◾ মুফতি খালিদ কাসেমি
মহানবী (সা.) ফরজ নামাজের পর তাহাজ্জুদ নামাজের প্রতি সবচেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করেছেন। ফরজ নামাজের পর সবচেয়ে তাৎপর্যবহ ও ফজিলতপূর্ণ নামাজ তাহাজ্জুদ। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, নবী (সা.) বলেন, ‘ফরজ নামাজের পর সর্বোত্তম নামাজ হলো রাতের নামাজ।’ (মুসলিম)
তাহাজ্জুদ নামাজ আদায়ের জন্য রাতে ঘুম থেকে জাগতে হয়। ফলে অন্য নামাজ অপেক্ষা এই নামাজে কষ্ট বেশি হয়। এই কষ্ট সহ্য করে তাহাজ্জুদ আদায় করলে প্রবৃত্তিকে দমন করা সহজ হয়। আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেন, ‘নিশ্চয় ইবাদতের জন্য রাতে জাগা এমন, যা কঠিনভাবে প্রবৃত্তি দলন করে এবং যা (নিভৃতে) কথা বলার উত্তম সময়।’ (সুরা মুজজাম্মিল: ৬)
দীর্ঘ সময় ধরে প্রিয় নবী (সা.) তাহাজ্জুদ পড়তেন। এতে তাঁর পা মোবারক ফুলে যেত। আয়েশা (রা.) বলেন, ‘আল্লাহর নবী (সা.) রাতে এত বেশি নামাজ আদায় করতেন যে তাঁর পা ফেটে যেত।’ আয়েশা (রা.) মহানবী (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছিলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আল্লাহ তাআলা তো আপনার আগের ও পরের সব ত্রুটি ক্ষমা করে দিয়েছেন, তবু কেন আপনি এসব করছেন?’ তিনি বললেন, ‘আমি কি আল্লাহর কৃতজ্ঞ বান্দা হওয়া পছন্দ করব না?’ (বুখারি) এ হাদিস থেকে তাহাজ্জুদের গুরুত্ব অনুধাবন করা যায়।
মহানবী (সা.) নিজে অধিক পরিমাণে কিয়ামুল লাইল করতেন। তাহাজ্জুদের সময়ে পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে দিতেন এবং সাহাবিদেরও এই নামাজের প্রতি বিশেষ গুরুত্বারোপ করতেন। হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, নবী (সা.) বললেন, ‘তোমরা অবশ্যই রাতের ইবাদত করবে। কেননা এটি তোমাদের পূর্ববর্তী সৎকর্মশীলদের অভ্যাস, আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের উপায়, গুনাহসমূহের কাফফারা এবং পাপকর্মের প্রতিবন্ধক।’ (তিরমিজি)
৪ দিন ৫ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৪ দিন ২২ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
৫ দিন ৫৬ মিনিট আগে
৫ দিন ১০ ঘন্টা ৩১ মিনিট আগে
৬ দিন ৮ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৬ দিন ২২ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৭ দিন ২০ ঘন্টা ৩৯ মিনিট আগে
১২ দিন ২০ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে