিকানাধীন কোন গাড়ি থেকে থাকে সমিতি গুলোর সাথে বসে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে।

Tag
আরও খবর