মোংলা প্রতিনিধিঃ
বাংলাদেশের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন-এর অভয়ারণ্য এলাকায় বন বিভাগের কঠোর নজরদারির ফলে অপরাধ প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে। নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করায় অসাধু চক্রের তৎপরতা অনেকটাই স্তিমিত হয়ে পড়েছে।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, অভয়ারণ্য এলাকায় প্রবেশে বাধা পাওয়ায় এক শ্রেণীর স্বার্থান্বেষী মহল বন বিভাগের বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের হয়রানির চেষ্টা করছে। সম্প্রতি কিছু পত্রিকায় বন বিভাগের সহায়তায় অভয়ারণ্যে মাছ শিকার চলছে বলে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে, তা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্র আরও জানায়, একটি প্রভাবশালী মহল দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ এলাকায় মাছ ও কাঁকড়া ধরার জন্য চাপ সৃষ্টি করে আসছিল। কিন্তু বন বিভাগ কঠোর অবস্থানে থাকায় তারা সেখানে প্রবেশ করতে ব্যর্থ হয়। এ কারণে বন বিভাগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ ছড়ানো হচ্ছে।
নীলকমল বিশেষ টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল ইসলাম জানান, তার দায়িত্বাধীন এলাকায় যাতে কোনো অসাধু জেলে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য নিয়মিত টহল জোরদার করা হয়েছে। ইতোমধ্যে অভয়ারণ্যে প্রবেশের দায়ে বেশ কয়েকজন জেলেকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, সুন্দরবন খুলনা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মোঃ শরিফুল ইসলাম বলেন, অভয়ারণ্য এলাকায় অবৈধভাবে মাছ ও কাঁকড়া শিকার বন্ধে বন বিভাগের স্মার্ট টিম ও বিশেষ টিমের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
৬ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ১ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ৪১ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ৫৫ মিনিট আগে
১১ ঘন্টা ৫৯ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ২৯ মিনিট আগে
১২ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে