সোহরাওয়ার্দী কলেজে এশিয়া পোস্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দক্ষতা ও সম্ভাবনা নিয়ে যাত্রা শুরু করলো সোহরাওয়ার্দী কলেজ হিসাববিজ্ঞান অ্যাসোসিয়েশন স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশন গঠন করা হবে: তথ্যমন্ত্রী বেগমগঞ্জে দুর্বৃত্তদের গুলিতে জামায়াত কর্মী আহত, এলাকায় উত্তেজনা চৌমুহনীতে চাঁদা না দেওয়ায় কুলির সর্দ্দারকে ছুুরিকাঘাতে রক্তাক্ত জখম চোরাচালান মামলার আসামিকে স্কুল কমিটির সভাপতি করায় মধ্যনগরে বিতর্ক হাতিয়ায় দুদকের আন্তঃউপজেলা বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত নন্দীগ্রামে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ কার্যক্রম উদ্বোধন কুতু্বদিয়ায় ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন নারী গ্রাম পুলিশ নিয়োগ স্থানীয় সরকারকে আরো জনবান্ধব করবে : মির্জা ফখরুল এবারের ঈদযাত্রা চ্যালেঞ্জিং হবে: সেতুমন্ত্রী অঙ্গরাজ্য নয়, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ আছে বাংলাদেশের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শ্যামনগরে দলিত নারী, কিশোরী ও প্রতিবন্ধীদের মাঝে আর্থিক সহায়তা প্রদান পশ্চিম সুন্দরবনে বাঘের আক্রমনে এক মৌয়াল গুরুতর আহত ঝিনাইগাতীর ধানশাইল ইউনিয়নে দুর্নীতি প্রতিরোধ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত নিরাপদ কর্ম নিশ্চিত করার দাবিতে জয়পুরহাটে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের মানববন্ধন চন্দনাইশে একটি আধুনিক বাস স্টেশন স্থাপনের দাবী দূর্গাপুরে পুকুর থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার ‘যা খেতে মন চায়’ দিবস আজ, যেভাবে এর সূচনা গর্ভের শিশুর লিঙ্গ প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্ট

নিত্যপণ্যের দাম শহর থেকে গ্রামে বেশি কেন?

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 23-10-2023 03:56:23 am

© ফাইল ছবি



◾শেখ আব্দুল্লাহ : নিত্যপণ্য কিনতে দিশেহারা অবস্থা গ্রামের স্বল্প আয়ের খেটে খাওয়া মানুষেরা। শহরকে ছাড়িয়ে গ্রামের হাট-বাজারে চড়ামূল্যে বিক্রি হচ্ছে নিত্যপণ্যের জিনিস। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে শহরেরে চেয়ে গ্রামে নিত্যপণ্যের দাম কম হওয়াটা স্বাভাবিক ছিল। কারণ, গ্রাম থেকে উৎপাদন হয়ে সবকিছু শহরে আসে।


দেশের উৎপাদিত মোট খাদ্যশস্যের ৮৫ শতাংশেরও বেশি গ্রাম থেকে আসে। গ্রাম থেকে শহরে পণ্য পরিবহন খরচের জন্য পণ্যের দাম বেশি পড়ে যায়। ফলে শহরের দাম কিছুটা বেশি হতে পারে; কিন্তু গ্রামে সে হিসাবে কম থাকার কথা।

সরকার গত ১৪ সেপ্টেম্বর নিত্যপণ্য জিনিসের তালিকার প্রথম সারির পণ্যগুলো ডিম, আলু, পেঁয়াজের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিলো। ডিমের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল প্রতি হালি ৪৮ টাকা, আলু ৩৫-৩৬ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৬৪-৬৫ টাকা। কিন্তু এটা বাস্তবায়ন হয়েছে কতটুকু নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।


শহরে নিয়মিত খাদ্য অধিদপ্তরের অভিযান পরিচালনা করার কারণে কিছু কিছু বড় বাজারে কয়েকদিনের জন্য সরকার কর্তৃক আরোপিত নির্ধারিত মূল্যে পণ্য বিক্রি হলেও গ্রামে দৃশ্যটা পুরোপুরি ভিন্ন চিত্র। সরকারি ঘোষণার পরেও একদিনের জন্যও গ্রামে ডিম,আলু, পেঁয়াজের দামে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হয়নি। ডিমের দাম সরকার কর্তৃক হালি প্রতি ৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হলেও গ্রামে বিক্রি হচ্ছে প্রতি হালি ডিম ৫৫-৫৮ টাকা। এরকম নির্ধারিত মূল্য থেকে আলু, পেয়াজ কেজি প্রতি ১৫-২০ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি করছেন ব্যবসায়ীরা।


এছাড়াও গ্রামে সবজির বাজারও লাগামহীন দাম; বর্তমানে বাজারে ৮০-১০০ টাকার কমে কোনো সবজি ক্রয় করা যাচ্ছে না। মাছ মাংস নয়, সবজি কেনাই এখন গ্রামের স্বল্প আয়ের মানুষের কাছে কঠিন হয়ে দাড়িয়েছে। যদিও শহরের সবজির বাজারেও লাগামহীন দাম বেড়েছে। কিন্তু সর্বসাধারণের ভাবনার বিষয় শহরের তুলনায় গ্রামে সবজির দাম কম থাকাটা স্বাভাবিক; গ্রামে সবজির দাম লাগামহীন কেন! তাই এমতাবস্থায় গ্রামের মানুষ দায়ী করছে খাদ্য অধিদপ্তরে মনিটরিং-এর অভাবকে। যদি গ্রামের বড় বড় পাইকারি-খুচরা বাজারগুলোতে নিয়মিত খাদ্য অধিদপ্তর কর্তৃক মনিটরিং করা হতো তাহলে নিত্যপণ্যের দামের ভারসম্য কিছুটা বজায় থাকত।


তাই কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি গ্রামের স্বল্প আয়ের মানুষের জীবনের দুর্ভোগ লাঘব করতে নিত্যপণ্যের দাম শিথিল করার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেন।


◾ শেখ আব্দুল্লাহ

লেখক ও শিক্ষার্থী


আরও খবর







69e2543fa4958-170426093943.webp
নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে মাদক রুখতেই হবে

২৪ দিন ১৫ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে