এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত দেশের ১৪ রুটে চলবে নারীদের জন্য‘পিংক বাস’ সার্ভিস ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায় পানি ভর্তি প্লাস্টিকের ড্রামে ফেলে নবজাতক শিশুকে হত্যা সুফিবাদী ঐক্য ফোরামের গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারাঃ ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) উদযাপন সমগ্র জাতির জন্য কল্যাণ ও মাহাত্ম্যপূর্ণ দত্তেরহাট এলাকায় কেক তৈরিতে পচা ডিম, বেকারিকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ দুর্বৃত্তদের গুলিতে ৫ জন গুরুতর আহত প্রধানমন্ত্রীকে সৌদি সফরের আমন্ত্রণ ক্রাউন প্রিন্স সালমানের দুদকের নতুন চেয়ারম্যান এ কে এম আসাদুজ্জামান বিলুপ্ত হচ্ছে র‍্যাব, পুলিশের অধীনে হবে এসআরবি লোহাগাড়ায় সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ লোহাগাড়ায় ২৭ হাজার টাকার জাল নোটসহ এক ব্যক্তি আটক কেটিএম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হলেন সোনালী ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা হাসিবুর রহমান ত্যাগ, সততা আর মানুষের ভালোবাসায় কৃষকের সন্তান আজ দুইবারের এমপি নন্দীগ্রামে সঠিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে অভিযান, ৮১ হাজার টাকা জরিমানা শ্যামনগর থানার ওসি সাফিউল ইসলাম সাতক্ষীরার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত শ্রীমঙ্গলে বিএনপি নেতা তাজ উদ্দিন তাজুকে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি, প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বাস্তবায়ন হবে তো এমপি জসিমের ‘মানবিক ফার্মেসি’! চোর সন্দেহে যমুনা নদীতে একজনকে পিটিয়ে হত্যা : মামলা নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি আশাশুনির বুধহাটায় মোবাইল কোর্টে মিষ্টির দোকান ও তেল মিলকে জরিমানা

এনবিআর ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত

দেশচিত্র নিউজ ডেস্ক

প্রকাশের সময়: 18-08-2026 02:04:26 pm


রাজস্ব প্রশাসনে সরকারের নেওয়া সংস্কার প্রসঙ্গে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, পুরনো জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র ও স্বচ্ছ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একটি হবে রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং অন্যটি রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।


অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব নীতি বিভাগ হবে সরকারের ‘থিংক ট্যাংক’। বিশেষজ্ঞ এই সংস্থা একটি ভারসাম্যপূর্ণ, প্রতিযোগিতামূলক ও উন্নয়নবান্ধব কর কাঠামো প্রণয়ন করবে। আর রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ হবে ‘অ্যাকশন টিম’, যারা রাজস্ব আদায় করবে এবং দেশপ্রেমিক নাগরিকের মতো দায়িত্ব পালন করবে।


মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলনকেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এ দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


তিনি বলেন, কর প্রদান প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আইনের যথাযথ প্রয়োগ নিশ্চিত করাই সরকারের লক্ষ্য। নীতি প্রণয়নের ক্ষেত্রে অর্থনীতিবিদ, বেসরকারি খাতের প্রতিনিধি, গবেষক এবং শিল্প-বাণিজ্য সংগঠনের বিশেষজ্ঞদের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে।


অর্থমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতির আকার বাড়লেও সে অনুযায়ী রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বাড়েনি।


এই ব্যবধান কমাতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর শুধু করের বোঝা বাড়ালে হবে না। বরং করের আওতা বাড়াতে হবে, কর অব্যাহতি যৌক্তিক করতে হবে, কর ফাঁকি ও পরিহার বন্ধ করতে হবে এবং অটোমেশনের মাধ্যমে করদাতাদের কমপ্লায়েন্স বাড়াতে হবে।

২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা প্রসঙ্গে আমির খসরু বলেন, এ অর্থবছরে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৬ শতাংশ বেশি। এই লক্ষ্যমাত্রা উচ্চাভিলাষী হলেও তা ইচ্ছাকৃতভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে।


তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতিতে যেতে চায়।


উন্নয়নের অর্থায়ন নিজেদের সম্পদ থেকেই করতে হবে।


রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কারে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, এগুলো হলো আধুনিকায়ন, সম্প্রসারণ ও অংশীদারি। এন্ড-টু-এন্ড অটোমেশনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া করদাতাদের কর্মকর্তাদের কাছে যাওয়ার সংস্কৃতি বন্ধ করা হবে।


তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য একটি সম্পূর্ণ ‘কন্টাক্ট-ফ্রি’ ও ‘ফেসলেস’ রাজস্ব প্রশাসন গড়ে তোলা। এরই মধ্যে ই-ট্যাক্স ম্যানেজমেন্ট, আসিকুডা ওয়ার্ল্ড, ন্যাশনাল সিঙ্গেল উইন্ডো এবং আধুনিক স্ক্যানিং পদ্ধতির মতো বিভিন্ন ব্যবসাবান্ধব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।


অর্থমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব সম্মেলন শুধু রাজস্ব আদায়ের হিসাব-নিকাশের সম্মেলন নয়, এটি জাতীয় ঐকমত্য গঠনের একটি প্ল্যাটফর্ম। কীভাবে নিজস্ব অর্থায়নে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা যায়, সেই পথ নির্ধারণে এ সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


তিনি বলেন, বাংলাদেশের রাজস্ব ব্যবস্থার অন্যতম বড় কাঠামোগত দুর্বলতা হলো অত্যন্ত কম কর-জিডিপি অনুপাত। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের কর-জিডিপি অনুপাত ৬ দশমিক ৮ শতাংশ থেকে কমে ৬ দশমিক ৭ শতাংশে নেমেছে। এ হার বিশ্বের অন্যতম নিম্ন। ২০২৩ সালে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলে গড় কর-জিডিপি অনুপাত ছিল ১৯ দশমিক ৫ শতাংশ, যেখানে বাংলাদেশের ছিল মাত্র ৭ দশমিক ২ শতাংশ।


আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, অর্থনীতির আকার বাড়লেও সে অনুযায়ী রাষ্ট্রের রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা বাড়েনি। এই ব্যবধান কমাতে বিদ্যমান করদাতাদের ওপর শুধু করের বোঝা বাড়ালে হবে না। বরং করের আওতা বাড়াতে হবে, কর অব্যাহতি যৌক্তিক করতে হবে, কর ফাঁকি ও পরিহার বন্ধ করতে হবে এবং অটোমেশনের মাধ্যমে করদাতাদের কমপ্লায়েন্স বাড়াতে হবে।


আরও খবর






deshchitro-6a82bab93b37c-170826013937.webp
শ্যামনগরে গাঁজা-ইয়াবা-ফেনসিডিল উদ্ধার

১ দিন ১ ঘন্টা ৩৩ মিনিট আগে