পীরগাছায় পোনামাছ অবমুক্তের একদিন পরই নিধন, ক্ষতির মুখে লিজগ্রহীতা গ্রাম পুলিশের বেতন বাড়ালো সরকার, যুক্ত হলো মাসিক মোবাইল বিলও মৌলভীবাজারে সোনার বাংলা আদর্শ ক্লাবের ৮ম মেধা যাচাই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শেরপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন অপতথ্য ছড়িয়ে দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে একটি মহল: প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী পীরগাছায় পুকুরে বিষ প্রয়োগে প্রায় ১৬ মণ মাছ নিধনের অভিযোগ, ক্ষতি দেড় লাখ টাকা জাবিপ্রবিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস-২০২৬ পালিত ৭ নভেম্বর বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে বরিশাল দক্ষিণ জেলা বিএনপির বর্ণাঢ্য র‍্যালি মধুপুরে মাদক ব্যবসায়ী হাবুর মিথ্যা মামলা ও হয়রানির প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল ঈশ্বরগঞ্জে সপ্তাহব্যাপী জাতীয় যুব দিবসের সমাপ্তি উলিপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত দিনাজপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন সিরাজগঞ্জে বহুলী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ ‎ নাগেশ্বরীতে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত নাগেশ্বরীতে ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত বাঁধনের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে পবিপ্রবির বরিশাল ক্যাম্পাসে বিনামূল্যে ব্লাড গ্রুপিং নোয়াখালী রুটে চালু হচ্ছে নতুন ট্রেন, সংস্কার হচ্ছে রেলপথ জাবিপ্রবির জিওলজি বিভাগের নতুন চেয়ারম্যান ওয়াহিদা আক্তার: বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথম নারী চেয়ারম্যান লাঙ্গলবাঁধ বাজারের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে এমপি মনোয়ার খানের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের ফেরার কোনো সুযোগ নেই: নাহিদ ইসলাম

‎রামপালে ২০ কেজি গাঁজাসহ প্রাইভেটকার জব্দ, দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

ছবি সংগৃহীত


‎

‎বাগেরহাটের রামপালে এসআরবি-৬-এর বিশেষ অভিযানে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় মাদক পরিবহনে ব্যবহৃত একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়।

‎

‎বাগেরহাটের রামপাল উপজেলার বগুড়া ব্রিজসংলগ্ন পাকা সড়কে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত একটি বিশেষ আভিযানিক কার্যক্রমে ২০ কেজি গাঁজাসহ দুইজনকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-৬-এর সদর কোম্পানির একটি দল। রোববার গভীর রাতে এই সফল অভিযান পরিচালিত হয়, যেখানে মাদক বহনের কাজে ব্যবহৃত একটি সিলভার রঙের প্রাইভেটকারও জব্দ করা হয়েছে। সোমবার সকালে এসআরবি-৬-এর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য গণমাধ্যমের সামনে নিশ্চিত করা হয়। মূলত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর নজরদারি এবং গোপন খবরের ভিত্তিতে চালিত এই ঝটিকা অভিযানের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের মাদক সিন্ডিকেটের একটি বড় চালান হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়েছে, যা স্থানীয় অপরাধ নির্মূল কার্যক্রমে একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

‎

‎অভিযানে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন বাগেরহাটের মোংলা উপজেলার দিগরাজ এলাকার হাসান হাওলাদারের ছেলে রিয়াজ হাওলাদার (২৫) এবং একই উপজেলার উত্তর মালগাজী এলাকার কামাল কাজীর ছেলে ও গাড়িচালক রহমত কাজী। এসআরবি-৬-এর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুকৌশলে প্রাইভেটকারের মতো ব্যক্তিগত পরিবহন মাধ্যম ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন সীমান্ত অঞ্চল থেকে মাদকদ্রব্য এনে মোংলা ও রামপালসহ আশপাশের এলাকায় সরবরাহ করে আসছিল। সাধারণ যাত্রীবাহী বা ব্যক্তিগত গাড়ির আড়ালে মাদক পাচারের এই রুটি-রুটিন ডাইনামিক্স আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে দীর্ঘদিন ধরেই ভাবিয়ে তুলছিল। রবিবার রাতের ওই চেকপোস্টে যখন গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালানো হয়, তখন তাদের আচরণ ও গাড়ির ফিটনেস নিয়ে সন্দেহ তৈরি হলে এই বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ মাদক উদ্ধার করা হয়, যা তাদের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট প্রমাণের দাবিদার।

‎

‎গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রামপাল থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং জব্দকৃত ২০ কেজি গাঁজা ও সিলভার রঙের প্রাইভেটকারসহ তাদের স্থানীয় থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশ এবং এসআরবি যৌথভাবে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে যাতে এই চক্রের সাথে জড়িত অন্য কোনো গডফাদার বা রাঘববোয়ালদের আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়। প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর আসামিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ প্রশাসন। একই সাথে, মাদক কারবারিরা যাতে আইনগত ফাঁকফোকর গলিয়ে সহজে জামিন পেয়ে পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়তে না পারে, সে বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা কঠোর আইনি লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানা গেছে।

‎

‎রামপালের এই মাদকবিরোধী অভিযান শুধু একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং গোটা উপকূলীয় অঞ্চলে মাদকের বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী কৌশলেরই একটি অংশ। এ ধরনের নিয়মিত চেকপোস্ট ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার না করা হলে যুবসমাজ ধ্বংসের মুখে পতিত হওয়ার পাশাপাশি অপরাধের মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বৃদ্ধি পাওয়ার ঝুঁকি থাকে। সাধারণ মানুষের যাতায়াতের মূল সড়কগুলোকে মাদক কারবারিরা নিরাপদ করিডোর হিসেবে ব্যবহার করার যে অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে, তা কঠোরহস্তে দমনের কোনো বিকল্প নেই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এই ধারাবাহিক কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে দক্ষিণাঞ্চলের জনপদগুলো সম্পূর্ণ মাদকমুক্ত রাখা সম্ভব হবে বলে সচেতন মহল আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।

‎

‎

আরও খবর