দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বিশ্ববাজারে তেলের দামে পতন ইত্যাদি এবার প্রকৃতি ও প্রত্নতত্ত্বের জেলা নরসিংদীতে- প্রচার ৫ জুন শুক্রবার শান্তিগঞ্জে শোকের ছায়া, কুরিয়ার ভ্যান কেড়ে নিল শিশুর জীবন বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল অলিম্পিয়াডে প্রথম হলেন পবিপ্রবির রত্না রানি শ্যামনগরের স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবককে স্বাস্থ্য বিষয়ক উপকরণ বিতরণ ‎মায়ের লাশে অবহেলা: মোংলা পোর্টের পদ হারালেন বিতর্কিত যুগ্ম সচিব আনিসুর রহমান বেনাপোলে এনসিপি নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর গাড়ি বহরে হামলা, আহত ৪ টিকিট কেটেও দেশে ফেরা হলো না প্রবাসী ফরহাদের ​নিউইয়র্কে ক্যান্সারের সঙ্গে এক বছর লড়ে নোয়াখালীর প্রবাসীর মৃত্যু, চিকিৎসায় ব্যয় ৩০ কোটি টাকা ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স কর্তৃক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন ও মুরগির বাচ্চা বিতরণ যশোর প্রেসক্লাবে সদস্যপদ নিয়ে চরম ক্ষোভ: ৭ দিনের আল্টিমেটাম সাংবাদিক ইউনিয়নের নেপালকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ ঈদে গজনী ও মধুটিলায় পর্যটকদের ঢল, প্রকৃতির টানে মুখর গারো পাহাড়, জমজমাট দুই পর্যটন কেন্দ্র কয়রায় চলাচলের পথকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনায় থানায় মামলা অসহ্য গরম থেকে বাঁচতে যা করবেন রায়পুরে ইয়াবাসহ বিএনপি নেতা শামীম গ্রেপ্তার কালিন্দী নদী পেরোতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ দুইজন সাতকানিয়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে বৃদ্ধার মর্মান্তিক মৃত্যু জননেতা আসহাব উদ্দীন চৌধুরীর মমতাময়ী মায়ের মৃত্যুতে ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর গভীর শোক প্রকাশ সাতক্ষীরার সীমান্তে ভারতীয় বিএসএফের গুলিতে দুই বাংলাদেশী আহত

পলিথিন ব্যাবহার বন্ধে জোরদার করতে হবে

সম্পাদকীয় ডেস্ক - প্রতিনিধি

প্রকাশের সময়: 21-01-2025 12:26:54 pm

◾মো. রবিন ইসলাম || পরিবেশই হলো প্রাণের ধারক ও বাহক।পরিবেশের ওপর নির্ভর করে মানুষ, উদ্ভিদ ও প্রাণীর উদ্ভব ও বিকাশ ঘটে।প্রতিটি জীবই বাঁচার জন্য নিজ নিজ পরিবেশ থেকে প্রয়োজনীয়।উপকরণ সংগ্রহ করে।যদি সে পরিবেশ কোন কারণে দূষিত হয়ে ওঠে,তবে তা প্রাণীর অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ। অথচ আমাদের চারপাশের পরিবেশ প্রতিনিয়ত দূষিত হচ্ছে।এই পরিবেশ দূষণের যেসব উপাদান রয়েছে তারমধ্যে অন্যতম পলিথিন। 


পলিথিন প্রকৃত সৃষ্ট কোন পদার্থ নয়।এটি রাসায়নিক পদার্থ। পলিথিন বিষাক্ত প্রোপাইলিনের সঙ্গে পেট্রোলিয়াম হাইড্রো কার্বনের ৩/৪ মলিকুল সংমিশ্রণে তৈরি হয়।বিঙানের পরিভাষায় এর নাম পলিথাইলিন।পলিথিন অন্যান দ্রব্যের মতো পচনশীল নয়।এটা কে কোন অনুজীব মাইক্রোন অর্গানিজম খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে না।যদি পলিথিন ভেঙে গিয়ে মিথেন বা কার্বন ডাই-অক্সাইডে পরিণত হতো তাহলে কোন সমস্যাই ছিলো না।পলিথিন রুপান্তরিত হয়না বলে এটি পচে না।


আজ থেকে প্রায় কুড়ি বছর আগে যে পলিথিনের যাত্রা শুরু হয়েছিল তা আজ এতো ব্যপক আকারে ধারণ করেছে যে গোটা দেশটাই যেন পলিথিনে ছেঁয়া গেছে।এমন কোন জায়গায় নেই যেখানে এর ব্যবহার নেই।বর্তমান এমন অবস্থায় দাড়িয়েছে যে, যদি কেু বাজারে খালি হাতে যায় ফিরার পথে দশ বারোটা পলিথিন হাতে নিয়ে বাসায় ফিরে।দামে সস্তা ও রঙিন পলিথিন সহজেই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে।বিক্রেতারাও সহজেই জিনিসপত্রের সাথে দিয়ে দেয়।সাধারণত শপিং ব্যাগ হিসাবে বেশি ব্যবহার হয়।কিন্তু দুঃখ জনক হলো এর বহুল অপব্যবহার হচ্ছে। ক্ষতিকারক এ পদার্থ সম্পর্কে আমাদের তেমন ধারনা না থাকায় আমরা প্রতিনিয়ত এটি ব্যবহার করছি।বাজার থেকে বাজার নিয়ে৷ গিয়ে পলিথিন গুলো ডাস্টবিনে অথবা বাড়ির আশাপাশে ফেলে রেখে আমরা ভেজাল মুক্ত হয়ে যায়।কম দাম হওয়ার কারনে এর অপব্যবহার হচ্ছে এবং পরিবেশের জন্য হুমকি দিন দিন বেড়েই চলছে।


পলিথিন রাসায়নিক পদার্থ হওয়ায় পরিবেশের জন্য এটি মোটেও উপযোগী নয়।পলিথিনের ব্যাপক ক্ষতি কারক দিক রয়েছে। কিছু ক্ষতিকারক দিক তুলে ধরা হলো-

১.প্রথমত এটি রাসায়নিক উপাদানে তৈরি বিধায় এটি স্বাস্থ্যসম্মত নয়।

২.পলিথিনের সাথে বিষফোল নামে বিষ নির্গত হয় যার কারনে এটি দিয়ে পরিবহন করা বাজার, বিষাক্ত হয়ে যায় এবং এ খাদ্য দ্রব্য গ্রহনে বিষক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে।

৩.এটি পচনশীল নয় বিধায় এটি মাটির সঙ্গে মিশে যায়না।ফলে মাটির উর্বর শক্তি বিনষ্ট হয়।

৪.পলিথিন ড্রেনে পড়লে তা পানি যাতায়াতের পথ বন্ধ করে দেয়। যার কারনে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়।

৫.পলিব্যাগ পোড়ালে বায়ুদূষণ হয়।

এছাড়া আরও অনেক ক্ষতিকারক দিক রয়েছে রাসায়নিক এ পদার্থের।

পলিথিন নিষিদ্ধের বিষয় অনেক বার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলেও তা কখনো বাস্তবায়ন হয়নি।পলিথিন নিষিদ্ধের জন্য শুধু পদক্ষেপ নিলেই হবেনা বাড়াতে হবে অভিযান।সেই সাথে নাগরিকদের হকে হবে সচেতন। বিভিন্ন সচেতন মূলক আলোচনা করে জনগণ কে সচেতন করতে হবে ক্ষতিকারক এ পদার্থ সম্পর্কে। সেই সাথে পলিথিনের ক্ষতিকারক দিক গুলো বেশি বেশি প্রচার করে জনসচেতনতা সৃষ্টি জরুরি। তবেই বাংলাদেশ পলিথিনমুক্ত হবে এবং দেশটা সবার বসবাসের উপযোগী হবে।


লেখক: মো. রবিন ইসলাম

শিক্ষার্থী,বাংলা বিভাগ

ঢাকা কলেজ, ঢাকা


আরও খবর