পূর্বপুরুষের স্মৃতি জড়িয়ে থাকা শতবর্ষী কবরস্থান রক্ষায় লোহাগাড়ায় মানববন্ধন, খামারকান্দিতে অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ, ফলজ গাছের চারা বিতরণ ও ঝাঝর খালে মাছের পোনা অবমুক্ত ‎সুন্দরবন রক্ষায় সবাইকে দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ পরিবেশ প্রতিমন্ত্রীর ‎ জাবিপ্রবিতে ছাত্রশিবিরের নতুন কমিটি: সভাপতি মামুনুর রশীদ, সেক্রেটারি ফাহাদ স্বনির্ভর ও প্রযুক্তিনির্ভর দেশ গড়ার প্রত্যয় প্রধানমন্ত্রীর লোহাগাড়ায় ২ হাজার ইয়াবাসহ দুই পাচারকারী আটক লোহাগাড়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন পথচারী বকশীগঞ্জ থানার সাবেক ওসি আসলাম হোসেনের বিরুদ্ধে রিমান্ডে নির্যাতনের অভিযোগ : ওসির দাবি, 'ওটা তদন্ত কর্মকর্তার বিষয়' মিরসরাইয়ে ‘শেষ বিদায়ের বন্ধু’র নবনির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা ও দায়িত্ব হস্তান্তর হতদরিদ্র পরিবারের মাথা গোঁজার ঠাঁই সংস্কারে সহায়তার হাত বাড়ালেন বিএনপি নেতা ফজলুল মুরাদ সাংবাদিক ও পরিবেশকর্মী বাচ্চুর ওপর হাতুড়িপেটা,আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি পাকা রাস্তা না থাকায় চরম ভোগান্তিতে বদলা পাড়াবাসী পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতির সুযোগ-সুবিধা নিয়ে কী আছে আইনে দেশে সব ধর্মাবলম্বী সমান অধিকার ভোগ করেন : তথ্যমন্ত্রী চৌদ্দগ্রামের সুফিয়ান রায়হান এনসিপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল রাণীশিমুল ইউপি নির্বাচনে জনসংযোগে ব্যস্ত সম্ভাব্য প্রার্থী রুকুনুজ্জামান লাখো ৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির শূন্য পদে ভোট, দ্রুতই তফসিল ঘোষণার প্রস্তুতি ইসির পলাশে কবরস্থানের উপর দিয়ে জোরপূর্বক রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ 'বিদ্রোহী প্রার্থী হলে আজীবন বহিষ্কার'—পীরগাছায় এমপি রেজেকা সুলতানা ফেন্সির কঠোর হুঁশিয়ারি

