বাংলাদেশ ভারতে না খেললে বিকল্প দল নেবে আইসিসি, বোর্ডসভায় সিদ্ধান্ত ঝিনাইগাতী সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ ও নবীনবরণ সুনামগঞ্জ–৩ আসনে স্বতন্ত্রসহ ৭ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে সাতক্ষীরায় মিছিল রাজবাড়ীতে প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দদুই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১২ প্রার্থী রাজবাড়ীর পাংশায় ১০ মামলার আসামিসহ তিনজন গ্রেপ্তার আশাশুনি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ রূপান্তরের উদ্যোগে মানব পাচার প্রতিরোধে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে প্রচারাভিযান ‎ সাতক্ষীরায় প্রতীক পেলেন ১৯ জন, একজন স্বতন্ত্র শাকসু নির্বাচন স্থগিতের প্রতিবাদে সুনামগঞ্জে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ সমাবেশ রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে এমপি প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ লালপুরে ইত্তেহাদের উদ্যোগে কম্বল ও শিক্ষা সহায়তা প্রদান শৈলকুপায় রাহেলা-আকবর যুব উন্নয়ন সংঘ ও পাঠাগারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত মোংলায় বিদেশি মদসহ এক নারী গ্রেফতার যশোর-৪: ভোটের মাঠে সাবেক মন্ত্রী নাজিম উদ্দিন আজাদ, ‘মোটরসাইকেল’ প্রতীকে সরব সমর্থকরা শৈলকুপায় ৪ টি ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, ২০ লাখ টাকা জরিমানা আদায় কুষ্টিয়ায় ৪ সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ জয়পুরহাটের দুটি আসনে ৮ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ জয়পুরহাটে খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও বিএনপিতে যোগদান অনুষ্ঠিত যশোরে চূড়ান্ত লড়াইয়ে ৩৫ প্রার্থী: প্রতীক বরাদ্দের সাথে শুরু হলো আনুষ্ঠানিক প্রচারণা

আজ সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধের ১৯৪ বছর

Md Nazmul Hasan ( Contributor )

প্রকাশের সময়: 04-12-2023 04:52:38 am

১৯ শতকের চিতকলায় সতীদাহ প্রথা

ইতিহাস আজীবন কথা বলে। ইতিহাস মানুষকে ভাবায়, তাড়িত করে। প্রতিদিনের উল্লেখযোগ্য ঘটনা কালক্রমে রূপ নেয় ইতিহাসে। সেসব ঘটনাই ইতিহাসে স্থান পায়, যা কিছু ভালো, যা কিছু প্রথম, যা কিছু মানবসভ্যতার আশীর্বাদ-অভিশাপ।


তাই ইতিহাসের দিনপঞ্জি মানুষের কাছে সব সময় গুরুত্ব বহন করে। 


ঠিক তেমনি ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ করা হয়।


সতীদাহ প্রথা ছিল হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো সদ্য বিধবা নারীকে স্বামীর চিতায় সহমরণ বা আত্মাহুতি দিতে বাধ্য করার এক অমানবিক প্রথা। মূলত এই প্রথাটি ছিল সামাজিক ও ধর্মীয় হত্যাকাণ্ড। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির দখল নিতে এবং পারিবারিক মানসম্মান নষ্ট হওয়ার ভয় থেকে মৃত ব্যক্তির আত্মীয়রা সদ্য বিধবা হওয়া নারীকে জোর করে স্বামীর চিতায় পুড়িয়ে মারতেন।


রাজা রামমোহন রায় ১৮১২ সালে সতীদাহবিরোধী সামাজিক আন্দোলন শুরু করেন। ১৮২৮ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক বাংলার গভর্নর হয়ে আসলে রামমোহন রায় তার কাছে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ ঘোষণার জন্য আবেদন করেন। সতীদাহ প্রথা নিয়ে লর্ড বেনটিংক, যিনি সেসময় বাংলার গভর্নর জেনারেল ছিলেন, ৪৯ জন সিনিয়র সামরিক কর্মকর্তা এবং পাঁচজন বিচারকের মতামত নিয়েছিলেন। এরপর তিনি মনস্থির করেন “ভারতে ব্রিটিশ শাসনের ওপর কালিমা লেপনকারী” এই প্রথা বাতিলের সময় এসেছে। ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর সতীদাহ প্রথাকে নিষিদ্ধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে ঘোষণা করে আইন পাস করেন লর্ড বেন্টিঙ্ক।


তার জারী করা আইনে বলা হয় “সতীদাহ হলো মনুষ্য চরিত্রের মৌলিক অনুভূতির চরম বিরুদ্ধ একটি প্রথা” এবং অনেক হিন্দুও এটিকে “বেআইনি এবং জঘন্য” বলে বিবেচনা করেন।


আইনে বলা হয় হিন্দু কোনো বিধবাকে পোড়ানোর জন্য জবরদস্তি করা বা ঐ কাজে সাহায্য অথবা উসকানি দেওয়ার সাথে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে তাকে পরোক্ষ হত্যার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হবে। এমনকি কোনো বিধবা যদি স্বেচ্ছায় সতীদাহ করতেও চায়, তাহলেও সতীদাহের সাথে যে কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা অপরাধ বলে গণ্য করা হবে।


অপরাধীকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার অধিকার দেওয়া হয় আদালতকে।


তবে আইনটি জারির পর, রাজা রামমোহন রায়ের নেতৃত্বে ৩০০ সুপরিচিত হিন্দু সমাজ সংস্কারক লর্ড বেনিটংককে ধন্যবাদ দেন। তাদের বিবৃতির ভাষা ছিল, “সজ্ঞানে নারী হত্যাকারী হিসাবে যে দুর্নাম আমাদের চরিত্রের সাথে জুড়ে গিয়েছিল তা থেকে চিরতরে আমাদের মুক্তি দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।“

আরও খবর

69653b7245fb5-130126122034.webp
যেমন নেতৃত্বের খোঁজে বাংলাদেশ

৮ দিন ২১ ঘন্টা ১৭ মিনিট আগে



694d00923ec37-251225031458.webp
তারেক রহমান; প্রত্যাবর্তনে আশার রাজনীতি

২৭ দিন ৬ ঘন্টা ২৩ মিনিট আগে