দৌলতদিয়া ঘাটে স্বস্তির ঈদযাত্রা, ভোগান্তি ছাড়াই পারাপার করছেন ঘরমুখো মানুষ
দৌলতদিয়া ঘাটে স্বস্তির ঈদযাত্রা, ভোগান্তি ছাড়াই পারাপার করছেন ঘরমুখো মানুষ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ বাড়লেও রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে এবার দেখা যাচ্ছে স্বস্তির চিত্র। অতীতের মতো দীর্ঘ যানজট বা ভোগান্তি ছাড়াই নির্বিঘ্নে পারাপার করছেন যাত্রী ও যানবাহন।
বুধবার (১৮ মার্চ) সকাল থেকে ঘাট এলাকায় যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেলেও পরিস্থিতি ছিল সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ফেরি ও লঞ্চ চলাচলের কারণে কোথাও সৃষ্টি হয়নি যানজট বা দীর্ঘ অপেক্ষা।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট শাখার ব্যবস্থাপক মো. সালাহউদ্দিন জানান, “সকাল থেকেই যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বাড়ছে। তবে কোনো ধরনের ভোগান্তি নেই। বর্তমানে এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে, যার মাধ্যমে দ্রুত পারাপার নিশ্চিত করা হচ্ছে।”
ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও সক্রিয় রয়েছে। নৌপুলিশ ফরিদপুর অঞ্চলের সহকারী পুলিশ সুপার মো. সাজিদ হোসেন বলেন, “যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে নৌপুলিশসহ সংশ্লিষ্ট সব সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। নদীপথ ও ঘাট এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।”
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনজুর মোরশেদ জানান, ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মোবাইল পেট্রল, স্থায়ী চেকপোস্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ফিক্সড পেট্রল জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি ডিবি পুলিশও ঘাট এলাকায় দায়িত্ব পালন করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পাটুরিয়া থেকে আসা প্রতিটি ফেরি ও লঞ্চে যাত্রী ও যানবাহনের চাপ থাকলেও তা স্বাভাবিক গতিতেই পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ব্যক্তিগত গাড়ি ও মোটরসাইকেলের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
যাত্রীরা জানান, কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই তারা দ্রুত ঘাট পার হতে পারছেন এবং অতিরিক্ত ভাড়াও গুনতে হচ্ছে না, যা তাদের স্বস্তি বাড়িয়েছে।
এদিকে, ঘাট এলাকায় সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন, ফলে ঈদযাত্রা ঘিরে যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।