লাখাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে মাথা ন্যাড়া করে প্রশাসনে হস্তক্ষেপ।
লাখাইয়ে ধর্ষণের অভিযোগে যুবককে মাথা ন্যাড়া করে প্রশাসনে হস্তক্ষেপ,জনমনে ক্ষোভ।
লাখাইয়ে একের পর এক নৃশংসতার শিকার হচ্ছে শিশুরা। কখনো ধর্ষণ, কখনো ধর্ষণের পর বীভৎস হত্যার শিকার হচ্ছে তারা। সম্পত্তি নিয়ে বিরোধ বা পারিবারিক কোন্দল, বিকৃত বা ঘৃণ্য লালসাসহ নানা কারণে মর্মান্তিক পরিণতি ঘটছে তাদের।উল্লেখ্য,
বুধবার (২৪শে জনু)লাখাই উপজেলার ভাদিকারা গ্রামে ১২ বছর বয়সী এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে সুমন মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্তকে আটক করে তার মাথা ন্যাড়া করে দেন। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে নিজেদের হেফাজতে নেয়।
গ্রেপ্তার হওয়া সুমন মিয়া ভাদিকারা গ্রামের জিতু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের মতে, রোববার (২১ জুন) দিবাগত রাত একটার দিকে ভাদিকারা গুচ্ছগ্রামের ওই তরুণীকে ধর্ষণ করেন সুমন।তরুণী পরে বিষয়টি তার পরিবারকে জানায়। তরুণীর দাবি, এর আগেও সুমন তাকে একবার ধর্ষণ করেছিলেন। বুধবার (২৪ জুন) সকাল ৭ টার দিকে গ্রামবাসী সুমনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাকে ধরে আনেন। জিজ্ঞাসাবাদে সুমন অপরাধ স্বীকার করলে উত্তেজিত জনতা কিছু উত্তম মাধ্যম দিয়ে তার মাথা ন্যাড়া করে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে।
সচেতন মহলের দাবী , নারী ও শিশুদের ওপর সহিংসতা বাড়ছে, যা সামাজিক নিরাপত্তাহীনতা ও বিচারহীনতার সংকটকে আরও প্রকট করে তুলছে। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির অভাব, সামাজিক অস্থিরতা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিকৃত নানা চর্চা ও নৈতিক শিক্ষার অভাবে বারবার নৃশংসতার শিকার হচ্ছে শিশুরা। এ বিষয়ে রাষ্ট্রকে শিশুদের প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হতে হবে। পাশাপাশি পরিবারগুলোকে হতে হবে আরও বেশি সচেতন।
এ ব্যাপারে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শরীফ আহমেদ বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। দ্রুতই তাকে আদালতে পাঠানো হবে