বগুড়ার আদমদীঘির ছাতিয়ানগ্রাম থেকে অপহৃত কলেজ ছাত্রীকে ৪ মাস পর উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় মুল অপহরণকারি মোঃ মোমিন নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত মোমিন আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের জাহিদুল ইসলাম বাচ্চুর ছেলে। গত সোমবার (১০ জুন) বিকেলে বগুড়া সদর উপজেলার শিমুলিয়া মন্ডরপাড়ার একটি বাড়ি থেকে ভিকটিমকে উদ্ধার ও অপহরণকারিকে গ্রেফতার করা হয়। গতকাল মঙ্গলবার (১১ জুন) দুপুরে ভিকটিমকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানাযায়, আদমদীঘি উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনপাড়ার ওই ছাত্রী ১০ম শ্রেনিতে থাকা কালে ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর মো: মোমিনসহ তার সহযোগীরা জোড়পুর্বক সিএনজিতে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় মোমিনসহ তার সহযোগিদের বিরুদ্ধে একটি অপহরণ মামলা হয়। উদ্ধার হওয়া ছাত্রীটি নওগাঁ পলিটেকনিক্যাল কলেজে পড়াশুনা করে। এদিকে এই অপহরণ মামলার আসামী মোমিনসহ তার সহযোগিরা জামিনে মুক্ত থাকা কালে গত ২০ জানুয়ারী বিকেলে পূর্বের অপহরণ মামলার আসামী মোমিনসহ তার সহযোগিরা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আদমদীঘির ছাতিয়ানগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনপাড়ায় ভিকটিমের বাবার বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের সকলকে অস্ত্রের মুখে ভয়ভীতি ও জিম্মি করে ওই কলেজ ছাত্রীকে আবারো জোড়পুর্বক অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আদমদীঘি থানায় উপজেলার ছাতিয়ানগ্রামের মো: মোমিন, রবিউল ইসলাম, বাবর ও নওগাঁর প্রিতমের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে আরো একটি অপহরণের মামলা দায়ের করা হয়। ছাত্রীকে অপহরণ করে মোমিন তাকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়ায়। এদিকে মামলার তদন্তকারি থানার উপ পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম গোপন সংবাদের ভিক্তিতে অপহরণের চার মাস ২০ দিন পর গত সোমবার ১০জুন বিকেলে বগুড়া সদরের শিমুলিয়া মন্ডলপাড়ার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অপহৃত ছাত্রীকে উদ্ধার ও মুল অপহরণকারি মো: মোমিনকে গ্রেফতার করেন। আদমদীঘি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাজেশ কুমার চক্রবর্তী বলেন, গত মঙ্গলবার দুপুরে অপহরণ মামলার মূল আসামী মোমিনকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
৩ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে