নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলার চরবাটা ইউনিয়নে বাবা-মাকে মারধর করে বাহিরে আটক রেখে মেয়েকে (১৪) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এসময় ধর্ষণকারীরা ওই বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট চালিয়েছে।
পরে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ ফোন দিলে চরজব্বার থানার পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।
গতকাল রোববার রাত ১১টার দিকে উপজেলার পশ্চিম চর মজিদ এলাকার আশ্রয়ণ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী ও তার মা বাবাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ভুক্তভোগীরা জানায়, স্থানীয় হোসেন বাহিনীর ২০-২৫জন সন্ত্রাসী রাত আনুমানিক ১১টার দিকে তাদের বসত বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে এবং লুটপাট চালায়।
এসময় গৃহকর্তা ও তার স্ত্রীকে ঘর থেকে বাহির করে বেদম মারধর করে। এক পর্যায়ে ঘরে থাকা তার মেয়েকে ৩ জন ধরে রাখে এবং ২ জন পালাক্রমে তাকে ধর্ষণ করে।
রাতে ধর্ষিতা কিশোরী আত্মহত্যা করারও চেষ্টা করে। পরে ৯৯৯ ফোন দিলে চরজব্বার থানার পুলিশ গিয়ে ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে।
ধর্ষিতাসহ তার বাবা-মাকে প্রথমে সুবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো হয়।
সোমবার (৭ নভেম্বর) সকালে ভিকটিমের মেডিকেল পরীক্ষার জন্য ওই কিশোরীকে ২৫০ শয্যা নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে আনা হয়।
নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক সৈয়দ মহি উদ্দিন আবদুল আজিম জানায়, ভিকটিম কিশোরীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।
ওসির দায়িত্বে থাকা চরজব্বার থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদিন জানায়, রাতে অভিযোগ পাওয়ার পরপরেই পুলিশ ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।
এ ঘটনায় নারীও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।