হাবিবুর রহমান, চিলমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রামের চিলমারীতে 'ছেলের হুকুমে ছেলের বউ ও নাতির' হাতে "বাবা ও মেয়ে" আহতের অভিযোগ উঠেছেন। জানাগেছে, উপজেলার থানাহাট ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের বজরা তবকপুর (মুন্সির গ্রামের) মোজাফফর মাষ্টারের মেয়ে, নদী ভাঙার কারণে তার বাবার বাড়ীতে আসেন। এবং মেয়েকে "ঘর বানানোর" জন্য জমি দেন তার বাবা। এই জমিতে ঘর বানানো কে কেন্দ্র করে "ছেলের বউ ও নাতির হাতে বাবা ও মেয়ে ও এলাকাবাসীকে" আহতের অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে ভুক্তভুগি মর্জিনা বেগম মুক্তি বলেন, কয়েক বার নদী ভাঙার কারণে আমার ঘরবাড়ী সব নদীতে চলি যায়। তখন আমি বাবার বাড়িতে আসি ও বাবার জমিতে ঘরবাড়ী বানাই, এই নিয়ে আমার সাথে (ভাই,ভাবি ও ভাতিজার) দন্ধ চলছে। গতকাল সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে আমার ভাইয়ের হুকুমে ভাইবউ (মহেছেনা) ও তার ছেলে (হাসান) লাঠি দিয়ে আমাকে আঘাত করেন। পরে এলাকাবাসী আমাকে হাসপাতালে নিয়ে আসে এবং মাথায় ৩টা সেলাই দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, আমার বাবা বাধা দিতে গেলে তাকেও আলমের ছেলে মাহিন মিয়া (নাতী) পায়ে কাটের বাতি দিয়ে আঘাত করেন। এ বিষয়ে মোজাফফর মাষ্টার বলেন, আমার জমিতে তারা বাড়ী করে থাকেন এবং তার বউ ও ছেলেরা আমার মেয়েকে ও আমাকে আঘাত করেছেন। আমি এর সঠিক বিচার চাই বলে জানান তিনি। ভুক্তভোগীর বোন সুরাইয়া বেগম বলেন, আমার বোন ৩বার নদী ভাঙার কারণে বাবা বাড়িতে নিয়ে আসেন, তার সেবা যত্ন করার জন্য। এই কারণে ২ভাই (রমজান আলী ও রবিউল আলম) ও ভাবিদের সাথে প্রায় সময় ঝগড়া লেগে থাকে। যার কারণে আমরা ৫বোন বাবার বাড়ী যাইতে পারি না। তাদের হুকুমে বউ ও বাচ্চারা আমাদের মাইর/ধর করেন এবং বাড়ী থেকে বের করে দেয়। গতকাল বোন (মর্জিনা বেগম মুক্তি) বাবার বাড়িতে গেলে ভাইদের হুকুমে, আমার বোনকে মাইর ধর করেন। আমি তাকে বাঁচতে গেলে ভাইবউ (হাসিনা) ও বাচ্চা (হাসান) আমাকে লাঠি ও পাইপ নিয়ে বাম হাতে মাইর দেন বলে জানান তিনি। এ ব্যাপারে এলাকাবাসী মোর্শেদা বেগম, মর্জিনা বেগম, আজিজল ও রবিউল ইসলাম বলেন, মেয়েকে জমি দেওয়ার কারণে, মোজাফফর মাষ্টারকে আলমের ছেলে (মধু) ও আলমের বউ (মহেছেনা) কাটের বাতি দিয়ে, মাষ্টারের পায়ে মারেন এবং আমাকেও হাতে মাইর দেয় এবং মর্জিনা বেগম মুক্তির মাথায় কাটের বাতি দিয়ে মাইর দিয়ে মাথা ফাটে দেয় বলে জানান। এলাকাবাসীরা আরও বলেন, রবিউল আলমের বউ ও তার ছেলে এবং রমজান আলীর বউ ও তার ছেলেরা মিলে যে ঘটনা টি ঘটিয়েছেন। এটা মোটেও তারা ঠিক করেনি বলে জানান তারা। এ ঘটনাকে নিয়ে এলাকাবাসীর মাঝে সমালোচনার ঝড় বইছে এবং এলাকাবাসীরা তাদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি দাবী করেন।
২ ঘন্টা ২৮ মিনিট আগে
২ ঘন্টা ৪০ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ১৫ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ১৮ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৩৮ মিনিট আগে
৪ ঘন্টা ৫৮ মিনিট আগে
৫ ঘন্টা ১ মিনিট আগে