আসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর-৪ (বাঘারপাড়া, অভয়নগর ও বসুন্দিয়া) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় উঠে এসেছেন সাবেক ছাত্রনেতা ও সাংবাদিক খাজা মেহেদী শিকদার। "জুলাই বিপ্লবে" সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং রাজপথে সাহসী ভূমিকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে নিজ এলাকা ও রাজনৈতিক মহলে ইতিবাচক পরিচিতি পেয়েছেন।তরুণ এই নেতা জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর বাংলামটরে পুলিশি হামলা ও ছাত্রলীগের আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন। পুলিশের গুলিতে আহত হওয়া সত্ত্বেও তিনি আন্দোলন থেকে পিছিয়ে আসেননি।দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত থাকা এই নেতা কর্মজীবনেও আন্দোলন-সংগ্রামে নিজেকে সর্বদা সরব রেখেছেন। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, স্বৈরাচারী শাসনের অবসানে তিনি গোপনে বা প্রকাশ্যে সবসময় রাজপথে ছিলেন, যদিও ব্যক্তিগতভাবে তা নিয়ে ঢোল পেটাতে পছন্দ করেন না।
পেশায় একজন সিনিয়র রিপোর্টার হিসেবে খাজা মেহেদী শিকদার দৈনিক রূপালী বাংলাদেশ-এ ক্রাইম ও বিএনপি বিটে কাজ করছেন। তিনি নিজেকে সাবেক ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও, ব্যক্তিগতভাবে সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপিকে পছন্দ করেন। তার সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা তাকে সাধারণ মানুষের সমস্যাগুলো গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করেছে, যা তাকে একজন প্রার্থী হিসেবে আরও বেশি গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে।খাজা মেহেদী শিকদার শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি শিক্ষা, স্বাস্থ্য, যুব উন্নয়ন, ক্রীড়া ও সংস্কৃতিমূলক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয়। স্থানীয়রা মনে করেন, এমন তরুণ ও জনবান্ধব নেতৃত্ব তাদের এলাকার জন্য অপরিহার্য। যদিও যশোর-৪ আসনে অন্য দলের একজন তরুণ নেতার মনোনয়নের সম্ভাবনা নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে, স্থানীয় জনগণ খাজা মেহেদী শিকদারকে একজন ভালো মানুষ ও নেতা হিসেবে চেনেন।স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে তিনি ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন। ঢাকা ও নিজ এলাকার ভোটারদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করে তিনি তাদের সুবিধা-অসুবিধা সম্পর্কে খোঁজ নিচ্ছেন। তিনি বলেন, "আমি মানুষের সেবায় বিশ্বাস করি। যদি ভোটাররা আমাকে সুযোগ দেন, আমি বাঘারপাড়া, বসুন্দিয়া ও অভয়নগরকে উন্নয়নের মডেল হিসেবে গড়ে তুলব।"
১ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
১ ঘন্টা ২২ মিনিট আগে
১ দিন ৯ মিনিট আগে
১ দিন ৩৬ মিনিট আগে
১ দিন ১ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
১ দিন ৩ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে
১ দিন ৩ ঘন্টা ৪৮ মিনিট আগে
১ দিন ২২ ঘন্টা ৪৬ মিনিট আগে