স্বামী-স্ত্রী একসঙ্গে জামাতে নামাজ পড়তে পারবে কি? ভয়াবহ পরিস্থিতিতে আছে ২নং উত্তর চরবংশী ইউনিয়ন এসআরবির নতুন মহাপরিচালক হলেন ফারুক আহমেদ ইসলামপুরের নোয়ারপাড়া ইউনিয়নে বিএনপির ত্রি-বার্ষিকী সম্মেলন অনুষ্ঠিত উলিপুরে ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার ধাক্কায় মুদি ব্যবসায়ীর মৃত্যু শ্যামনগর উপজেলা নাগরিক কমিটির ত্রৈমাসিক সভা সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে জিম্মিদশা থেকে ৬ জেলে উদ্ধার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৫ নভেম্বর মোংলা-বাগেরহাটে আসছেন আশাশুনি নওয়াপাড়ায় নদী খননের মাটি অবাধে বিক্রি ★হুমকিতে বাঁধ ও সরকারি সড়ক শেরপুরে পাঁচ দিনব্যাপী বইমেলার উদ্বোধন, থাকছে ১০টি স্টল পীরগাছায় ইউএনওর সঙ্গে নৃ-গোষ্ঠী নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেরপুরে নারীদের অংশগ্রহণে মিনি ম্যারাথন আয়োজনের প্রস্তুতিমূলক সভা জাগরণের আহ্বান- সজিব হোসেন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ লাখ চোখের ছানি অপারেশন ও ১ কোটি চশমা দেবে সরকার: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুবিপ্রবির দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দিবস ও তৃতীয় ব্যাচের ওরিয়েন্টেশন সম্পন্ন পটুয়াখালীর বড়বাইশদিয়া আব্দুল হাকিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হলেন মোঃ জুলহাস মিয়া বছরে ৩৬ লাখ টাকা বেতন-ভাতা, ১৪ শিক্ষকেও পাস করাতে পারেনি ৬ শিক্ষার্থীকে! মানুষের জন্য মানুষ ঝিনাইগাতীতে এসআইএল-এর আয়োজনে শাকসবজি চাষের বিষয়ে ওরিয়েন্টেশন ও বিভিন্ন প্রকার শাকসবজির বীজ বিতরণ বাগরা মদিনাতুল উলূম ইসলামিয়া মাদ্রাসার ১৮তম বার্ষিক ওয়াজ মাহফিল অনুষ্ঠিত

কক্সবাজারে রোহিঙ্গাদের জন্য খাদ্য রেশন ৮ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১০ ডলার করবে ডব্লিউএফপি

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 31-12-2023 04:00:57 pm

জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) আগামীকাল থেকে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য তাদের খাদ্য সহায়তা প্যাকেজে প্রতি মাসে খাদ্য রেশন ৮ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১০ মার্কিন ডলার করবে এবং ধীরে ধীরে এতে স্থানীয় খাবার চাল যোগ করবে। 

আজ একটি ডব্লিউএফপি’র এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ইউনাইটেড নেশনস ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রাম (ডব্লিউএফপি) কক্সবাজারের সকল রোহিঙ্গার জন্য গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য সহায়তার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ডব্লিউএফপি ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে প্রতি মাসে জন প্রতি খাদ্য রেশন ৮ মার্কিন ডলার থেকে বাড়িয়ে ১০ মার্কিন ডলার কররে এবং ধীরে ধীরে তার খাদ্য সহায়তা প্যাকেজে স্থানীয় খাবার চাল অন্তর্ভূক্ত করবে।’

বাংলাদেশে ডব্লিউএফপি’র কান্ট্রি ডিরেক্টর ডম স্কালপেলি বলেন, ‘২০২৩ সাল বাংলাদেশে আশ্রয়রত রোহিঙ্গাদের জন্য একটি উত্তেজনাপূর্ণ একটি বছর ছিল। বছরটি তারা একাধিক অগ্নিকা-, ঘূর্ণিঝড় ও প্রথমবারের মতো রেশন কর্তনের মধ্য দিয়ে অতিবাহিত করেছে। এর ফলে শরণার্থী শিবিরে খাদ্য ও পুষ্টির যোগান হ্রাস পায়-যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর মধ্যেই দাতা সম্প্রদায় রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। দাতাদের এই উদার অবদানের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। আমরা এখন এই খাদ্য সহায়তা বাড়াতে পারি এবং ডব্লিউএফপি’র খাদ্য সহায়তা প্যাকেজে স্থানীয় ও টেকসই খাবার হিসেবে চাল অন্তর্ভূক্ত করতে পারি।’ 