দ্রুতবিচার আইন স্থায়ী করতে সংসদে বিল উত্থাপন

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 01-03-2024 01:14:15 pm

দ্রুতবিচার আইন স্থায়ী করতে জাতীয় সংসদে বিল তোলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত ‘আইনশৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার) (সংশোধন) বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের অনুপস্থিতিতে তাঁর পক্ষে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বিলটি সংসদে তুললে তা পরীক্ষা করে দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠানো হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনের আইন প্রণয়ন কার্যাবলি চলাকালে বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে বিরোধী দলীয় চিপ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, ২০০২ সালে বিএনপি যখন আইনটি করে তখন আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে এবং সব দলের পক্ষ থেকে এই আইনের সমালোচনা করা হয়েছিল। দ্রুতবিচার আইন নাম কোর্টে কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে মামলা শেষ হয় খুব কম। সিআরপিসি মামলা যেভাবে চলে সেভাবেই চলে। শুধু গ্রেপ্তারের বেলায় আইনটা মনে করা হয়। এই আইনটা দিয়ে সরকার যদি ইনটেনশন থাকে সাধারণ মানুষ বা প্রতিপক্ষকে হেনন্তা করার সুযোগ আছে। আপনি আজকে ক্ষমতায় আছেন কালকে ক্ষমতায় যদি অন্য কেউ আসে এই আইনের মাধ্যমে আপনারাই হ্যারাসড (হয়রানি) হবেন। তাই অনুরোধ করব আইনটি স্থায়ী করবেন না। প্রত্যাহার করেন, প্রয়োজনে এক দুই বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ান। আপনারা ভুগবেন, মানুষ ভুগবে। জবাবে আইনমন্ত্রী বলেন, জনগণের ওপর অত্যাচার করার জন্য আইন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে। যখন এটা করা হয়েছিল আমরা বিরোধিতা করেছিলাম। আমি বলতে চাই, যখন এই আইন ২০০২ সালে পাস করা হয় তখন এর উদ্দেশ্য ছিল আওয়ামী লীগ এবং অন্যান্য বিএনপিবিরোধী যেসব দল ছিল তাদের অত্যাচার করার জন্য। কিন্তু প্রশ্নকর্তা যদি দেখেন গত ১৫ বছরে এই আইনের প্রয়োগ যেভাবে হয়েছে সেখানে কিন্তু তার বক্তব্য সেটা সঠিক নয়। দ্বিতীয় কথা, এই আইনটা দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষার জন্য প্রয়োজন। এই আইন থাকার কারণে অনেক রকম বিশৃঙ্খলা গত ১৫ বছরে হয়নি। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত এই আইন শুধু রাজনৈতিক দল ও রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর ব্যবহার করা হয়েছে। কিন্তু ২০০৯ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত রাজনৈতিক কর্মী বা নেতৃবৃন্দের জন্য এ আইন ব্যবহার করা হয়নি। অনেক রকম সহিংসতা, বিশৃঙ্খলা এই আইন প্রতিহত করেছে। এ কারণেই এই আইনটি স্থায়ী করা উচিত। ২০০২ সালে প্রথম এই আইনটি করা হয়েছিল দুই বছরের জন্য। এরপর ৭ দফা এই আইনের মেয়াদ বাড়ানো হয়। সর্বশেষ ২০১৯ সালে আইনটি সংশোধন করে মেয়াদ বাড়ানো হয়। আগামী ৯ এপ্রিল এই আইনের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। এর মধ্যে আইনটির মেয়াদ না বাড়িয়ে তা স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। গত ২৯ জানুয়ারি মন্ত্রিসভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর বৃহস্পতিবার এ সংক্রান্ত বিল সংসদে তোলা হলো। বিলে আইনটি স্থায়ী করা ছাড়া অন্য কোনো সংশোধনী প্রস্তাব করা হয়নি। অর্থাৎ আইনটির বিদ্যমান ধারা এখনকার মতোই থাকবে। বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সংবলিত বিবৃতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা পালনের উদ্দেশ্যে চাঁদাবাজি, যানবাহন চলাকালে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, যানবাহনের ক্ষতিসাধন, স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি বিনষ্ট করা, ছিনতাই, দস্যুতা, ত্রাস ও অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টি, দরপত্র ক্রয়, বিক্রয়, গ্রহণ বা দাখিলে জোরপূর্বক বাধা প্রদান যা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ভয়-ভীতি প্রদর্শন ইত্যাদি গুরুতর অপরাধের দ্রুতবিচার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অধিকতর উন্নতির লক্ষ্যে আইনশৃঙ্খলা বিঘœকারী অপরাধ (দ্রুতবিচার) আইন, ২০০২ প্রণয়ন ও জারি করা হয়েছিল। আইনটি প্রণয়নের সময় এর মেয়াদ ছিল ২ বছর। পরবর্তীতে প্রয়োজনীয়তার নিরিখে ক্রমান্বয়ে ৭ বার এর মেয়াদ বৃদ্ধি করে সর্বশেষ ১০ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে ১৭ বছর থেকে ২২ বছর বৃদ্ধি করা হয়। যার মেয়াদ ৯ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে শেষ হবে। দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও অধিকতর উন্নতির জন্য এই আইনটি মেয়াদান্তে পুনঃ পুনঃ সময় বৃদ্ধি না করে স্থায়ীভাবে আইনে পরিণত করা প্রয়োজন।

আরও খবর







6a63756f1a9c0-240726082343.webp
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন

১ দিন ৮ ঘন্টা ৪৫ মিনিট আগে