সেনবাগে ফুটপাত দখল ও অবৈধ স্ট্যান্ডে বিপর্যস্ত জনজীবন লোহাগাড়ায় প্রবাসী মোহাম্মদ আলমগীরের ইন্তেকাল, শোকের ছায়া এলাকায় খুলনার কয়রায় জমি বিরোধে রক্তক্ষয়ী সহিংসতায় নিহত ১ টাঙ্গাইলে দুই গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষ নিহত ১ অনুপ্রবেশ আশঙ্কায় সতর্ক সীমান্তরক্ষী বাহিনী ঈশ্বরগঞ্জের আনোয়ারুল হক জেলার শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত লাখাইয়ে মন্দিরে অপবিত্র মল ও শশ্মানে ভাংচুর, আতংকিত হিন্দু সমাজ । কলারোয়ায় বাল্যবিবাহ, মাদকদ্রব্য, ইভটিজিং ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধ বিষয়ে আলোচনা সাতক্ষীরায় র‍্যাবের অভিযানে এনজিওর ৮ লক্ষাধিক টাকা আত্মসাৎকারী গ্রেফতার শ্রীমঙ্গলে জাম্বুরাছড়ার বেহাল সড়ক সংস্কার ও পাকা করণের দাবিতে মানববন্ধন লাখাইয়ের বাজারে কলমিশাক নিয়ে বিরুধের জেরে সংঘর্ষে আহত_৩। বাঘায় পৌর প্রকৌশলী বিরুদ্ধে ঘুষ দাবির অভিযোগ শান্তিগঞ্জে পিএফজি-ওয়াইপিজি'র ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত ‎হোসেনপুরে জেলা প্রশাসকের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ঈশ্বরগঞ্জে দুটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারকে সীলগালা যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক হলেন নূরে আলম সিদ্দিকী সোহাগ ঝিনাইগাতীতে মাদক সেবনের দায়ে যুবকের কারাদণ্ড, অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা ইউএনওর ঝিনাইগাতীতে অবৈধ বালু পাচার ঠেকাতে গিয়ে হামলার শিকার দুই বনকর্মী ঘাটাইলে নিখোঁজের চারদিন খাল থেকে বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার ‎সুন্দরবনে কোস্ট গার্ডের সফল অভিযান: অস্ত্র ও গুলিসহ আটক কুখ্যাত বনদস্যু বাহিনীর সদস্য

বিএনপি নেতাদের মুখে দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বড্ড বেমানান : কাদের

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 24-06-2024 09:11:24 am


সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেছেন,‘বিএনপি নেতাদের মুখে দেশের স্বার্থ নিয়ে কথা বড্ড বেমানান। তাদের নেত্রী খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ভারত সফরে গিয়ে গঙ্গার পানি চুক্তির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে ভুলে গিয়েছিল। অথচ জননেত্রী শেখ হাসিনা সরকার পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেই ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি সম্পন্ন করেন। এবারের সফরে এই চুক্তি নবায়নের বিষয়টিও উঠে এসেছে। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সামরিক স্বৈরাচার জিয়াউর রহমানের আমলে ভারত দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ দখল করে নিয়েছিল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে দুই দেশের সীমানা জটিলতা নিরসনে সীমান্ত ও ছিটমহল বিনিময় চুক্তি সম্পন্ন হয়েছে।’


২৪ জুন, সোমবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।


বিএনপির সমালোচনার জবাবে কদের বলেন, ‘বিএনপি ও মির্জা ফখরুলরা কখনো বর্তমান সরকারের কোনো প্রকার সফলতা দেখে না। ভারত বাংলাদেশের বৃহৎ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। বাংলাদেশের স্বার্থে ভারতের সঙ্গে কৌশলগতভাবে সম্পর্ককে জোরদার করতে হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনা এই সফরে তারই প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।’


ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপির শাসনামলে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা ও অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয়েছিল। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এই আস্থা পুনরায় ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছেন। যার ফলে বাংলাদেশি রোগীদের অন্য ভারতের ই-মেডিকেল ভিসা চালুর সিদ্ধান্তে দুই দেশ একমত হয়েছে। এতে বাংলাদেশের জনগণের ভোগান্তি কমবে। এছাড়া নতুন নতুন রুটে বাস-ট্রেন চালু এবং নতুন উপ-হাইকমিশন খোলার ঘোষণা দুই দেশের মানুষে-মানুষের সম্পর্ককে আরও জোরদার করবে।’


আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘তিস্তায় পানিবণ্টন ছিল এই সফরের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তিস্তার পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের কেন্দ্র সরকার ও রাজ্য সরকারের মধ্যে মতদ্বৈততা রয়েছে। এই সমস্যা থাকার পরও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সুস্পষ্টভাবে তিস্তার পানি সংরক্ষণ প্রকল্প বিষয়ে কারিগরি সহায়তা দল পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছেন।’


প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবারের ভারত সফর অত্যন্ত চমৎকার ও ফলপ্রসূ হয়েছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, এবারের সফরে বাংলাদেশের অর্জন অনেক। তিনি জানান, এই সফরে ১০টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।


ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সফল রাষ্ট্রনায়ক বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা সর্বদা দেশ ও জনগণের মর্যাদা ও স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে সরকার পরিচালনা করেন। রাষ্ট্র পরিচালনায় অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্র যেকোনো নীতিতে তার প্রধান বিবেচ্য দেশের জনগণের স্বার্থ ও নিরাপত্তা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফরও এর ব্যতিক্রম নয়।’


সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর ছিল অত্যন্ত চমৎকার, ফলপ্রসূ ও আন্তরিকতাপূর্ণ। এই সফরে দুই দেশের সম্পর্কের অগ্রগতি ও অর্জনগুলো স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে। যেখানে ১০টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং ১৩টি সুনির্দিষ্ট ঘোষণা এসেছে।’


মন্ত্রী বলেন, ‘পাশাপাশি ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরিসরে আইনি লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে বিএনপির সময় ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের সহায়তা দিতে দশ ট্রাক অস্ত্র চোরাচালানের ঘটনা ঘটেছিল এবং ভারতীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীকে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করার সুযোগ দেওয়ায় দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্কে অনাস্থা দেখা দিয়েছিল। বিএনপি ক্ষমতায় থাকার সময় ভারত থেকে বাংলাদেশে পুশব্যাকের মতো ঘটনা ঘটেছিল। পরিতাপের বিষয় যে, তারাই বাংলাদেশে ভারত বর্জন ও ভারতবিদ্বেষী রাজনৈতিক তৎপরতা চালাচ্ছে। এটা তাদের চিরাচরিত দ্বিচারিতা ছাড়া আর কিছু নয়।’


আওয়ামী লীগের এই মুখপাত্র বলেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরে তার সুযোগ্য কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনাই একমাত্র সরকার প্রধান যিনি যেকোনো দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক দর কষাকষি করে বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদাপূর্ণ স্বার্থ সুরক্ষিত করেছেন।’


বিবৃতিতে ওবায়দুল কাদের ভারতসহ অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে বিরাজমান অমীমাংসিত দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলোর শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরও খবর