সম্পদের তীব্র হ্রাসের ফলে ২০২৩ সালে রোহিঙ্গাদের খাদ্য রেশন হ্রাস পায়। মার্চ মাসে কক্সবাজার ক্যাম্পের সকল শরণার্থীর জন্য জনপ্রতি খাদ্য রেশন ১২ ডলার থেকে হ্রাস পেয়ে ১০ ডলারে এবং জুন মাসে জনপ্রতি রেশন ৮ ডলারে নেমে আসে। রেশন কাটার আগেও পাঁচ বছরের কম বয়সী ৪০ শতাংশ শিশু দীর্ঘস্থায়ীভাবে অপুষ্টিতে ভুগছিল ও ১২ শতাংশ তীব্রভাবে অপুষ্টিতে ভুগছিল।

এরপর থেকে ডব্লিউএফপি’র পর্যবেক্ষণে শিবিরে শরণার্থীদের খাদ্য গ্রহণ দ্রুত হ্রাস পেতে দেখা গেছে। জুনে ৭৯ শতাংশ পর্যপ্ত খাদ্য পায়নি এবং নভেম্বরের মধ্যে এখানে জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ পর্যাপ্ত খাদ্য গ্রহণ করতে পারেনি। আরও উদ্বেগের বিষয় হল- শিশুদের পুষ্টিকর খাদ্য ও পুষ্টির দ্রুত অবনতি ঘটে। 

ডব্লিউএইও’র জরুরি শ্রেণীবিভাগ অনুসারে, সর্বশেষ পুষ্টি সমীক্ষার প্রাথমিক ফলাফলগুলোতে দেখা যায় যে, বিশ্বব্যাপী তীব্র অপুষ্টি (জিএএম) বেড়েছে ১৫.১ শতাংশ-যা ২০১৭ সালের শুরু হওয়ার পর থেকে সর্বোচ্চ এবং এটা ১৫ শতাংশের জরুরি সীমা ছাড়িয়ে গেছে। 

২০২৩ সালে শরণার্থীরা আবার একাধিক বড় সংকটে পড়ে। এ বছর তারা বারবার ঘূর্ণিঝড়, বর্ষার বন্যা ও ভূমিধসের সম্মুখীন হয়। এছাড়াও শিবিরে ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ও নিরাপত্তাহীনতার পাশাপাশি মানব পাচারের কারণে তাদের দুর্বলতা আরও গভীর হয়েছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত ৩,৪৬৮ রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ নৌকা সফরে গিয়েছে। এদের প্রায় অর্ধেকই নারী ও শিশু। 

রেশন বাড়ানোর পাশাপাশি ডব্লিউএফপি রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য স্থানীয় খাবার চাল বিতরণ শুরু করবে। প্রথমে একটি বা দুটি শিবিরে এ কার্যক্রম শুরু হবে এবং ধীরে ধীরে কক্সবাজার ও ভাসানচর দ্বীপের সমস্ত ক্যাম্পেই তা বিস্তৃত হবে। 

স্কালপেলি আরো বলেন, ‘আমরা ঝুঁকিপূর্ণ স্থানীয় বাংলাদেশীদের সহায়তা করার সময় রোহিঙ্গাদের প্রতি সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ রয়েছি। এই বাংলাদেশীরা এত বছর ধরে এত উদারভাবে রোহিঙ্গাদের আতিথেয়তা করেছে। 

আমাদের সমস্ত দাতাদের প্রতি তাদের অটল সমর্থন ও সহায়তা প্রদানের জন্য আমরা অশেষ কৃতজ্ঞ। ২০২৪ সালে রোহিঙ্গাদের পর্যাপ্ত ও পুষ্টিকর রেশন সরবরাহ নিয়ে আরও এগিয়ে যেতে আমরা তাদের উপর নির্ভর করছি।’

আরও খবর