ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মহোৎসবের আনুষ্ঠানিক বাঁশি বাজার এখনো বাকি, অথচ তার আগেই বিশ্বমঞ্চের তীব্র উত্তাপ ও উন্মাদনা এসে লেগেছে গ্রামীণ জনপদে। ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার পূর্বমুহূর্তেই দেশের প্রতিটি প্রান্তের মতো ধুপখালী গ্রামেও শুরু হয়ে গেছে এক অভূতপূর্ব জাগরণ। প্রিয় দল আর্জেন্টিনাকে আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে দেখার স্বপ্নে খেলা শুরু হওয়ার আগে থেকেই বিভোর এই গ্রামের ফুটবলপ্রেমীরা। মাঠের লড়াই শুরুর পূর্বেই ধুপখালী গ্রামের আলবিসেলেস্তে সমর্থকদের মধ্যে এক অন্যরকম উদ্দীপনা ও বাঁধভাঙা উল্লাস দেখা যাচ্ছে।খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিশ্বকাপ মাঠে গড়ানোর বেশ আগে থেকেই ধুপখালী গ্রামের আর্জেন্টিনা সমর্থক গোষ্ঠীর আয়োজনে শুরু হয়েছে উৎসবের প্রস্তুতি।
বিশেষ করে শাকিব, হযরত আলী, আশিক হাসান, শাফিউল্লাহ হাসান, তামিম হোসেন, মুহাইমিন হোসেন, আখের আলী, বাদল হোসেন ও জিহাদদের মতো একনিষ্ঠ ভক্তদের নেতৃত্বে পুরো গ্রাম যেন এখনই এক নীল-সাদা উৎসবে রূপ নিয়েছে। খেলা শুরু হওয়ার আগেই আর্জেন্টিনা দলের সমর্থনে বিশাল ব্যানার তৈরি, দেওয়ালে দেওয়ালে রঙ-বেরঙের চুনকাম এবং তোরণ নির্মাণের ধুম পড়েছে। প্রিয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়ে এবং আর্জেন্টিনার বিশাল ব্যানার হাতে নিয়ে ভক্তদের এই আগাম মিছিল ও আনন্দ-উল্লাস পুরো গ্রামের আবহাওয়া বদলে দিয়েছে।
এখন থেকেই গ্রামের মাঠ-ঘাট থেকে শুরু করে চায়ের দোকান—সবখানেই একমাত্র প্রধান আলোচনা, এবারও কি বিশ্বসেরার মুকুট ধরে রাখতে পারবে আর্জেন্টিনা? খেলা শুরু হওয়ার আগেই ভক্তদের মনে এই দৃঢ় বিশ্বাস জন্মেছে যে, লিওনেল মেসির দেখানো পথ ধরে এবারও আলবিসেলেস্তেরা বিশ্বমঞ্চে বাজিমাত করবে। আর্জেন্টিনা ভক্তদের এই উন্মাদনা শুধু ম্যাচ দেখার প্রতীক্ষাতেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং খেলা শুরুর আগে থেকেই তারা রঙিন র্যালির মাধ্যমে পুরো ধুপখালী গ্রামকে এক সুতোয় গেঁথেছেন।
সমর্থকদের একাংশ অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে জানান, "আর্জেন্টিনা আমাদের কাছে শুধু একটি ফুটবল দল নয়, এটি একটি বিশুদ্ধ আবেগ। খেলা শুরু হতে আরও কিছুদিন বাকি থাকলেও আমাদের উত্তেজনা এখনই তুঙ্গে। গত বিশ্বকাপের শিরোপা জয়ের পর আমাদের প্রত্যাশা এবার আরও আকাশচুম্বী। ধুপখালী গ্রামের এই ফুটবল উৎসব ও উল্লাস টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ থেকে শুরু করে ফাইনাল পর্যন্ত আরও জমকালোভাবে অব্যাহত থাকবে।"
বিশ্বকাপের মূল লড়াই শুরু হওয়ার আগেই ধুপখালী গ্রামের তরুণ ও যুবসমাজের এই বাধভাঙা আনন্দ-উচ্ছ্বাস এবং প্রীতি গ্রামীণ জনপদের মানুষের মাঝে এক দারুণ সম্প্রীতির বন্ধন তৈরি করেছে। ফুটবলপ্রেমের এমন নান্দনিক ও আগাম রূপ সত্যিই প্রশংসনীয়। এখন দেখার বিষয়, খেলা শুরু হওয়ার আগেই কোটি ভক্তের বুকে যে ভালোবাসার জোয়ার জেগেছে, তার প্রতিদান দিয়ে আর্জেন্টিনা আবারও বিশ্বসেরার ট্রফি নিজেদের করে নিতে পারে কি না।
২ ঘন্টা ২৫ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪৪ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৫১ মিনিট আগে
৩ ঘন্টা ১৯ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ১১ মিনিট আগে