নাগেশ্বরী উপজেলা প্রশাসন স্কুল এন্ড কলেজের ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল সম্পন্ন অষ্টম শ্রেণি চ্যাম্পিয়ন, সপ্তম শ্রেণি রানার্সআপ চট্টগ্রামে ট্যাংক দুর্ঘটনা পিয়াসের শেষ বিদায়ে কাঁদল মালিপাড়া, বাবাহারা ছোট্ট মেয়ে কালিগঞ্জে কমিউনিটি পুলিশ কাবাডি চ্যাম্পিয়নশিপের দল গঠনে বাছাই প্রতিযোগিতা কালিগঞ্জের নলতায় ইজিবাইক পরিবহন মালিক সমবায় সমিতির কমিটি গঠন ও আলোচনা সভা যশোরে এনসিপির নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন: শহরে আনন্দ মিছিল উলিপুরে পুকুরের পানিতে ডুবে শিশুর মৃত্যু আশাশুনি উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠতি ‎সুন্দরবনের ‘নানা ভাই’ বাহিনীর প্রধানসহ ১২ জনের আত্মসমর্পণ লাখাইয়ে কৃষি কর্মকর্তা সার পৌছে দিচ্ছেন কৃষকের হাতে,ব্যবসায়ীদের উপর রাখছেন কড়া নজরদারি। পাঁচবিবিতে মসজিদের ফ্যান চুরি করতে গিয়ে যুবক আটক ঢাকা শহরকে সিসিটিভির আওতায় আনার প্রকল্প পুনর্গঠন করা হচ্ছে র‍্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি বিল পাশ কৃষিপণ্যে ধলতা বাতিলসহ ১০ দফা দাবিতে গোয়ালন্দে কৃষক সমিতির স্মারকলিপি সান্তাহারে মাদক সেবনকারী এক ব্যক্তিকে জেল-জরিমানা পীরগাছায় বাড়ি নির্মাণে বাঁধা; ন্যায়বিচার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন ঝিনাইগাতীতে নিষিদ্ধ পলিথিন, প্লাস্টিক ওয়ান-টাইম প্লেট ও প্যাকেট জব্দ তজুমদ্দিনে যুবলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার। ঝিনাইগাতীতে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের প্রতিবাদে মানববন্ধন ও সমাবেশ বহুলীবাসীর সুখ-দুঃখে আজীবন পাশে থাকতে চান বিএনপি নেতা এস এম রঞ্জু *কক্সবাজারে অস্ত্র আইনের মামলায় ১৭ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার*

লক্ষ্মীপুর স্বাধীন হয়েছিলো আজকের এই দিনে

বাগবাড়ী বধ্যভূমি। © ফাইল ছবি


আজ ৪ ডিসেম্বর, লক্ষ্মীপুর হানাদার মুক্ত দিবস।১৯৭১ সালে  মহান মুক্তিযুদ্ধে  এই দিনে বীর মুক্তিযোদ্ধারা সর্বাত্মক আক্রমণ চালিয়ে জেলায় অবস্থানকারী পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করেন।এর মধ্য দিয়ে পাকবাহিনী ও রাজাকার-আল বদরদের হত্যা, লুট, আর নির্যাতনের হাত থেকে মুক্তি পায় লক্ষ্মীপুরবাসী। যুদ্ধে পুরো সময়জুড়ে লক্ষ্মীপুর জেলা ছিল ক্ষত-বিক্ষত।



লক্ষ্মীপুরকে পাক হানাদার মুক্ত করতে মুক্তিযোদ্ধারা দীর্ঘ ৯ মাস জেলার বিভিন্ন স্থানে পাক হানাদার বাহিনীর সাথে ১৭ টি সম্মুখ যুদ্ধসহ ২৯টি দুঃসাহসিক অভিযান চালায়। এতে শহীদ হন ১১৪ জন মুক্তিযোদ্ধা এবং  কয়েক হাজার মুক্তিকামী। পাক-হানাদার বাহিনীকে  প্রতিরোধ করতে সর্বপ্রথম মুক্তিযোদ্ধারা লক্ষ্মীপুর জেলা শহরের প্রবেশপথে মাদাম ব্রীজটি ১২/৪/৭১ইং(সূত্র: লক্ষ্মীপুর জেলার ইতিহাস ও ঐতিহ্য বই) তারিখে বোমা বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেয়।সেই ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে আজও ব্রীজের লোহার পিলারগুলো দাঁড়িয়ে আছে স্মৃতি হিসেবে। 




মুক্তিযুদ্ধের ২ নং সেক্টরের আওতাধীন এ জেলায় ৯ মাস ধরে পাক হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা একত্রে জেলার  বিভিন্ন স্থানে অমানবিক তান্ডবলীলা চালায়। হানাদার বাহিনী শহরের আলীয়া মাদ্রাসায় ক্যাম্প স্থাপন করে। সেই ক্যাম্পে বিভিন্ন এলাকা থেকে মুক্তিকামী হাজার হাজার নর-নারীকে ধরে এনে টর্চার সেলে নির্যাতন চালাত এবং নারীদের পাশবিক নির্যাতন শেষে হত্যা করে বাগবাড়ীর গণকবর, মাদাম ব্রিজ এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে গর্তে পুঁতে ফেলত। আবার অনেককেই ফেলে দিত খরস্রোতা পাশে থাকা রহমতখালী খালে।আজও  নারকীয় এসব হত্যাযজ্ঞের নীরব সাক্ষী হয়ে আছে শহরের বাগবাড়ীর গণকবর, মাদাম ব্রিজ, পিয়ারাপুর ব্রিজ ও মজুপুরের কয়েকটি হিন্দু ও মুসলমান বাড়ি।


লক্ষ্মীপুরে সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মাহবুবুল আলম জানান, ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর থেকে প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল হায়দার চৌধুরী এবং সুবেদার আব্দুল মতিনের নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা সাঁড়াশি আক্রমণ চালান হানাদার বাহিনীর বিভিন্ন ক্যাম্পে। অবশেষে ৪ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় হানাদার বাহিনী ও এর দোসররা।


আরও খবর