বিনিয়োগ-বান্ধব অর্থনীতির লক্ষ্যে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি : মির্জা ফখরুল ঈশ্বরগঞ্জে পুষ্পসজ্জিত গাড়িতে প্রধান শিক্ষকের বিদায় অভয়নগরে প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের অ্যাসিসটিভ ডিভাইস বিতরণ জিম্বাবুয়ের কাছে আড়াই দিনেই বাংলাদেশের ইনিংস ব্যবধানে হার আশাশুনিতে মৎস্য বিভাগের প্রদর্শণী পুকুরের উপকরণ বিতরণ অনলাইন জুয়া ও বেটিংয়ে কঠোর শাস্তির বিধানসহ সংসদে আইন পাস লাখাইয়ের মসজিদের মাইকে মৃ/ত্যুর ঘোষণা, দা"ফনের প্রস্তুতি, হঠাৎ চোখ খুঁললেন বৃদ্ধা। কুলিয়ারচর পৌরসভার ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা নোয়াখালীতে থাই জুয়ার আসর থেকে গ্রেপ্তার ৬ শ্রেণি কক্ষে শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানি,শিক্ষকের গলায় জুতার মালা শান্তিগঞ্জের চিকারকান্দিতে পাকা রাস্তা, স্বস্তি শতাধিক পরিবারের খামেনির জানাজায় যোগ দিতে তেহরান যাচ্ছেন স্পিকার ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাওয়ার্ড পেল তা'মীরুল মিল্লাত টঙ্গী বালিকা ক্যাম্পাসের ৬ ছাত্রী ‎হোয়াইট ফ্লাইয়ের আগ্রাসনে বিলুপ্তির পথে বাগেরহাটের ঐতিহ্যবাহী নারিকেল তেল শিল্প যশোরে এসএসসি শিক্ষার্থী শাম্মী হত্যার বিচার দাবিতে শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন টাইব্রেকার রোমাঞ্চে নেদারল্যান্ডসকে হারিয়ে শেষ ১৬-তে মরক্কো মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড জয়পুরহাটে চোরাই মোটরসাইকেলসহ আন্তঃজেলা চোর চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার কচুয়ায় আলোচিত ফাতেমা বেগম হত্যার ৬ ঘন্টার মধ্যে খুনী গ্রেফতার

শ্রীমঙ্গলের অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নির্মিত হয়নি শহীদ মিনার

ভাষা আন্দোলনের ৭৪ বছর পেরিয়ে গেলেও মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলারগোপালবাড়ি অধিকাংশ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজও নির্মিত হয়নি কোনো স্থায়ী শহীদ মিনার। ফলে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছে হাজার হাজার শিক্ষার্থী। সচেতন মহলের আশঙ্কা, শিক্ষা জীবনেই শ্রদ্ধা নিবেদনের সুযোগ না পেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভাষা আন্দোলনের চেতনা ও দেশপ্রেম থেকে বিমুখ হতে পারে। মৌলভীবাজার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ১ হাজার ৫১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে ৪৪৮টিতে শহিদ মিনার থাকলেও ৬০৩টি বিদ্যালয়ে স্থায়ী শহিদ মিনার নেই। একই চিত্র জেলার মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে শহীদ মিনার না থাকায় ভাষা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে বঞ্চিত হচ্ছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে যদি বাধাগ্রস্ত হয় তাহলে আগামী প্রজন্ম শহীদদের সম্মান করতে ভুলে যাবে, যা ভাষা শহীদদের জন্য অসম্মানজনক বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার এসব প্রতিষ্ঠানে ২১ ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এতে ভাষা আন্দোলনের চেতনা শিক্ষার্থীদের মাঝে যথাযথভাবে তুলে ধরতে প্রতিবন্ধকতা তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল। শিক্ষার্থীরা আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের স্কুলে শহীদ মিনার না থাকায় একুশে ফেব্রুয়ারিতে আমরা ফুল দিয়ে শহীদদের শ্রদ্ধা জানাতে পারি না। আমাদের দাবি, প্রতিটি স্কুলে যেন দ্রুত শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। স্থানীয়রা জানান, শহিদ মিনার না থাকায় অনেক বিদ্যালয়ে কলাগাছ, বাঁশ ও কাগজ দিয়ে প্রতীকী মিনার নির্মাণ করে ফুল দিয়ে ভাষা শহিদদের স্মরণ করা হয়। আবার কিছু শিক্ষার্থী অন্য প্রতিষ্ঠানের শহিদ মিনারে গিয়ে শ্রদ্ধা জানান। শিক্ষক ও অভিভাবকদের দাবি, ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও চেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে সঠিকভাবে পৌঁছে দিতে দ্রুত সব বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নির্মাণ করা হোক। বাংলাদেশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির শ্রীমঙ্গল উপজেলা সভাপতি কল্যাণ দেব জীবন বলেন, শহিদ মিনার শুধু একটি স্থাপনা নয়, এটি আমাদের আত্মপরিচয়ের প্রতীক। শিক্ষার্থীরা যদি নিজ বিদ্যালয়েই শহিদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানাতে পারে, তাহলে তাদের মধ্যে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও চেতনা আরও গভীরভাবে গড়ে উঠবে। এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সফিউল আলম বলেন, জেলার প্রায় অধিকাংশ বিদ্যালয়ে স্থায়ী শহিদ মিনার নেই। এ বিষয়ে নতুন সরকারের কাছে প্রতিটি বিদ্যালয়ে শহিদ মিনার নির্মাণ তৈরির প্রস্তাব পাঠানে হবে।
Tag
আরও খবর