মধুপুরে ব্যক্তিক্রমী আয়োজনে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের মাঝে প্রয়াসের স্পেশাল চাইল্ড ডে উদযাপন সামাজিক অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া নিয়ে সেনবাগের ওসি প্রত্যাহার, তদন্ত শুরু নোয়াখালী লায়ন্স ক্লাব সিটির উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন কর্মসূচী! শ্যামনগরে গ্রীণ ক্লাইমেট অ্যাকশন নেটওয়ার্ক গঠন মধুপুর নৃত্যাঙ্গন সংস্থার ৩০জন শিক্ষার্থীদের এটিএন বাংলায় মনোমুগ্ধকর নৃত্য পরিবেশনা "মানবতার আহবান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ৩য় ধাপে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি" নিয়ামতপুরে ৫০০ গ্রাম গাঁজাসহ একজন আটক অসহায়দের জন্য বরাদ্দ সেলাই মেশিন পেলেন ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী তানজিদা আক্তার তন্নি চন্দনাইশে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটের মাঠে প্রস্তুত প্রার্থীরা বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন চলে গেলেন না ফেরার দেশে ইসলামপুরে আন্তঃজেলা অটোরিকশা চোর চক্রের ২ সদস্য গ্রেপ্তার লাখাইয়ে মেইন সড়কে যত্রতত্র দাঁড় করে রাখা সিএনজি-টমটম, দুর্ভোগ চরমে। দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের ব্রেইল হিফজ থেকে গৃহহীনদের আবাসন, মানবসেবায় অনন্য দৃষ্টান্ত 'নাজাত ইসলামী মারকাজ' ‎যান্ত্রিক ত্রুটি কাটিয়ে উৎপাদনে ফিরেছে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট শৈলকুপায় ওপেন হাউজ ডে ও সুধী সমাবেশ পীরগাছায় সরকারি সড়কের তালগাছ কাটার অভিযোগ, প্রতিবাদে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা পুলিশই জনতা, জনতাই পুলিশ" "অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে অংশ নিন" শ্লোগানে শৈলকুপা ওপেন হাউজ ডে ও সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত দূর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে শৈলকুপায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও ভক্তদের নিরাপত্তা বিষয়ক মতবিনিময় সভা শ্যামনগরে সুন্দরবন সুরক্ষার অঙ্গীকার দোহাজারীতে ট্রেনের ধাক্কায় নিহত ২, আহত ২

জাবিপ্রবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দিয়ে ব্যানার ছেঁড়ার অভিযোগ, ছাত্রশিবিরের অভিনব প্রতিবাদ



জামালপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে নবীন শিক্ষার্থীদের স্বাগত জানিয়ে টাঙানো শুভেচ্ছা ব্যানার ‘কৌশলে’ বাস দিয়ে ছিঁড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে অভিনব এক পন্থা বেছে নিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ছিঁড়ে যাওয়া ব্যানারের স্থানে নতুন একটি প্রতীকী ব্যানার টাঙিয়েছে সংগঠনটি, যা ক্যাম্পাসে সবার নজর কাড়ছে।


জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনের প্রধান সড়কের পাশের গাছে নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ব্যানার টাঙিয়েছিল শাখা ছাত্রশিবির। সংগঠনটির অভিযোগ, সাধারণত ওই রাস্তা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস চলাচল না করলেও, অস্বাভাবিকভাবে বাস ঢুকিয়ে ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে। ঘটনার পর ওই একই স্থানে নতুন একটি ব্যানার টানিয়ে প্রতিবাদ জানায় তারা।


সরেজমিনে দেখা যায়, নতুন ওই ব্যানারে লেখা রয়েছে—‘এখানে থাকা ছাত্রশিবিরের নিম্নরূপ ব্যানারটি বাস দিয়ে ছিঁড়ে ফেলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ ব্যানারে লেখাটির ঠিক নিচের অংশে রয়েছে ফ্রেমে আবদ্ধ ছিঁড়ে যাওয়া আগের শুভেচ্ছা ব্যানারটির প্রতিচ্ছবি।


এ বিষয়ে জাবিপ্রবি শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি হাফেজ মো. মামুনুর রশিদ বলেন, ‘গত রোববার (১৯ জুলাই) নবীন শিক্ষার্থীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে টাঙানো আমাদের ব্যানারটি প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই বারবার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। আমরা তখন জানাই, ব্যানারটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান কোনো নীতিমালা বা বিধিমালা লঙ্ঘন করছে না। তখন প্রক্টর স্যার আমাদের উদ্দেশে হুমকিমূলকভাবে বলেন, “কালকে এটা নিয়ে ঝামেলা হবে। তুমি যদি এটা নিয়ে ঝামেলা করতে চাও, তাহলে আমার কিছু করার নেই”।’ প্রক্টরের সঙ্গে হওয়া এই কথোপকথনের একটি অডিও রেকর্ডও প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। 


তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘প্রক্টরের ওই বক্তব্যের পরদিন (সোমবার) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে নিয়মিত বাস চলাচলের নির্ধারিত রুট পরিবর্তন করে অস্বাভাবিকভাবে একাডেমিক ভবনের সামনের সড়ক দিয়ে বাস চালানো হয়। এর ফলেই বাসের আঘাতে আমাদের ব্যানারটি ছিঁড়ে যায়। প্রক্টরের আগের দিনের বক্তব্য এবং পরদিনের এই ধারাবাহিক ঘটনা আমাদের কাছে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।’


তবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বাস ওই রাস্তায় নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ বিষয়ে পরিবহন পরিচালনা কমিটির সদস্য সহকারী অধ্যাপক আতিকুর রহমান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশ অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের সুবিধার্থে বাসটি যেন একাডেমিক ভবনের সামনে পর্যন্ত আসতে পারে, সে জন্য পরীক্ষামূলকভাবে বাসটি ওই রাস্তা দিয়ে আনা হয়েছিল। এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য ছিল না।’


অন্যদিকে, ব্যানার নিয়ে হুমকি দেওয়ার বিষয়ে জানতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর ড. মোহাম্মদ সাদিকুর রহমানকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।


বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়ে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তিন দফা দাবি তুলে ধরা হয়েছে: ১. ব্যানার ছিঁড়ে যাওয়ার ঘটনার একটি স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত করতে হবে। ২. তদন্তে যদি কারও দায় বা অবহেলা প্রমাণিত হয়, তবে তার বিরুদ্ধে যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। ৩. বিশ্ববিদ্যালয়ে সব ছাত্রসংগঠনের বৈধ ও শান্তিপূর্ণ সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের ঘটনা আর না ঘটে, সে বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।


শাখা ছাত্রশিবিরের নেতারা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় হবে মতপ্রকাশ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও গণতান্ত্রিক চর্চার নিরাপদ স্থান। এখানে কোনো ধরনের বৈষম্যমূলক আচরণ বা অযৌক্তিক প্রতিবন্ধকতা কাম্য নয়।


এদিকে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়, গত ২১ জুন বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন মাঠে বিভিন্ন প্রজাতির ফলজ বৃক্ষ রোপণ করেছিলেন শাখার নেতা-কর্মীরা। কিন্তু সম্প্রতি কে বা কারা সেই গাছগুলোও উপড়ে ফেলেছে।

Tag
আরও খবর