বাস ভাড়া বাড়ানোর প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের মূলপর্ব শুরু আজ আজ বিশ্ব গন্ডার দিবস ১৯৮ কিলোমিটার বেগে ধেয়ে আসছে সুপার টাইফুন বিশ্ববাজারেও বাড়ল তেলের দাম নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‎মোংলা বন্দর ব্যবহারে পোশাক রপ্তানি সম্প্রসারণে বিকেএমইএ ও বন্দর কর্তৃপক্ষের উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত বৈঠক ‎ ‎বহু প্রার্থীর ভিড়ে সততার ব্যাকগ্রাউন্ড: বহুলীতে কেন লাইমলাইটে এস. এম. রঞ্জু নাগেশ্বরীতে বিএনপির ৭ দিনের কর্মসূচি শুরু: প্রথম দিনে বিশাল বিক্ষোভ ও সমাবেশ কুলিয়ারচরের ইউএনও ইয়াসিন খন্দকারের সাংবাদিকদের সাথে বিদায়ী চা-চক্র অনুষ্ঠিত শ্রীমঙ্গলে সনাক-ইয়েস-এসিজি’র অভিজ্ঞতা বিনিময়: দুর্নীতিবাজদের সামাজিকভাবে বয়কটের আহ্বান কারিতাস সীডস কর্মসূচির এমএলই শিক্ষকদের শিখন সহভাগিতা পরিদর্শন আশাশুনি প্রেসক্লাবের ভবন নির্মাণে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে ---রবিউল বাশার এমপি রংপুর কারমাইকেল কলেজে নজরুল বর্ষ উদযাপন জয়পুরহাটের রায়কালীতে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন কাজী নাজমুছ সাদাত এডাব-নোয়াখালীতে ৩ দিনব্যাপী আর্থিক ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস উপলক্ষে র‍্যালি-মানববন্ধন বালিয়াডাঙ্গীতে মিড ডে মিলের দুধ পানে ৫০ শিক্ষার্থী অসুস্থ, হাসপাতালে ভর্তি সাতক্ষীরায় শ্যামনগরে এমপি গাজী নজরুলের ফাঁসির দাবিতে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত ঈশ্বরগঞ্জে আন্তর্জাতিক শান্তি দিবস পালিত

‎খাগড়াছড়িতে প্রবল বৃষ্টিতে জলবদ্ধতা, ভোগান্তিতে প্রায় ৬০০ পরিবার

খাগড়াছড়িতে ভোররাতে প্রবল বৃষ্টি আর পাহাড়ি ঢলে ভোররাত থেকেই চেঙ্গী নদীর পানি অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে। অল্প সময়ের মধ্যে পানি উপচে পড়ে জেলা সদরসহ আশপাশের নিচু এলাকায় সৃষ্টি হয় জলাবদ্ধতার। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় হাজারেরও বেশি পরিবার। হঠাৎ বন্যার কবলে পড়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন খাগড়াছড়ি পৌর এলাকার সাধারণ মানুষ।

‎সকালের দিকে চেঙ্গী নদীর পানি ঢুকে পড়ে সদর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ গঞ্জপাড়া, বটতলি পাড়া, রাজ্যমনি পাড়া, মেহেদীবাগ, মুসলিম পাড়া, শব্দমিয়া পাড়া ও কালাডেবাসহ একাধিক এলাকায়। হঠাৎ পানির তোড়ে অনেকের ঘরবাড়ি তলিয়ে যায়, ডুবে যায় চলাচলের রাস্তা। বেলা ১১টা পর্যন্ত পানি বেড়ে গেলেও দুপুরের পর থেকে ধীরগতিতে নামতে শুরু করে। তবে তপ্ত রোদেও নদীর পানি ঘরে ঢুকে পড়ায় অবাক হয়েছে অনেক পরিবার।


‎স্থানীয়রা জানান, হঠাৎ বন্যায় তারা প্রস্তুতির সুযোগ পাননি। ফলে পানিবন্দি থেকে দুর্ভোগে পড়েছেন শিশুসহ বৃদ্ধরা। অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হয়েছেন।


‎এদিকে বন্যার পানিতে ডুবে গেছে অনেক ফসলি জমি। আমন মৌসুমের ধান পানির নিচে ডুবে যাওয়ায় কৃষকদের চোখে-মুখে হতাশা। তারা জানান, বছরের একমাত্র ফসল নষ্ট হলে পরিবার চালানোই কষ্টকর হয়ে পড়বে।


‎খাগড়াছড়ির পৌর প্রশাসক নাজমুন আরা সুলতানা জানান, আকস্মিক বন্যায় পৌর এলাকায় শত শত পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকে ঘরবাড়ি হারিয়েছেন, আবার অনেকের ফসলি জমি তলিয়ে গেছে। তিনি বলেন, ‘বন্যা যেহেতু আকস্মিকভাবে হয়েছে, জেলা শহরে বৃষ্টি না থাকলেও উজানের পানিতে নিম্নাঞ্চল তলিয়ে গেছে। আমরা খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাইকিং করে লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে যাওয়ার অনুরোধ জানিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করে পরবর্তীতে সহযোগিতার ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’


‎জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার জানান, পানিবন্দি পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে এবং শুকনা খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন।


‎তিনি আরও জানান, নিম্নাঞ্চলে পানিবন্দি পরিবারগুলোকে আশ্রয়কেন্দ্রের ব্যবস্থা করেছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুকনা খাবার বিতরণ চলছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের তালিকা করা হচ্ছে এবং পরবর্তীতে সহযোগিতা দেওয়া হবে।

Tag
আরও খবর