◾ মুফতি আবু দারদা
বিপদ-আপদে মানুষের পাশে দাঁড়ানো অশেষ সওয়াবের কাজ। দরিদ্র-অসহায় মানুষের কষ্ট লাঘব করার উদ্যোগ নেওয়া ইসলামের মহান শিক্ষা। শীতকালে আমাদের দেশের অনেক অসহায় মানুষ শীতের তীব্রতায় উষ্ণ কাপড়ের অভাবে কষ্টে দিন যাপন করে। তাদের কষ্ট দূর করার উদ্যোগ নেওয়া এবং তাদের হাতে শীতের কাপড় পৌঁছে দেওয়া ইসলামের দৃষ্টিতে অনেক বড় সওয়াবের কাজ। হাদিসে এ ব্যাপারে অনেক ফজিলতের কথা বিবৃত হয়েছে।
মহানবী (সা.) বলেন, ‘যে মুসলমান কোনো পোশাকের অভাবে থাকা কোনো মুসলমানকে পোশাক দেবে, আল্লাহ তাকে জান্নাতে সবুজ রঙের পোশাক পরাবেন। খাবার দান করলে তাকে জান্নাতের ফল খাওয়াবেন, পানি পান করালে জান্নাতের শরবত পান করাবেন।’ (আবু দাউদ) অন্য হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘কোনো মুসলমান অপর মুসলমানকে কাপড় দান করলে যতক্ষণ ওই কাপড়ের টুকরো তার কাছে থাকবে, ততক্ষণ পর্যন্ত দানকারী আল্লাহর হেফাজতে থাকবে।’ (তিরমিজি)
মানুষের প্রয়োজন পূরণে এগিয়ে আসা বড় পুণ্যের কাজ। হাশরের ময়দানের কঠিন সময়ে তা বড় কাজে আসবে। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি মুমিনের দুনিয়াবি সমস্যাগুলোর একটি সমাধান করে দেয়, আল্লাহ তার আখিরাতের সংকটগুলোর একটি মোচন করবেন। যে ব্যক্তি কোনো অভাবগ্রস্তের অভাব মোচনে সাহায্য করবে, আল্লাহও তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে স্বাচ্ছন্দ্য দান করবেন। (মুসলিম)
মানুষের প্রতি দয়া করা আল্লাহর দয়া লাভের মাধ্যম। যেমন হাদিসে মহানবী (সা.) বলেন, ‘আল্লাহ তাআলা দয়ালুদের প্রতি দয়া করেন। তোমরা জমিনে যারা বসবাস করছে, তাদের প্রতি দয়া করো, তাহলে যিনি আসমানে আছেন, তিনি তোমাদের প্রতি দয়া করবেন।’ (আবি দাউদ)
আর অভাবী মানুষকে দান করলে আল্লাহ তাআলা কয়েকগুণ বাড়িয়ে প্রতিদান দেন। পবিত্র কোরআনে এরশাদ হচ্ছে, ‘যারা নিজেদের কষ্টার্জিত সম্পদ আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করে, আল্লাহর কাছে তাদের প্রাপ্য কত বেশি জানো? তাদের প্রাপ্যের উপমা হলো একটি শিষ—যার থেকে সাতটি শিষ হলো, প্রতিটি শিষ থেকে আবার শত শস্য উৎপন্ন হলো; কোনো কোনো শিষে আল্লাহ চাইলে আরও বেশি শস্য দান করেন। আসলে আল্লাহ যাকে দেন, হিসাব ছাড়া দেন। তিনি মহাজ্ঞানী।’ (সুরা বাকারা: ২৬১)
৪ দিন ৫ ঘন্টা ৫২ মিনিট আগে
৪ দিন ২২ ঘন্টা ৫৩ মিনিট আগে
৫ দিন ৫৪ মিনিট আগে
৫ দিন ১০ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
৬ দিন ৮ ঘন্টা ১৬ মিনিট আগে
৬ দিন ২২ ঘন্টা ৪৯ মিনিট আগে
৭ দিন ২০ ঘন্টা ৩৭ মিনিট আগে
১২ দিন ২০ ঘন্টা ৫৬ মিনিট আগে