আদমদীঘি উপজেলা আওয়ামীলীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক মকলেছার রহমান (৬২) এর গলায় দড়ির ফাঁস দেয়া লাশ উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ। সে আদমদীঘি উপজেলার নসরতপুর ইউপির বিনাহালি গ্রামের মৃত ইসমাইল মন্ডলের ছেলে ও অবসরপ্রাপ্ত মাদরাসা শিক্ষক। আজ সোমবার (৬ মে) দুপুর ১টায় আদমদীঘি সদরে একটি ভাড়া বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মকলেছার রহমান আদমদীঘির চাটখইর মাদরাসার সহকারি শিক্ষক হিসাবে সম্প্রতি অবসর গ্রহন করেন। তার ১ম স্ত্রী ও ২ কন্যা সন্তান থাকা অবস্থায় প্রায় ৬ বছর আগে একই প্রতিষ্ঠানের সহকারি শিক্ষিকা আফরোজা বেগমকে দ্বিতীয় বিয়ে করে। পারিবারিক কারনে তিনি ২য় স্ত্রীসহ আদমদীঘি সদরের চেয়রম্যান বাড়ি পাড়ার জনৈক ময়নুল হকের ৩য় তলার ফ্লাটে ভাড়া বাসায় থাকতেন। সে বেশ কিছুদিন যাবত পারিবারিক কারনে শারীরিক ও মানসিক ভাবে অসুস্থ ছিলেন। গতকাল সোমবার সকাল সাড়ে ৭টায় ভাড়া বাসায় মকলেছার রহমানকে রেখে তার ২য় স্ত্রী আফরোজা বেগম চাটখইর মাদরাসায় শিক্ষকতা করতে যান। নি:সন্তান ২য় স্ত্রী আফরোজা বেগম জানায়, দুপুরে তার স্বামীকে ঔষধ খাবার জন্য বার বার মোবাইলে ফোন দিলেও রিসিপ হয়না। পাশের ফ্লাটে ফোন দিয়ে জানেন ঘরের দরজা বন্ধ ডাকাডাকি করেও কোন সাড়া মিলেনি। পরে আফরোজা বেগম বিদ্যালয় থেকে ভাড়া বাসায় এসে পরশিদের নিয়ে দরজা ধাক্কা দিয়ে খুলে দেখেন শয়ন কক্ষের সিলিং ফ্যানের সাথে গলায় দড়ির ফাঁস দিয়ে ঝুলিয়ে রয়েছে। দ্রুত নামানোর পর দেখেন মকলেছার রহমান মারা গেছে। ১ম স্ত্রী রওশন আরা বেগম এ ঘটনায় কোন মন্তব্য করেননি। বিকেল ৩টায় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরন করেন।
ওসি রাজেশ কুমার চক্রবর্তী জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি ইউডি মামলা হয়েছে।